উখিয়ার জালিয়া পালং পাইন্যাশিয়া গ্রামের দিন মজুর মছন আলীর কন্যা মোমেনা বেগম (১৮) কে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে পাশের গ্রামের সাহাব উদ্দিন (২৫)। দীর্ঘ ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক শারিরিক সম্পর্কে রূপ নেওয়ায় মোমেনা এখন ২ মাসের অন্তস্বত্বা। কিন্তু প্রতারক প্রেমিক সাহাব উদ্দিন মোমেনাকে বিয়ে না করে ধনাঢ্য পরিবারের এক মেয়ের সাথে বেশি টাকার যৌতুক নিয়ে বিয়ের পিড়িতে বসতে যাওয়ায় মোমেনা এখন স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসনের ধারে ধারে
ঘুরছেন। স্থানীয় হেলপ এনজিও সংস্থা, গ্রাম্য বিচারালয়, থানা এবং আদালতে এ বিষয়ে বিচার দায়ের করে কোন কাজ হচ্ছেনা। এখনো অসহায় এ মেয়েটির বিচার হয়নি। বিচারের বাণী যেন নিবৃতে কাঁদছে। মোমেনা বেগম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, রাজাপালং পিনজির কূল গ্রামের ফরিদ আলমের ছেলে সাহাব উদ্দিন (২৫), তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ৪ বছর ধরে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে তার বাড়ীতে নিয়মিত আসা যাওয়া করত। তাদের প্রেমের সর্ম্পকটি স্থানীয় ভাবে জানাজানি হয়ে গেলে মোমেনা বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করায় গত ২৪ মে তাকে নোটারী পাবলিক কায়ার্লয়ে নিয়ে বিয়ে করার কথা বলে বান্দর বান জেলার আবাসিক হোটেল হিরো নামে একটি হোটেলে ৪দিন ধরে আটক রেখে প্রেমিক সাহাব উদ্দিন ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে বিয়ে না করে তাকে ঘরে পাটিয়ে দেয়। তিনি আরও জানান, প্রেমিক সাহাব উদ্দিন প্রেমের সর্ম্পকের বিষয় অস্বীকার করে এখন বেশি টাকার যৌতুক নিয়ে অনত্র বিয়ে করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এনজিও সংস্থা হেল্প কক্সবাজারের পরিচালক আবুল কাশেম জানান, ঘটনার তারা তদন্ত করেছেন। তদন্তে মোমেনার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন