মোঃ রেজাউল করিম,ঈদগাঁও,
পোকখালীর পিতৃহীন অসহায় দোকান কর্মচারী লেদুমিয়া দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে হলে তার বড় ধরনের অপারেশনের প্রয়োজন। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পূর্ব পোকখালী মিয়ার পাড়ার মৃত জাফর আলমের বড় পুত্র লেদু মিয়া, পিতা তার জন্মের তিন মাসের মাথায় মারা যান। মাতা আনচারু বেগমের অনত্র্য বিয়ে হয়। ইতোমধ্যে লেদু মিয়া স্থানীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করলে তার নানা মোক্তার তার জন্য চাকুরী খুঁজতে শুরু করেন। এদিকে একমাত্র পুত্র লেদুকে স্বচক্ষে দেখাশুনা করার জন্য তার মা আনচারু দ্বিতীয় স্বামী ত্যাগ করে পিত্রালয়ে চলে আসেন। এক পর্যায়ে লেদু মিয়া ঈদগাঁও বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী মকতুল হোসেন সওদাগরের মালিকানাধীন মেসার্স হোসেন ক্রোকারীজে চাকুরী করেন। দীর্ঘ দশ বছর নিষ্টা ও সততার সাথে উক্ত দোকানে কাজ করে মালিকের সুদৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয় এবং অভাবের সংসারে চাকুরীর যত সামান্য বেতনে কিছুটা হলেও তার সংসারে নানা এবং মাকে সহযোগিতা করতে থাকে। এর আগে ঈদগাঁও বাজারের জায়নালের মালিকানাধীন দোকানে বেশ কয়েক বছর চাকুরী করে। পঙ্গু লেদু মিয়া জানায়, ২০০৬ সালের দিকে সে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। তার বাম পা প্রথমে বাঁকা হয়ে যেতে শুরু করে। মাস দুয়েক পর ডান পা ও বাঁকা হতে থাকে। ক্রমশঃ পা দুটির রগ টানা হয়ে সম্পূর্ণ পঙ্গু ও অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে তাকে লক্ষ্য করে দেখা গেছে, তার চোখে মুখে হতাশ আর হতাশা। ভবিষ্যৎ সে কেবল অন্ধকারই দেখতে পাচ্ছে। পা দিয়ে হাটতে পারেনা। কাঠের ক্র্যাচেভর দিয়ে হাটে। দিন দিন চিন্তা ও বিষন্নতায় শুকিয়ে যাচ্ছে সে। স্থানীয়রা জানায়, ছাত্রজীবনে সে দারুন মেধাবী ছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলে ও সত্য যে, তীব্র অর্থ কষ্টে সে আর পড়ালেখা বেশী দুর এগিয়ে নিতে পারেনি। হতভাগ্য ও যুবকটি তার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলে মৃত্যু পথযাত্রী মাকে সহযোগিতা করতে পারবে। ক্যান্সারে আক্রান্ত লেদুমিয়া আরো জানায়, পুল চেয়ারে বসে তাকে প্রস্রাব পায়খানা করতে হয়। ঘুমোতে হয় কাত হয়ে। পা দুটি স¤প্রসারণ করতে পারেনা। তার নানা মোক্তার আহমদ জানান, সর্বশেষ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের তত্বাবধানে একটানা চারদিন চিকিৎসা করানো হয়। মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ সুমিত রায় চৌধূরী নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দেয় যে, আগামী আট মাসের মধ্যে বড় অপারেশনের মাধ্যমে তার পায়ের গুটি দুটি বদলাতে হবে। অন্যথায় তার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্ড সদস্য ডাঃ মায়েদুল ইসলাম জানান, জার্মানী থেকে গুটি দুটি আনতে হবে। সংযোজন সহ সর্বমোট খরচ পড়বে অনুমানিক ছয় লাখ টাকা। লেদু মিয়া এলাকার ধনী, গরীব সহ হৃদয়বান মানুষকে পবিত্র রমজান মাসের যাকাত তহবিল থেকে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-একাউন্ট নং-১৫৬২৪,ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিডেট,ঈদগাঁও শাখা, যোগাযোগ নম্বার-০১৮১২-৯৫১৪৫০।
পোকখালীর পিতৃহীন অসহায় দোকান কর্মচারী লেদুমিয়া দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে হলে তার বড় ধরনের অপারেশনের প্রয়োজন। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পূর্ব পোকখালী মিয়ার পাড়ার মৃত জাফর আলমের বড় পুত্র লেদু মিয়া, পিতা তার জন্মের তিন মাসের মাথায় মারা যান। মাতা আনচারু বেগমের অনত্র্য বিয়ে হয়। ইতোমধ্যে লেদু মিয়া স্থানীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করলে তার নানা মোক্তার তার জন্য চাকুরী খুঁজতে শুরু করেন। এদিকে একমাত্র পুত্র লেদুকে স্বচক্ষে দেখাশুনা করার জন্য তার মা আনচারু দ্বিতীয় স্বামী ত্যাগ করে পিত্রালয়ে চলে আসেন। এক পর্যায়ে লেদু মিয়া ঈদগাঁও বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী মকতুল হোসেন সওদাগরের মালিকানাধীন মেসার্স হোসেন ক্রোকারীজে চাকুরী করেন। দীর্ঘ দশ বছর নিষ্টা ও সততার সাথে উক্ত দোকানে কাজ করে মালিকের সুদৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয় এবং অভাবের সংসারে চাকুরীর যত সামান্য বেতনে কিছুটা হলেও তার সংসারে নানা এবং মাকে সহযোগিতা করতে থাকে। এর আগে ঈদগাঁও বাজারের জায়নালের মালিকানাধীন দোকানে বেশ কয়েক বছর চাকুরী করে। পঙ্গু লেদু মিয়া জানায়, ২০০৬ সালের দিকে সে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। তার বাম পা প্রথমে বাঁকা হয়ে যেতে শুরু করে। মাস দুয়েক পর ডান পা ও বাঁকা হতে থাকে। ক্রমশঃ পা দুটির রগ টানা হয়ে সম্পূর্ণ পঙ্গু ও অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে তাকে লক্ষ্য করে দেখা গেছে, তার চোখে মুখে হতাশ আর হতাশা। ভবিষ্যৎ সে কেবল অন্ধকারই দেখতে পাচ্ছে। পা দিয়ে হাটতে পারেনা। কাঠের ক্র্যাচেভর দিয়ে হাটে। দিন দিন চিন্তা ও বিষন্নতায় শুকিয়ে যাচ্ছে সে। স্থানীয়রা জানায়, ছাত্রজীবনে সে দারুন মেধাবী ছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলে ও সত্য যে, তীব্র অর্থ কষ্টে সে আর পড়ালেখা বেশী দুর এগিয়ে নিতে পারেনি। হতভাগ্য ও যুবকটি তার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলে মৃত্যু পথযাত্রী মাকে সহযোগিতা করতে পারবে। ক্যান্সারে আক্রান্ত লেদুমিয়া আরো জানায়, পুল চেয়ারে বসে তাকে প্রস্রাব পায়খানা করতে হয়। ঘুমোতে হয় কাত হয়ে। পা দুটি স¤প্রসারণ করতে পারেনা। তার নানা মোক্তার আহমদ জানান, সর্বশেষ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের তত্বাবধানে একটানা চারদিন চিকিৎসা করানো হয়। মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ সুমিত রায় চৌধূরী নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দেয় যে, আগামী আট মাসের মধ্যে বড় অপারেশনের মাধ্যমে তার পায়ের গুটি দুটি বদলাতে হবে। অন্যথায় তার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্ড সদস্য ডাঃ মায়েদুল ইসলাম জানান, জার্মানী থেকে গুটি দুটি আনতে হবে। সংযোজন সহ সর্বমোট খরচ পড়বে অনুমানিক ছয় লাখ টাকা। লেদু মিয়া এলাকার ধনী, গরীব সহ হৃদয়বান মানুষকে পবিত্র রমজান মাসের যাকাত তহবিল থেকে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-একাউন্ট নং-১৫৬২৪,ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিডেট,ঈদগাঁও শাখা, যোগাযোগ নম্বার-০১৮১২-৯৫১৪৫০।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন