মোঃ রেজাউল করিম,ঈদগাঁও,
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে অবিরাম বৃষ্টিতে ও বন্য হাতির তান্ডবলীলা থেমে নেই। ৮ আগষ্ট গভীর রাতে হাতির পাল সর্বশেষ তান্ডলীলা চালিয়েছে স্থানীয় ভাদী তলায়। হাতির আক্রমণে নিশ্চিত মৃত্যুর পথ থেকে কৌশলে মুক্ত হয়েছেন দু’ব্যক্তি। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,ঈদগাঁও ভাদীতলার তাজু ফকিরের মসজিদ সংলগ্ন নানা বসত বাড়ী ও বীজতলায় পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে হাতির একটি পাল নেমে এসে ব্যাপক তান্ডব লীলা চালায়। পালটি বেশ কয়েকটি বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে, একটি গোয়ালঘর সম্পূর্ণ ভেঙ্গে চুরমার করে। তিনটি নারিকেল চারা গাছ খেয়ে সাবাড় করে। এজাহার ফকীর ও বদি আলমের প্রায় দশ আড়ি ধান বীজ খেয়ে পেলে। এছাড়া বিভিন্ন বসত বাড়ী সংলগ্ন কাঁঠাল গাছ ও বাঁশ ডেম ও খেয়ে শেষ করে। আবদুল করিম চৌকিদারের বসত ভিটার বেশ কয়েকটি কলা গাছ ও খেয়ে ফেলে হাতির ঐ দল। গভীর রাতে তাজু ফকিরের মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে যাবার সময় হাতির দলটি ভাদীতলার লাল মিয়ার পুত্র নুরুল ইসলা ও দরগাহ পাড়ার আবুল হোসেনকে আক্রমণ করতে উদ্যাত হয়। তাদের মাথায় ছাতা থাকায় তারা কোন রকমে কৌশলে হাতির আক্রমণ থেকে মুক্তি লাভ করেন।
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে অবিরাম বৃষ্টিতে ও বন্য হাতির তান্ডবলীলা থেমে নেই। ৮ আগষ্ট গভীর রাতে হাতির পাল সর্বশেষ তান্ডলীলা চালিয়েছে স্থানীয় ভাদী তলায়। হাতির আক্রমণে নিশ্চিত মৃত্যুর পথ থেকে কৌশলে মুক্ত হয়েছেন দু’ব্যক্তি। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,ঈদগাঁও ভাদীতলার তাজু ফকিরের মসজিদ সংলগ্ন নানা বসত বাড়ী ও বীজতলায় পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে হাতির একটি পাল নেমে এসে ব্যাপক তান্ডব লীলা চালায়। পালটি বেশ কয়েকটি বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে, একটি গোয়ালঘর সম্পূর্ণ ভেঙ্গে চুরমার করে। তিনটি নারিকেল চারা গাছ খেয়ে সাবাড় করে। এজাহার ফকীর ও বদি আলমের প্রায় দশ আড়ি ধান বীজ খেয়ে পেলে। এছাড়া বিভিন্ন বসত বাড়ী সংলগ্ন কাঁঠাল গাছ ও বাঁশ ডেম ও খেয়ে শেষ করে। আবদুল করিম চৌকিদারের বসত ভিটার বেশ কয়েকটি কলা গাছ ও খেয়ে ফেলে হাতির ঐ দল। গভীর রাতে তাজু ফকিরের মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে যাবার সময় হাতির দলটি ভাদীতলার লাল মিয়ার পুত্র নুরুল ইসলা ও দরগাহ পাড়ার আবুল হোসেনকে আক্রমণ করতে উদ্যাত হয়। তাদের মাথায় ছাতা থাকায় তারা কোন রকমে কৌশলে হাতির আক্রমণ থেকে মুক্তি লাভ করেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন