উখিয়া নিউজ প্রতিবেদক
উখিয়ার কুতুপালং এলাকার দীর্ঘ ১৩ বছর আগে ডাকাতের গুলিতে খুন হওয়া আলী চাঁনের পরিবার বর্তমানে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে ।নিহত আলী চানের স্ত্রী দিলোওয়ারা (৫০) খুব দুঃখে কষ্টে খেয়ে না খেয়ে কোন ও রকমে বেঁচে আছে। অথচ দিলোওয়ারার পরিবারের অসহায়ত্বের কথা শুনার কেউ নেই। তার অভাব গোচানোর জন্য এ পর্যন্ত কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্টান এগিয়ে আসেনি।কিন্তু আলী চাঁন পুলিশকে ডাকাত প্রতিরোধে সহযোগিতা করতে গিয়ে ১৯৯৮ সালে ৪ফেব্রুয়ারী ডাকাতের গুলিতে নিহত হয়। তার এই বীরত্বের পুরস্কার দিতে আজ কেউ নেই।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে ৪ ফেব্রেুয়ারী কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত ইউনুসকে ধরতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায় । এ সময় থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে গিয়ে ডাকাতের গুলিতে অকালে প্রাণ দিতে এগিয়ে যায় নিহত আলী চাঁন।
ওই সময় পুলিশ –ডাকাত যখন বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয় তখন আলী চাঁন ইউনুচ ডাকাত ধরতে এগিয়ে গেলে ডাকাতের এলোপাতাড়ি গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এদিকে উখিয়া নিউজ ডট কমের চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক চৌধুরী জানান, আলী চাঁন নিজের প্রাণের বিনিময়ে হাজারো জনতা স্ব¯িতর নিঃশ্বাস ফেলেছে। তার এই বীরত্বের কাহিনি এখনো মাঝে মধ্যে পীড়া দেয়।কিন্তু আলী চাঁন ডাকাতের গুলিতে নিহত হলে ও পুলিশ ডাকাত ইউনুচ ধরতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। ঘটনার ১ বছর পর ১৯৯৯ সালে জুলাই মাসের শেষের দিকে ডাকাত ইউনুচ বাহিনীর হাতে নির্যাযিত এলাকা বাসী প্রতিরোধ করতে গিয়ে এক পর্যায়ে শত শত রাউন্ড গুলি বিনিময়ের পর জনতার গন পিঠুনিতে ডাকাত সরর্দার ইউনুচ ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায়। ডাঃ মজিদ জানান, আলী চাঁনের প্রতিশোধ নিতে ১ বছর পর ডাকাত ইউনুচকে গন ধোলাই দিয়ে জনতা মেরে ফেলে।
আলী চাঁনের বিধবা স্ত্রী দিলোওয়ারা বলেন, তার স্বামী এলাকার চোর, ডাকাত,ও সন্ত্রাসিদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে বীরের মত জীবন দিয়েছে ।এতে সে খুব গর্ববোধ করেন ।তবে তার মনে একটা দুঃখ, স্বামী জীবন দিলে ও পুলিশের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কেউ কোন খোঁজ খবর রাখেনি। জেরা পুলিশ সুপার সেলিম মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের নিকট এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিহত আলী চাঁনের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ পুলিশ প্রসাশনে সাহায্যের জন্য আসেনি। কেউ আসলে উধ্বতনের নিকট আলোচনা করে আলী চাঁনের সাহসীকতার পুরস্কার দেওয়ার চেষ্টা করব।
ক্যাপশন: নিহত আলী চাঁনের স্ত্রী দিলোওয়ারা
উখিয়ার কুতুপালং এলাকার দীর্ঘ ১৩ বছর আগে ডাকাতের গুলিতে খুন হওয়া আলী চাঁনের পরিবার বর্তমানে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে ।নিহত আলী চানের স্ত্রী দিলোওয়ারা (৫০) খুব দুঃখে কষ্টে খেয়ে না খেয়ে কোন ও রকমে বেঁচে আছে। অথচ দিলোওয়ারার পরিবারের অসহায়ত্বের কথা শুনার কেউ নেই। তার অভাব গোচানোর জন্য এ পর্যন্ত কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্টান এগিয়ে আসেনি।কিন্তু আলী চাঁন পুলিশকে ডাকাত প্রতিরোধে সহযোগিতা করতে গিয়ে ১৯৯৮ সালে ৪ফেব্রুয়ারী ডাকাতের গুলিতে নিহত হয়। তার এই বীরত্বের পুরস্কার দিতে আজ কেউ নেই।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে ৪ ফেব্রেুয়ারী কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত ইউনুসকে ধরতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায় । এ সময় থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে গিয়ে ডাকাতের গুলিতে অকালে প্রাণ দিতে এগিয়ে যায় নিহত আলী চাঁন।
ওই সময় পুলিশ –ডাকাত যখন বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয় তখন আলী চাঁন ইউনুচ ডাকাত ধরতে এগিয়ে গেলে ডাকাতের এলোপাতাড়ি গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এদিকে উখিয়া নিউজ ডট কমের চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক চৌধুরী জানান, আলী চাঁন নিজের প্রাণের বিনিময়ে হাজারো জনতা স্ব¯িতর নিঃশ্বাস ফেলেছে। তার এই বীরত্বের কাহিনি এখনো মাঝে মধ্যে পীড়া দেয়।কিন্তু আলী চাঁন ডাকাতের গুলিতে নিহত হলে ও পুলিশ ডাকাত ইউনুচ ধরতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। ঘটনার ১ বছর পর ১৯৯৯ সালে জুলাই মাসের শেষের দিকে ডাকাত ইউনুচ বাহিনীর হাতে নির্যাযিত এলাকা বাসী প্রতিরোধ করতে গিয়ে এক পর্যায়ে শত শত রাউন্ড গুলি বিনিময়ের পর জনতার গন পিঠুনিতে ডাকাত সরর্দার ইউনুচ ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায়। ডাঃ মজিদ জানান, আলী চাঁনের প্রতিশোধ নিতে ১ বছর পর ডাকাত ইউনুচকে গন ধোলাই দিয়ে জনতা মেরে ফেলে।
আলী চাঁনের বিধবা স্ত্রী দিলোওয়ারা বলেন, তার স্বামী এলাকার চোর, ডাকাত,ও সন্ত্রাসিদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে বীরের মত জীবন দিয়েছে ।এতে সে খুব গর্ববোধ করেন ।তবে তার মনে একটা দুঃখ, স্বামী জীবন দিলে ও পুলিশের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কেউ কোন খোঁজ খবর রাখেনি। জেরা পুলিশ সুপার সেলিম মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের নিকট এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিহত আলী চাঁনের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ পুলিশ প্রসাশনে সাহায্যের জন্য আসেনি। কেউ আসলে উধ্বতনের নিকট আলোচনা করে আলী চাঁনের সাহসীকতার পুরস্কার দেওয়ার চেষ্টা করব।
ক্যাপশন: নিহত আলী চাঁনের স্ত্রী দিলোওয়ারা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন