সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

চকরিয়া ট্যাকনিক্যাল কলেজ

সাইফুল ইসলাম
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু কোন শিক্ষা? যে শিক্ষা বেকার সৃষ্টি করে তা? যে শিক্ষা শিক্ষিত চুর বানায় তা? যে শিক্ষা পরনির্ভরশীল হতে বাধ্য করে তা? না। জাতির মেরুদন্ড হতে পারে একমাত্র কর্মমূখী নৈতিক শিক্ষা। এ রকম শিক্ষার জন্যই বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে চকরিয়া ট্যাকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। আগামী বছর ২০১২ সালের জানুয়ারী থেকে ৯ম শ্রেণীতে এবং জুলাই’১২ থেকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি শুরু করার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা হয়।
এ কলেজে প্রথম বছর এসএসসি ও এইচএসসি চালুর পর নতুন নতুন প্রয়োজনীয় বিষয়ে ডিপ্লোমা চালু হবে ইনশাআল্লাহ। এখানে যে কেউ ভর্তি হতে পারবে, তবে ভর্তি হওয়ার আগেই জীবনের টার্গেট নির্ধারণ করে নিতে হবে।

চকরিয়া অনেক বিশাল এলাকা এবং আরো বিশাল এলাকার মধ্যখানে অবস্থিত। চকরিয়ায় শিক্ষিতের হার বেশি। সবধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকা সত্তেও এখানে কোন ট্যাকনিক্যাল প্রতিষ্ঠান নেই। তাই চকরিয়া ট্যাকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা সময়ের অপরিহার্য গণদবীতে পরিণত হয়। যেহেতু এ পর্যন্ত কেউ এর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে শুনিনি, তাই আমাকেই তা করার উদ্যোগ নিতে হল। তাছাড়া আমি যেহেতু চকরিয়ার নাতি ও চকরিয়ার জামাই, তাই একদিকে চকরিয়ার প্রতি আমার দায়িত্ব ও আগ্রহ বেশি, অন্যদিকে আমি স্থানীয় রাজনীতির উর্ধে হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সবার আন্তরিক সহযোগিতা পাচ্ছি। সবার এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আশা করি আগামীতে আরো বড় কিছু করা যাবে ইনশাআল্লাহ।

বাণিজ্যিক চিন্তা নিয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান করা ভাল, কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা উচিত নয়, তাতে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই কোন বিনিয়োগ বা শেয়ার সিষ্টেমে এ প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছেনা। বরং সময়, শ্রম, অর্থ, মেধা ইত্যাদি যার পক্ষে যা দেয়া সম্ভব তার কাছ থেকে তা নিয়েই একে একটি গণমূখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কোন ভাবে সৃষ্টি করে সরকারের উপর বুঝা চাপিয়ে দেয়ার বা এমপিওভুক্ত করে শিক্ষকদেরকে অলস বানিয়ে দেয়ার কোন ইচ্ছা এখানে নেই। বরং একে স্বনির্ভর করার জন্য “লাভ নয়-লস নয়” ভিত্তিতে যৌক্তিক হারে ছাত্র ফি নিয়ে এ প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে ইনশাআল্লাহ।

নতুন শিক্ষানীতিতে যেহেতু শিক্ষার স্থর মোট তিনটি, তাই ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক স্থরের পরেই ৯ম শ্রেণী হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক স্থর, যা কলেজ নামে পরিচিত। এর পর উচ্চস্থর বা বিশ্ববিদ্যালয়। এসএসসির পর কারীগরী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে যারা চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করে তাদেরকে প্রথম দু’বছর পর এইচএসসি, আরো দু’বছর পর ডিপ্লোমা এবং আরো দু’বছর পর যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঐ বিষয়ে অনার্স সমাপ্ত করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া আবাশ্যক এবং নৈতিকতার জন্য ধর্মশিক্ষা বাধ্যতামূলক করা উচিত। আগামী যুগ হচ্ছে কারিগরী শিক্ষার যুগ। তাই কারিগরী শিক্ষা দিয়ে প্রত্যেককে বিশ্বের কর্ম উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

চকরিয়া ট্যাকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠায় যারা সহযোগিতা করতে চান বা শিক্ষকতা করতে চান বা ভর্তি হতে চান তাদেরকে প্রাথমিক ভাবে ০১৮১৯ ৮৩৩২৩৫ এ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

লেখক-আহবায়কঃ চকরিয়া ট্যাকনিক্যাল কলেজ। প্রতিষ্ঠাতা ও লেকচারারঃ দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়, ককসবাজার ক্যাম্পাস, ০১১৯১ ০৩৯৮৩৩। ই-মেইলঃ

কোন মন্তব্য নেই: