মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও:
দুদিনের অবিরাম বর্ষণ ও ঈদগাঁও নদীর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে কক্সবাজারের বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। শত শত পরিবারের লোকজন পানি বন্দি জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। অবিরাম বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জনদূর্ভোগ ও ভোগান্তি আরো বৃদ্ধি পাবার
আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, গত দু‘দিন যাবৎ বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় টানা বৃষ্টিপাত হতে থাকে । এর পাশাপাশি ঈদগাঁও-ঈদগড় নদীর উজান থেকে প্রবল পাহাড়ী ঢলের পানি ঈদগাহ্ নদী বেয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঢুকে পড়ে। এতে করে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্টানের মধ্যে রয়েছে ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাঁও্ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঈদগাঁও বাজারের ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র , প্রাণী সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র, ঈদগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ঈদগাঁও কৃষি কেন্দ্র প্রভৃতি। এদিকে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ঈদগাঁও মাছুয়াখালীর দু‘টি সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচিছন্ন হয়ে গেছে। বাজারের বৃহত্তর ঈদগাঁও সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালিবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গণ পানিতে সয়লাব হয়ে উঠেছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ঈদগাঁও- ঈদগড় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট যথা পশ্চিম গজালিয়া, পাল পাড়া ও কানিয়াছড়ার অংশ দিয়ে নদীর পানি ডুকে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এদিকে মৎস্য সম্পদ সমৃদ্ধ এলাকা তথা পোকখালী, গোমাতলী, চৌফলদন্ডী ও ইসলামপুরের বিভিন্ন মৎস্য ঘেরে সাগর ও বৃষ্টির পানি ডুকে মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া শিল্প নগরী ইসলামপুরে কয়েকটি সল্ট ক্রাসিং ফ্যাক্টরিতে পানি ডুকে লবণ উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে। প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে বিস্তীর্ণ এলাকার বহু ফসলী জমি ও বীজতলা পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। অন্য দিকে পোকখালী, গোমাতলী, ইসলামপুর, চৌফলদন্ডী, ভারুয়াখালী, কালিরছড়া ও মাছুয়াখালীতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মিত কয়েকটি স্লোইচ গেট দিয়ে পানি ডুকায় মৎস্য চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গোমাতলির মৎস্য ঘেরগুলো পানিতে একাকার হয়ে উঠেছে। ঈদগাঁওর জাগির পাড়া, উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্যম মাইজ পাড়া, কালিরছড়া, মাছুয়াখালী, ভুতিয়ার পাড়া, পাল পাড়া, মন্ডল পাড়া, কানিয়াছড়া, দরগাহ পাড়া, কোলাল পাড়া, গরুর হালদা, শিয়া পাড়া সহ প্রত্যন্ত এলাকার গ্রাম গুলো এখন পানিতে সয়লাব। এদিকে বিস্তীর্ণ এলাকার বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্টান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও স্থানীয় কোন জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ যাবৎ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেননি।
আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, গত দু‘দিন যাবৎ বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় টানা বৃষ্টিপাত হতে থাকে । এর পাশাপাশি ঈদগাঁও-ঈদগড় নদীর উজান থেকে প্রবল পাহাড়ী ঢলের পানি ঈদগাহ্ নদী বেয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঢুকে পড়ে। এতে করে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্টানের মধ্যে রয়েছে ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাঁও্ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঈদগাঁও বাজারের ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র , প্রাণী সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র, ঈদগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ঈদগাঁও কৃষি কেন্দ্র প্রভৃতি। এদিকে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ঈদগাঁও মাছুয়াখালীর দু‘টি সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচিছন্ন হয়ে গেছে। বাজারের বৃহত্তর ঈদগাঁও সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালিবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গণ পানিতে সয়লাব হয়ে উঠেছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ঈদগাঁও- ঈদগড় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট যথা পশ্চিম গজালিয়া, পাল পাড়া ও কানিয়াছড়ার অংশ দিয়ে নদীর পানি ডুকে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এদিকে মৎস্য সম্পদ সমৃদ্ধ এলাকা তথা পোকখালী, গোমাতলী, চৌফলদন্ডী ও ইসলামপুরের বিভিন্ন মৎস্য ঘেরে সাগর ও বৃষ্টির পানি ডুকে মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া শিল্প নগরী ইসলামপুরে কয়েকটি সল্ট ক্রাসিং ফ্যাক্টরিতে পানি ডুকে লবণ উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে। প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে বিস্তীর্ণ এলাকার বহু ফসলী জমি ও বীজতলা পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। অন্য দিকে পোকখালী, গোমাতলী, ইসলামপুর, চৌফলদন্ডী, ভারুয়াখালী, কালিরছড়া ও মাছুয়াখালীতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মিত কয়েকটি স্লোইচ গেট দিয়ে পানি ডুকায় মৎস্য চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গোমাতলির মৎস্য ঘেরগুলো পানিতে একাকার হয়ে উঠেছে। ঈদগাঁওর জাগির পাড়া, উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্যম মাইজ পাড়া, কালিরছড়া, মাছুয়াখালী, ভুতিয়ার পাড়া, পাল পাড়া, মন্ডল পাড়া, কানিয়াছড়া, দরগাহ পাড়া, কোলাল পাড়া, গরুর হালদা, শিয়া পাড়া সহ প্রত্যন্ত এলাকার গ্রাম গুলো এখন পানিতে সয়লাব। এদিকে বিস্তীর্ণ এলাকার বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্টান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও স্থানীয় কোন জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ যাবৎ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেননি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন