সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

সরকারী তদারকি নেই, কয়েকদিন পর রমজান শুরু,উখিয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপন্যের দাম বেড়েই চলছে

সরওয়ার আলম শাহীন, উখিয়া,
সরকারিভাবে কোনো তদারকি না থাকায় উখিয়া উপজেলায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দফায় দফায় বাড়িয়ে দিচ্ছে। সকাল ৮টায় যে পণ্যের দাম ২০ টাকা এক ঘণ্টা পর তা বাড়িয়ে ২৫ থেকে ২৮ বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই পণ্যের বাজারে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যে যেভাবে পারছে মুনাফা লুটে নিচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। আর মাত্র দু একদিন পর মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান শুরু হচ্ছে। কিন্তু যেভাবে নিত্য পন্যের দাম বাড়ছে তাতে রমজান মাসে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো কিভাবে তাদের নির্ধারিত বাজেট দিয়ে রমজান মাস পার কররেন তা নিয়ে চিন্তার রেখা ফুটে উঠেছে তাদের কপালে। প্রতিদিন যে যার মত করে পন্য সামগ্রী বিত্রি“ করলে ও এখনো উখিয়া কোন সরকারী তদারকি ছোখে না পড়ায় জনগনের মাঝে চিন্তার সাথে সাথে ক্ষোভ ও বিরাজ করছে।  উখিয়া সদর ও কোটবাজারের কতিপয় অসাধু পাইকারী ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার লোভে বেশিরভাগ পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে তা বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে আমাদের কাছে যে সব চিনি রয়েছে তা বেশি দামে কেনা। বেশি দামে চিনি কেনে এখন আমরা কম দামে কিভাবে বিক্রি করবো। সরকার নির্ধারিত দামে চিনি ও ভোজ্যতেল বিক্রি করতে হলে নতুন দামে মাল আসতে হবে। গতকাল বুধবার উখিয়া সদর ও কোটবাজারের কয়েকটি পাইকারী দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সরকার চিনির দর প্রতি কেজি ৬৫ টাকা নির্ধারণ করলেও উপজেলার সর্বত্রই ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা বিক্রি করছে। তাছাড়া ফ্রেশ প্যাকেট সয়াবিন তেল বর্তমানে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি করছে। প্রজাপতি ব্রান্ডের সরিষার তেল ১ লিটারের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। তাছাড়া খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে চাল পাইজাম ৪২ টাকা, বিআর ২৮ও ২৯ চাল ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, নাজিরশাইল ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা বিক্রি হচ্ছে, পেঁয়াজের কেজি ইন্ডিয়ান ২৮, দেশী পেঁয়াজ ৩২, চনার ৭০ থেকে টাকা, মসুরি ডাল ১১৫, মসুরি ইন্ডিয়ান ১০০, মুগডাল ৮০, খেসারি ৬০ টাকা, পটল ৩৫, টমেটো ৮০ টাকা,কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০, বেগুন ৪৫ থেকে ৫০, কড়লা ৪৫, শসা ৪০, ও আদা ১২০ টাকা কেজি হিসেবেবিক্রিহচ্ছে।
তাছাড়া, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৩০০ টাকা, গরুর মাংস ২৬০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা, দেশী মুরগি প্রতি কেজি ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ টাকা, ভালুকায় পাঙ্গাস মাছের প্রচুর চাষ হলেও বাজারে প্রতি কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। অন্য মাছের মধ্যে দেশী শিং প্রতি কেজি ৮০০, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বেশী দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী যাতে বিত্রি“ না হয় সেটা অচিরেই তদারকি করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই: