শরিফ আজাদ, উখিয়া
উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন ষ্টেশনে চায়ের দোকান ও পর্দার আড়ালে গড়ে উঠা মিনি সিনেমা হল গুলো এখনো বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ পত্রে সংবাদ প্রকাশের পরও উখিয়া থানা পুলিশ প্রশাসন রহস্যজনক ভূমিকা পালন করছে। উপজেলার সচেতন মহল অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে নিরবতা পালন করছে। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার কিছু অসাধু ব্যক্তিরা দলীয় ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে প্রতিটি ষ্টেশনের চায়ের দোকান সহ পর্দার আড়ালে মিনি সিনেমা হল গড়ে তুলে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দিনে বিভিন্ন ধরনের হিন্দি ছবি চালালেও রাতে নীল ছবি সহ মদ জোয়ার আসর জমায়। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র সহ এলাকার উঠতি বয়সের যুবকরা প্রতিনিয়ত সিনেমা হলের দিকে ধাবিত হয়ে ছাত্রদের পড়ালেখা ব্যাঘাত ঘটছে। পাশাপাশি জুয়া ও মদে আসক্ত হয়ে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে পা বাড়াচ্ছে। ফলে সমাজের ছাত্র ও যুব সমাজ জুয়া, ইভটিজিং, মাদকাসক্ত হয়ে নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সচেতন মহলের অভিমত, উপজেলার এসব মিনি সিনেমা হল গুলোতে এলাকার এক শ্রেণীর নেশাগ্রস্থ যুবক সারাদিন পড়ে থাকে। স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজের ছাত্ররা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সিনেমা হলগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে। এতে এলাকায় অভিভাবক মহল তাদের ছেলেদের ভবিষৎ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে বলে একাধিক অভিভাবক জানান। বিশেষ করে ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কোটবাজার, উখিয়া সদর ষ্টেশন, মরিচ্যা বাজার, সোনার পাড়া বাজার, পালংখালী বাজার, থাইংখালীবাজার, বালুখালী বাজার, কুতুপালং বাজার, ভালুকিয়া বাজার, পাতাবাড়ী বাজার, ধুরুমখালীর বউ বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণীর নেশা গ্রস্থ' চিহ্নিত ব্যক্তিরা এসব মিনি সিনেমা হল পরিচালনা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐসব চিহ্নিত ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে মোটা অংকের উৎকোচের মাধ্যমে ম্যানেজ করে এসব অবৈধ ব্যবসা (সিনেমা হল) পরিচালনা করে আসছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অবৈধ ভাবে মিনি সিনেমা হল গড়ে উঠলেও প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই। প্রশাসনের এ খাম-খেয়ালিপনার কারনে বিপদগামী হচ্ছে এলাকার যুব সমাজ ও ছাত্র সমাজ । যার ফলে বাড়ছে ছিনতাই, রাহাজানি, চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং সহ নানান ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড। যার ফলে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব দোকানগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করে বাড়িতে ফিরে আসে। অনেক সময় মাদকাসক্ত হয়ে রাতের বেলায় ছাত্ররা এসব দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটায়। অনেক সময় দেখা গেছে টাকা কারণে তাদের মা বাবার সাথে ঝগড়া বিবাদে লেগে থাকে। ফলে পরিবার ও সমাজের অশান্তির বাতাস বয়ে থাকে। এভাবে যদি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ কর্মকান্ড চলে তাহলে অচিরই যুব সমাজ ও ছাত্রসমাজ ধ্বংসের অতলতলে ডুবে যাবে। তাই ভবিষ্যত প্রজন্ম ও যুবসমাজকে বাচাঁতে হলে জুয়া, গাজা, মাদক, ইভটিজিং সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি রাখতে হবে। অভিভাবক মহলের অভিমত, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন যদি এসব অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয় অচিরই বন্ধ হবে মিনি সিনেমা হল সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
এ ব্যাপার উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, চায়ের দোকানের নাম ব্যবহার করে এসব অবৈধ মিনি সিনেমা হল সহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। শীগ্রই এ অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।
উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন ষ্টেশনে চায়ের দোকান ও পর্দার আড়ালে গড়ে উঠা মিনি সিনেমা হল গুলো এখনো বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ পত্রে সংবাদ প্রকাশের পরও উখিয়া থানা পুলিশ প্রশাসন রহস্যজনক ভূমিকা পালন করছে। উপজেলার সচেতন মহল অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে নিরবতা পালন করছে। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার কিছু অসাধু ব্যক্তিরা দলীয় ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে প্রতিটি ষ্টেশনের চায়ের দোকান সহ পর্দার আড়ালে মিনি সিনেমা হল গড়ে তুলে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দিনে বিভিন্ন ধরনের হিন্দি ছবি চালালেও রাতে নীল ছবি সহ মদ জোয়ার আসর জমায়। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র সহ এলাকার উঠতি বয়সের যুবকরা প্রতিনিয়ত সিনেমা হলের দিকে ধাবিত হয়ে ছাত্রদের পড়ালেখা ব্যাঘাত ঘটছে। পাশাপাশি জুয়া ও মদে আসক্ত হয়ে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে পা বাড়াচ্ছে। ফলে সমাজের ছাত্র ও যুব সমাজ জুয়া, ইভটিজিং, মাদকাসক্ত হয়ে নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সচেতন মহলের অভিমত, উপজেলার এসব মিনি সিনেমা হল গুলোতে এলাকার এক শ্রেণীর নেশাগ্রস্থ যুবক সারাদিন পড়ে থাকে। স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজের ছাত্ররা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সিনেমা হলগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে। এতে এলাকায় অভিভাবক মহল তাদের ছেলেদের ভবিষৎ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে বলে একাধিক অভিভাবক জানান। বিশেষ করে ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কোটবাজার, উখিয়া সদর ষ্টেশন, মরিচ্যা বাজার, সোনার পাড়া বাজার, পালংখালী বাজার, থাইংখালীবাজার, বালুখালী বাজার, কুতুপালং বাজার, ভালুকিয়া বাজার, পাতাবাড়ী বাজার, ধুরুমখালীর বউ বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণীর নেশা গ্রস্থ' চিহ্নিত ব্যক্তিরা এসব মিনি সিনেমা হল পরিচালনা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐসব চিহ্নিত ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে মোটা অংকের উৎকোচের মাধ্যমে ম্যানেজ করে এসব অবৈধ ব্যবসা (সিনেমা হল) পরিচালনা করে আসছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অবৈধ ভাবে মিনি সিনেমা হল গড়ে উঠলেও প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই। প্রশাসনের এ খাম-খেয়ালিপনার কারনে বিপদগামী হচ্ছে এলাকার যুব সমাজ ও ছাত্র সমাজ । যার ফলে বাড়ছে ছিনতাই, রাহাজানি, চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং সহ নানান ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড। যার ফলে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব দোকানগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করে বাড়িতে ফিরে আসে। অনেক সময় মাদকাসক্ত হয়ে রাতের বেলায় ছাত্ররা এসব দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটায়। অনেক সময় দেখা গেছে টাকা কারণে তাদের মা বাবার সাথে ঝগড়া বিবাদে লেগে থাকে। ফলে পরিবার ও সমাজের অশান্তির বাতাস বয়ে থাকে। এভাবে যদি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ কর্মকান্ড চলে তাহলে অচিরই যুব সমাজ ও ছাত্রসমাজ ধ্বংসের অতলতলে ডুবে যাবে। তাই ভবিষ্যত প্রজন্ম ও যুবসমাজকে বাচাঁতে হলে জুয়া, গাজা, মাদক, ইভটিজিং সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি রাখতে হবে। অভিভাবক মহলের অভিমত, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন যদি এসব অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয় অচিরই বন্ধ হবে মিনি সিনেমা হল সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
এ ব্যাপার উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, চায়ের দোকানের নাম ব্যবহার করে এসব অবৈধ মিনি সিনেমা হল সহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। শীগ্রই এ অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন