পিটিবি নিউজ ডটকম,কক্সবাজার : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝাউগাছ এখন বিপন্ন হতে চলছে। এক দিকে সংঘবদ্ধ চক্রের ঝাউগাছ নিধন, অপরদিকে সাগরের করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে যাচ্ছে উপকূল রক্ষাকারী এ ঝাউবীথি। প্রতিদিনই জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে পড়ছে এসব ঝাউগাছ। আর ভেঙ্গে যাওয়ার অজুহাতে
কাটা হচ্ছে নতুন গাছ। সৈকত সংলগ্ন বসবাসকারী রোহিঙ্গারা এসব গাছ কেটে মজুদ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, সমুদ্র সৈকতের মাদ্রাসা পয়েন্ট থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে পড়ছে সমুদ্র সংলগ্ন ঝাউগাছগুলো। আর এসব ঝাউগাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী লোকজন। একই সঙ্গে নাজিরারটেক, সমিতি পাড়া সংলগ্ন ঝাউবীথির মধ্যে অন্যান্য গাছো কেটে ফেলা হচ্ছে। এসব ঝাউগাছ কেটে ঘরবাড়ি তৈরির করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করার পাশাপাশি বিক্রি করা হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে যাওয়া গাছের পাশাপাশি প্রতিদিনই ১০/১২ টা করে ঝাউগাছ কেটে ফেলছে । আর এসব ঝাউগাছ কেটে ঘরবাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে বেশি। ঝাউবাগানের ভেতরে তৈরী হওয়া বস্তির প্রতিটি ঘরে ঝাউগাছের ব্যবহার রয়েছে। আর সংঘবদ্ধ চক্র এসব গাছ কেটে বিক্রি করছে।
শনিবার বিকালে ডায়বেটিস পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ১০/১২ জন লোক ঠেলা গাড়ি নিয়ে জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে পড়া ঝাউগাছ কেটে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ঝুপড়িতে জমা করা হচ্ছে। ৪/৫টি ঝুপড়ির সামনে প্রায় একশ’ মতো ঝাউগাছ কেটে ফেলে রাখতে দেখা গেছে। এছাড়াও লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এ ঝাউগাছ।
ঝাউগাছ কেটে ঝুপড়িতে রাখার ব্যাপারে দায়িত্বরত দক্ষিণ বনবিভাগের এফজি আবুল কালাম আজাদ বলেন, জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে পড়া এসব ঝাউগাছ কেটে এখানে রাখা হচ্ছে। পরে তা বনবিভাগের অধিনে নিলাম দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন