শরিফ আজাদ, উখিয়া ॥
উখিয়া-টেকনাফের মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে মূল্যবান ঔষুধ। অন্যদিকে দেশে ব্যাপক হারে প্রবেশ করছে মরণ নেশা ট্যাবলেট ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ওষুধ পাচারে সীমান্তের কতিপয় সিন্ডিকেটের সঙ্গে নামিদামী ওষুধ কোম্পানির (এমআর) প্রতিনিধিগণ জড়িয়ে পড়েছে এসব চোরাই ব্যবসায়। এমনকি স্থানীরা অভিযোগ করেছেন, ওষুধ পাচারের কাজে কোম্পানীর সরাসরি জড়িত থাকায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া ওষুধ
পাচারের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য উখিয়া-টেকনাফে কোম্পানির লোকজন প্রচুর লোকবল নিয়োগ করেছে।
সীমান্তের তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফের ২০টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে চোরাই পথে প্রতিনিয়ত ২০ লক্ষ টাকার বেশি ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। তাছাড়া মিয়ানমার থেকে এদেশে সম পরিমাণ টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য আসছে চোরাচালানী সিন্ডিকেট। উখিয়া সদরের মালভিটা পাড়ার জনৈক চোরাকারবারী জানান, যে সব ওষুধ কোম্পানী মিয়ানমারে ওষুধ পাচারে জড়িত তারা নিজস্ব গাড়ীতে করে সরাসরি সীমান্তে চোরাচালানিদের গোপন আস্তানায় পৌছে দিয়ে থাকে বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে একই গাড়ীতে করে ইয়াবা নিয়ে আসে চোরাচালানে নিয়োজিত সিন্ডিকেট। সীমান্তের যে সব পয়েন্ট দিয়ে ওষুধ পাচার হচ্ছে তৎমধ্যে উখিয়ার ডিগলীয়া পালং, চাকবৈটা, হাতিমোরা, তুলাতলী, দরগাবিল, কুতুপালং, বালুখালী, ধামনখালী, ঝিমনখালী, ঢেকি বনিয়া, আচার তলী, জলপাইতলী, পালংখালীর আনজুমান পাড়া ও টেকনাফের হোয়াইক্যং, উনচি প্রাং, কানজর পাড়া, হারাংখালী, হ্নীলা, মৌলভী বাজার, চৌধুরী পাড়া, লেদা, দমদমিয়া, টেকনাফে সদর বরই তলী, নাজির পাড়া, মৌলভী পাড়া, জালিয়া পাড়া, কায়ুকখালী, সাবরাং, খাংকার ডেইল, শাহপরিদ্বীপসহ অন্যান্য চোরাইপথে মিয়ানমারে প্রতিনিয়ত ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। মিয়ানমার থেকে বিনিময়ে দেশে প্রবেশ করছে মরণ নেশা ইয়াবা। টেকনাফের ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান জানান, সীমান্ত এলাকায় কয়েকটি ওষুধ কোম্পানি মিয়ানমারে ওষুধ পাচারের জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যর ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওষুধ কোম্পানির গাড়ীসহ ২ জন এমআরকে আটক করা হয়। ওষুধ পাচারে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশে ইয়াবা প্রবেশের কথা স্বীকার করে বলেন, ইয়াবা পাচারে জড়িতদের অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। সমপ্রতি কক্সবাজার পর্যটন শহরের সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল ইয়াবা পচার কাজে জড়িত রয়েছে। ১৭ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান অধীন উখিয়ার উপকূলীয় এলাকা ইনানীর বিশেষ ক্যাম্পে একদল বিডআর জোয়ান অভিযান চালিয়ে ২৬৫০ পিছ ইয়বা সহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। চোরাকারবারীরা আগে কক্সবাজার-টেকনাফ আরকান সড়ক ব্যবহার করত, এখন চোরাচালানের নতুন পথ মেরিন ড্রাইভ সড়ক।
উখিয়া-টেকনাফের মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে মূল্যবান ঔষুধ। অন্যদিকে দেশে ব্যাপক হারে প্রবেশ করছে মরণ নেশা ট্যাবলেট ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ওষুধ পাচারে সীমান্তের কতিপয় সিন্ডিকেটের সঙ্গে নামিদামী ওষুধ কোম্পানির (এমআর) প্রতিনিধিগণ জড়িয়ে পড়েছে এসব চোরাই ব্যবসায়। এমনকি স্থানীরা অভিযোগ করেছেন, ওষুধ পাচারের কাজে কোম্পানীর সরাসরি জড়িত থাকায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া ওষুধ
পাচারের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য উখিয়া-টেকনাফে কোম্পানির লোকজন প্রচুর লোকবল নিয়োগ করেছে।
সীমান্তের তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফের ২০টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে চোরাই পথে প্রতিনিয়ত ২০ লক্ষ টাকার বেশি ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। তাছাড়া মিয়ানমার থেকে এদেশে সম পরিমাণ টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য আসছে চোরাচালানী সিন্ডিকেট। উখিয়া সদরের মালভিটা পাড়ার জনৈক চোরাকারবারী জানান, যে সব ওষুধ কোম্পানী মিয়ানমারে ওষুধ পাচারে জড়িত তারা নিজস্ব গাড়ীতে করে সরাসরি সীমান্তে চোরাচালানিদের গোপন আস্তানায় পৌছে দিয়ে থাকে বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে একই গাড়ীতে করে ইয়াবা নিয়ে আসে চোরাচালানে নিয়োজিত সিন্ডিকেট। সীমান্তের যে সব পয়েন্ট দিয়ে ওষুধ পাচার হচ্ছে তৎমধ্যে উখিয়ার ডিগলীয়া পালং, চাকবৈটা, হাতিমোরা, তুলাতলী, দরগাবিল, কুতুপালং, বালুখালী, ধামনখালী, ঝিমনখালী, ঢেকি বনিয়া, আচার তলী, জলপাইতলী, পালংখালীর আনজুমান পাড়া ও টেকনাফের হোয়াইক্যং, উনচি প্রাং, কানজর পাড়া, হারাংখালী, হ্নীলা, মৌলভী বাজার, চৌধুরী পাড়া, লেদা, দমদমিয়া, টেকনাফে সদর বরই তলী, নাজির পাড়া, মৌলভী পাড়া, জালিয়া পাড়া, কায়ুকখালী, সাবরাং, খাংকার ডেইল, শাহপরিদ্বীপসহ অন্যান্য চোরাইপথে মিয়ানমারে প্রতিনিয়ত ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। মিয়ানমার থেকে বিনিময়ে দেশে প্রবেশ করছে মরণ নেশা ইয়াবা। টেকনাফের ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান জানান, সীমান্ত এলাকায় কয়েকটি ওষুধ কোম্পানি মিয়ানমারে ওষুধ পাচারের জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যর ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওষুধ কোম্পানির গাড়ীসহ ২ জন এমআরকে আটক করা হয়। ওষুধ পাচারে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশে ইয়াবা প্রবেশের কথা স্বীকার করে বলেন, ইয়াবা পাচারে জড়িতদের অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। সমপ্রতি কক্সবাজার পর্যটন শহরের সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল ইয়াবা পচার কাজে জড়িত রয়েছে। ১৭ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান অধীন উখিয়ার উপকূলীয় এলাকা ইনানীর বিশেষ ক্যাম্পে একদল বিডআর জোয়ান অভিযান চালিয়ে ২৬৫০ পিছ ইয়বা সহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। চোরাকারবারীরা আগে কক্সবাজার-টেকনাফ আরকান সড়ক ব্যবহার করত, এখন চোরাচালানের নতুন পথ মেরিন ড্রাইভ সড়ক।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন