শরিফ আজাদ, উখিয়া ॥
উখিয়া উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র কোটবাজার ষ্টেশনটি উপজেলার জালিয়াপালং, রত্না পালং, হলদিয়াপালং, রাজাপালং ইউনিয়নের দেড় লক্ষ্যমানুষের মিলনস্থল। বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত এ বাজারটিতে বিভিন্ন এলাকার লক্ষ্যধিক মানষ বেচা-কেনার কাজে প্রতিনিয়িত সমাগম ঘটে। বিপুল সংখ্যক লোকসমাগম ঘটনায় বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখানে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়
করতে আসে। এসব ব্যবসায়ীদের
কাছ থেকে সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করছে। নিয়ম রয়েছে সরকারি রাজস্ব আয়ের ২৫ শতাংশ বাজার উন্নয়নের জন্য খরচ করা। কিন্তু ঘটছে তার উল্টো। সামান্য বৃষ্টি হলে ময়লার পানিতে ডুবে থাকে কোটবাজার ষ্টেশন। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল নালা, নর্দমা ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করার কারণে পানি নিষ্কাষনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ময়লা ফেলার জন্য কোন জায়গা না পেয়ে রাস্তার পাশে ব্যবসায়ীরা আবর্জনার পাহাড় তৈরি করে। লক্ষাধিক মানুষের জন্য একটি মাত্র টিউবওয়েল আছে তাও মাসের বেশির ভাগ সময় অকেজু থাকে। গাড়ি পার্কিংয়ের নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় ড্রাইভাররা যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে। যার ফলে যানজট লেগেই থাকে। একটি মাত্র যাত্রী ছাউনী আছে। যেটি মাছ ব্যবসায়ীদের কারণে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার যাত্রী রৌদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির জন্য রাস্তার পাশে দাড়িঁয়ে থাকে। রাস্তার দু’পাশে ফুটপাতের জায়গা দখল করে অসংখ্য ঝুপড়ি বসানো হয়ছে। যার ফলে মানুষের চলাফেরা করতে কষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে কাঁচা বাজারের শেড নির্মাণের কথা থাকলেও আদৌ নির্মাণ হবে কি না সন্দেহ রয়েছে। মাছ,তরকারি, শাক-সবজি, বিক্রেতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে ভিজে অনেক কষ্টে ব্যবসা করে আসছে। একটি মাত্র নির্মিত পরিত্যক্ত গণশৌচাগারটির চাবি কার কাছে কারো জানা নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সোনার পাড়ার সড়ক , ভালুকিয়া সড়ক, পশ্চিম রত্না সড়ক একটু বৃষ্টি হলেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এছাড়াও প্রধান সড়টিতে দীর্ঘ দিন ধরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ জন প্রতিনিধিদের অবগত করার পরও কোন কাজ হচ্ছে বলেও ব্যবসায়ীরা দাবী করেছেন। উল্লেখ্য যে, কোটবজারে নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারিত কোন সাইনবোর্ড টাঙ্গানো নেই।
উখিয়া উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র কোটবাজার ষ্টেশনটি উপজেলার জালিয়াপালং, রত্না পালং, হলদিয়াপালং, রাজাপালং ইউনিয়নের দেড় লক্ষ্যমানুষের মিলনস্থল। বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত এ বাজারটিতে বিভিন্ন এলাকার লক্ষ্যধিক মানষ বেচা-কেনার কাজে প্রতিনিয়িত সমাগম ঘটে। বিপুল সংখ্যক লোকসমাগম ঘটনায় বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখানে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়
করতে আসে। এসব ব্যবসায়ীদের
কাছ থেকে সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করছে। নিয়ম রয়েছে সরকারি রাজস্ব আয়ের ২৫ শতাংশ বাজার উন্নয়নের জন্য খরচ করা। কিন্তু ঘটছে তার উল্টো। সামান্য বৃষ্টি হলে ময়লার পানিতে ডুবে থাকে কোটবাজার ষ্টেশন। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল নালা, নর্দমা ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করার কারণে পানি নিষ্কাষনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ময়লা ফেলার জন্য কোন জায়গা না পেয়ে রাস্তার পাশে ব্যবসায়ীরা আবর্জনার পাহাড় তৈরি করে। লক্ষাধিক মানুষের জন্য একটি মাত্র টিউবওয়েল আছে তাও মাসের বেশির ভাগ সময় অকেজু থাকে। গাড়ি পার্কিংয়ের নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় ড্রাইভাররা যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে। যার ফলে যানজট লেগেই থাকে। একটি মাত্র যাত্রী ছাউনী আছে। যেটি মাছ ব্যবসায়ীদের কারণে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার যাত্রী রৌদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির জন্য রাস্তার পাশে দাড়িঁয়ে থাকে। রাস্তার দু’পাশে ফুটপাতের জায়গা দখল করে অসংখ্য ঝুপড়ি বসানো হয়ছে। যার ফলে মানুষের চলাফেরা করতে কষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে কাঁচা বাজারের শেড নির্মাণের কথা থাকলেও আদৌ নির্মাণ হবে কি না সন্দেহ রয়েছে। মাছ,তরকারি, শাক-সবজি, বিক্রেতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে ভিজে অনেক কষ্টে ব্যবসা করে আসছে। একটি মাত্র নির্মিত পরিত্যক্ত গণশৌচাগারটির চাবি কার কাছে কারো জানা নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সোনার পাড়ার সড়ক , ভালুকিয়া সড়ক, পশ্চিম রত্না সড়ক একটু বৃষ্টি হলেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এছাড়াও প্রধান সড়টিতে দীর্ঘ দিন ধরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ জন প্রতিনিধিদের অবগত করার পরও কোন কাজ হচ্ছে বলেও ব্যবসায়ীরা দাবী করেছেন। উল্লেখ্য যে, কোটবজারে নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারিত কোন সাইনবোর্ড টাঙ্গানো নেই।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন