সরওয়ার আলম শাহীন, উখিয়া,
উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সরকারের ভুতুর্কি দিয়ে আমদানী করা ইউরিয়া সার। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের চেকপোষ্ট গুলোতে গুটিকয়েক সার আটকের ঘটনা ঘটলেও বিপূল পরিমান সার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহের ছোখ ফাকিঁ দিয়ে অনায়াসে মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিগত উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় উখিয়া থেকে মিয়ানমারে সার পাচারের ঘটনা নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বক্তারা । উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী পুলিশ, কাষ্টমস্ ও বিজিবি সদস্যদের যেকোন মূল্যে সার পাচার প্রতিরোধ করে পাচারকারীদের আইনের হাতে সোপর্দ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু তাতেও সার পাচার থেমে নেই।
জানা গেছে, বিগত বছরের ন্যায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য উপজেলার কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের অনুকুলে সাড়ে ৪ শত মেঃ টন পরিমান ইউরিয়া সার বরাদ্দ আনা হয়েছে। বরাদ্দকৃত সার সমুহ উপজেলার ১০ জন ডিলারের বিপরীতে জনপ্রতি ৪৫ মেঃ টন করে সরবরাহ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও সরেজমিন কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, এ পর্যন্ত জমিতে কোন আমন চারা রোপন করা হয়নি। বিগত দিন গুলোতে ধারাবাহিক প্রবল বর্ষন পরবর্তীতে প্রচন্ড খরায় কৃষকেরা আমন চাষাবাদের জন্য জমির পরিচর্যা করতে পারেনি। এমনকি আমন ধানের বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করা পর্যন্ত হয়নি বলে একাধিক কৃষক জানান। প্রশ্ন উঠেছে,কৃষকরা মাঠে না নামায় যেখানে এক মুঠো সারের ও প্রয়োজন পড়েনি, এ অবস্থায় সাড়ে ৪শত মে ঃ টন সার গেল কোথায়। এ
সীমান্তের ধামনখালী গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৪০) আমানত উল¬াহ (৪৫) অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় যাত্রীবাহী গাড়ী ও চান্দের গাড়ী (জীপ) থেকে শতশত বস্তা ইউরিয়া সার সীমান্ত এলাকায় আনলোড হয়। পরে এসব সার সরাসরি মিয়ানমারে চলে যায়। না প্রকাশ না করার শর্তে আরো কয়েকজন এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তের ৭/৮ টি চোরাকারবারী সিন্ডিকেট উখিয়ার সার ডিলার ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব সার মিয়ানমারে দেদারছে পাচার করে আসছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে মরিচ্যা বিজিবির হাবিলদার দিল মুহাম্মদ বলেন, পাচারকারীরা অভিনব কায়দায় সার পাচার করে যাচ্ছে। অনেকেই জমিতে প্রয়োগকরার নাম ভাঙ্গিয়ে পাচার করে যাচ্ছে। মূলত পাচারকারীদের কোন জমি-জমা নাই। এ অবস্থায় ১শত কেজি সার উদ্ধার করা হলেও তাদের অজান্তে অনেক সার পাচার হয়ে গেছে বলে মতামত ব্যক্ত করেন। বালুখালী কাষ্টমস কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আমন মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক মেঃ টন সার উদ্ধার করা হয়েছে। সীমান্তে চিহিৃত কতিপয় পাচারকারী প্রভাব কাটিয়ে তাদের জমিতে প্রয়োগ করার নামে প্রতিদিন অহরহ সার বাড়ীতে নিয়ে মজুত করে থাকে। তিনি যেসমস্ত সার উদ্ধার করা হয়েছে, তার কোন মালিক পাওয়া যায়নি। মিয়ানমারে ইউরিয়া সার পাচারের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, যে সমস্ত সার ডিলারদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উক্ত সার গুলো বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়নি।
(ছবির ক্যাপসন- সীমান্তে একটি বাড়ীতে পাচারের জন্য মজুত করা সার)
উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সরকারের ভুতুর্কি দিয়ে আমদানী করা ইউরিয়া সার। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের চেকপোষ্ট গুলোতে গুটিকয়েক সার আটকের ঘটনা ঘটলেও বিপূল পরিমান সার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহের ছোখ ফাকিঁ দিয়ে অনায়াসে মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিগত উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় উখিয়া থেকে মিয়ানমারে সার পাচারের ঘটনা নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বক্তারা । উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী পুলিশ, কাষ্টমস্ ও বিজিবি সদস্যদের যেকোন মূল্যে সার পাচার প্রতিরোধ করে পাচারকারীদের আইনের হাতে সোপর্দ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু তাতেও সার পাচার থেমে নেই।
জানা গেছে, বিগত বছরের ন্যায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য উপজেলার কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের অনুকুলে সাড়ে ৪ শত মেঃ টন পরিমান ইউরিয়া সার বরাদ্দ আনা হয়েছে। বরাদ্দকৃত সার সমুহ উপজেলার ১০ জন ডিলারের বিপরীতে জনপ্রতি ৪৫ মেঃ টন করে সরবরাহ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও সরেজমিন কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, এ পর্যন্ত জমিতে কোন আমন চারা রোপন করা হয়নি। বিগত দিন গুলোতে ধারাবাহিক প্রবল বর্ষন পরবর্তীতে প্রচন্ড খরায় কৃষকেরা আমন চাষাবাদের জন্য জমির পরিচর্যা করতে পারেনি। এমনকি আমন ধানের বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করা পর্যন্ত হয়নি বলে একাধিক কৃষক জানান। প্রশ্ন উঠেছে,কৃষকরা মাঠে না নামায় যেখানে এক মুঠো সারের ও প্রয়োজন পড়েনি, এ অবস্থায় সাড়ে ৪শত মে ঃ টন সার গেল কোথায়। এ
সীমান্তের ধামনখালী গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৪০) আমানত উল¬াহ (৪৫) অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় যাত্রীবাহী গাড়ী ও চান্দের গাড়ী (জীপ) থেকে শতশত বস্তা ইউরিয়া সার সীমান্ত এলাকায় আনলোড হয়। পরে এসব সার সরাসরি মিয়ানমারে চলে যায়। না প্রকাশ না করার শর্তে আরো কয়েকজন এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তের ৭/৮ টি চোরাকারবারী সিন্ডিকেট উখিয়ার সার ডিলার ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব সার মিয়ানমারে দেদারছে পাচার করে আসছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে মরিচ্যা বিজিবির হাবিলদার দিল মুহাম্মদ বলেন, পাচারকারীরা অভিনব কায়দায় সার পাচার করে যাচ্ছে। অনেকেই জমিতে প্রয়োগকরার নাম ভাঙ্গিয়ে পাচার করে যাচ্ছে। মূলত পাচারকারীদের কোন জমি-জমা নাই। এ অবস্থায় ১শত কেজি সার উদ্ধার করা হলেও তাদের অজান্তে অনেক সার পাচার হয়ে গেছে বলে মতামত ব্যক্ত করেন। বালুখালী কাষ্টমস কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আমন মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক মেঃ টন সার উদ্ধার করা হয়েছে। সীমান্তে চিহিৃত কতিপয় পাচারকারী প্রভাব কাটিয়ে তাদের জমিতে প্রয়োগ করার নামে প্রতিদিন অহরহ সার বাড়ীতে নিয়ে মজুত করে থাকে। তিনি যেসমস্ত সার উদ্ধার করা হয়েছে, তার কোন মালিক পাওয়া যায়নি। মিয়ানমারে ইউরিয়া সার পাচারের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, যে সমস্ত সার ডিলারদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উক্ত সার গুলো বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়নি।
(ছবির ক্যাপসন- সীমান্তে একটি বাড়ীতে পাচারের জন্য মজুত করা সার)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন