মোঃ রেজাউল করিম,
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে ৬ সন্তানের জননীর ৭টি কুকুর ছানা প্রসবের খবর পাওয়া গেছে। তবে খবরটি সত্য না মিথ্যা তা নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,ঈদগাঁও পশ্চিম ভাদীতলার আবদুল হামিদের স্ত্রী আনচারু বেগম (৩৫) বর্তমানে ৬সন্তানের জননী। গত ১০/১২দিন আগে বাড়ীর পার্শ্বস্থ দোকানে গেলে একটি কুকুর তাকে কামড় দেয়। কুকুরটি দোকানমালিক আবদুর। কুকুরের কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা তাকে বাপের বাড়ীতে নিয়ে যায়। তার বাপের বাড়ী ও একই গ্রামে। পরে আনচারুর মা গোলজার বেগম তাকে জোয়ারিয়ানালার এক মহিলার কাছ থেকে চিকিৎসা করায়। ঘটনাটি স্থানীয় চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরীকে অবহিত করা হয়। এদিকে ঘটনার ১০দিনের মাথায় তথা ২৫ জুলাই সকাল ১০টা থেকে ১১ টার মধ্যে সে পর পর ৭টি কুকুরের বাঁচ্চা প্রসব করে বলে জানায়। প্রসবকৃত কুকুর গুলো একটি পাত্রে ভরে ঐদিনই চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরীর কাছে নেয়া হয় এবং তার কাছে কুকুর মালিকের বিরুদ্ধে নালিশ করা হলে তিনি কুকুর মালিককে কুকুরটি মেরে ফেলার নির্দেশ দেন। পরে মালিক কুকুরটি মেরে ফেলে। অন্যদিকে প্রসবকৃত কুকুরের বাচ্ছা গুলো ফেলে দেয়া হয়। প্রসবকৃত বাচ্চার মধ্যে ৫টির রং লাল এবং ২টির রং সাদা। প্রসব পরবর্তী মহিলাটিকে ঈদগাঁও বাজারের এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করানো হয়। ঘটনাটির ব্যাপারে এ প্রতিনিধি প্রসুতি আনচারুর সাথে তার স্বামীর মোবাইলে (০১৮৩১-৬০৪৩১৪) যোগাযোগ করলে তিনি উপরোক্ত ঘটনা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে তার স্বামী আবদুল হামিদের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার ব্যাপারে উল্টাপাল্টা কথাবার্তা বলেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,অনুরূপ ঘটনা ইতোপূর্বে আরো ঘটেছে। অন্যসূত্রে জানিয়েছে কুকুর মালিককে সামাজিক ভাবে চরম বেকায়দায় ফেলার জন্য এবং তার কাছ থেকে মোটা অংকের জরিমানা আদায়ের জন্য হয়তো এভাবে মিথ্যা প্রসব ঘটনাটি সাজানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত কুকুর মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন