ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী: উখিয়া নিউজ
কক্রাবাজারের উখিয়া উপজেলা জুড়ে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কেটে ফসলী জমি তৈরী, অপরিকল্পিত বসত ঘর নির্মাণ,ভূমিদস্যু কর্তৃক জায়গা দখল-বেচা বিক্রি, নানা ভাবে প্রভাবশালী ভুমিগ্রাসীদের অত্যাচারে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চির সবুজ বনভূমি। অচিরই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগামী শতকেই এই উপজেলায় বনভুমির অস্বিত্ব থাকবে কিনা সংশয় দেখা দেওয়ার উপক্রম হয়েছে। উখিয়া বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার দুটি রেঞ্জ ১৩ টি বিটের আওতাধীন ৩৪ হাজার ৪শত ৫০ একর বনভুমি রয়েছে। আশির দশকের দিকে এসব সংরক্ষিত বনভুমিতে জাম, গর্জন, সেগুন, গামারি, চাপালিশ, সাথিয়ন, অর্জুন, জামরুল, কড়ই, বইল-আম, চান্দোল সহ বিভিন্ন প্রজাতির হরেক রকম গাছের সমারোহে ভরপর ছিল এতদ অঞ্ছলের সবুজ বন ভুমি। অনুসন্ধানে জানাযায়,তৎসময়ে বনের বাঘ, ভাল্লুক, হাতি,হরিণ,বানর, নেকড়ে বাঘ, হনুমান, বনমোরগ, অজগর সাপ, সজারু, খরগোশ সহ হরেক রকম বন্য প্রার্ণী ও পাখিদের মিলনমেলা ছিল এই বনে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে এক সরকারী আদেশে লট প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় এসব বনাঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির লাখ লাখ টাকার গাছ কাটা হয়। উক্ত কর্তনকৃত কাঠ থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। ফলে ধীরে ধীরে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়। সম্প্রতি সময়ে হলদয়িা পালং ইউনয়িনরে হাতির ঘোনা এলাকায় স্বল্প মেয়াদী বাগান, জাম বাগান, রাজাপালং জাম বাগান, টাইপালং, টিএন্ডটি কলেজ সংলগ্ন, জালিয়া পালংয়ের ইনানী, নিদানিয়া, মাইজ্যাখলা, চাকঢালা, সমিতির ঘোনা সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারী সংরক্ষিত বনবাগানে মূল্যবান কাঠ কেটে পাচার করা হয়।এ ছাড়া ও অবৈধ দখল প্রবনতা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বনবিভাগের জমি প্রায় ভ’মি গ্রাসীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এক শ্রেণীর ভুমি দস্যু অবৈধভাবে জায়গা দখলের পর তা অন্যজনের নিকট বিক্রি করে দিচ্ছে।এভাবে বনবিভাগের জায়গা নিয়ে দালালেরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়া অবৈধ দখলদাররা প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে সমতল ভমি তৈরি,বসত বাড়ি নির্মান ও মাটি বিক্রির কাজটি ওইসব ভুমিদস্যুরা চালিয়ে যাচ্ছে। সংরক্ষিত বন আইনের কোন কার্যকরিতা না থাকায় অবৈধ দখলদার ও কাঠ পাচারকারীরা নির্বিচারে বনভুমি সাবাড় ও পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এক শ্রেণীর অসাধু ও ঘুষখোর বন কর্মকর্তারা ভুমিদস্যু ও কাঠ পাচারকারির নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নেয়ার কারনে এসব ভুমিদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে উখিয়ার চির সবুজ বনভুমি বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন পরিবেশ প্রেমীরা। কক্্রবাজার দক্ষিণ সহকারী বন সংরক্ষক কাজল তালুকদার জানান, পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কোন অভিযোগের ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কক্রাবাজারের উখিয়া উপজেলা জুড়ে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কেটে ফসলী জমি তৈরী, অপরিকল্পিত বসত ঘর নির্মাণ,ভূমিদস্যু কর্তৃক জায়গা দখল-বেচা বিক্রি, নানা ভাবে প্রভাবশালী ভুমিগ্রাসীদের অত্যাচারে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চির সবুজ বনভূমি। অচিরই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগামী শতকেই এই উপজেলায় বনভুমির অস্বিত্ব থাকবে কিনা সংশয় দেখা দেওয়ার উপক্রম হয়েছে। উখিয়া বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার দুটি রেঞ্জ ১৩ টি বিটের আওতাধীন ৩৪ হাজার ৪শত ৫০ একর বনভুমি রয়েছে। আশির দশকের দিকে এসব সংরক্ষিত বনভুমিতে জাম, গর্জন, সেগুন, গামারি, চাপালিশ, সাথিয়ন, অর্জুন, জামরুল, কড়ই, বইল-আম, চান্দোল সহ বিভিন্ন প্রজাতির হরেক রকম গাছের সমারোহে ভরপর ছিল এতদ অঞ্ছলের সবুজ বন ভুমি। অনুসন্ধানে জানাযায়,তৎসময়ে বনের বাঘ, ভাল্লুক, হাতি,হরিণ,বানর, নেকড়ে বাঘ, হনুমান, বনমোরগ, অজগর সাপ, সজারু, খরগোশ সহ হরেক রকম বন্য প্রার্ণী ও পাখিদের মিলনমেলা ছিল এই বনে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে এক সরকারী আদেশে লট প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় এসব বনাঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির লাখ লাখ টাকার গাছ কাটা হয়। উক্ত কর্তনকৃত কাঠ থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। ফলে ধীরে ধীরে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়। সম্প্রতি সময়ে হলদয়িা পালং ইউনয়িনরে হাতির ঘোনা এলাকায় স্বল্প মেয়াদী বাগান, জাম বাগান, রাজাপালং জাম বাগান, টাইপালং, টিএন্ডটি কলেজ সংলগ্ন, জালিয়া পালংয়ের ইনানী, নিদানিয়া, মাইজ্যাখলা, চাকঢালা, সমিতির ঘোনা সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারী সংরক্ষিত বনবাগানে মূল্যবান কাঠ কেটে পাচার করা হয়।এ ছাড়া ও অবৈধ দখল প্রবনতা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বনবিভাগের জমি প্রায় ভ’মি গ্রাসীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এক শ্রেণীর ভুমি দস্যু অবৈধভাবে জায়গা দখলের পর তা অন্যজনের নিকট বিক্রি করে দিচ্ছে।এভাবে বনবিভাগের জায়গা নিয়ে দালালেরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়া অবৈধ দখলদাররা প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে সমতল ভমি তৈরি,বসত বাড়ি নির্মান ও মাটি বিক্রির কাজটি ওইসব ভুমিদস্যুরা চালিয়ে যাচ্ছে। সংরক্ষিত বন আইনের কোন কার্যকরিতা না থাকায় অবৈধ দখলদার ও কাঠ পাচারকারীরা নির্বিচারে বনভুমি সাবাড় ও পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এক শ্রেণীর অসাধু ও ঘুষখোর বন কর্মকর্তারা ভুমিদস্যু ও কাঠ পাচারকারির নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নেয়ার কারনে এসব ভুমিদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে উখিয়ার চির সবুজ বনভুমি বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন পরিবেশ প্রেমীরা। কক্্রবাজার দক্ষিণ সহকারী বন সংরক্ষক কাজল তালুকদার জানান, পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কোন অভিযোগের ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন