উখিয়া নিউজ
কক্সবাজার পৌরসভার বহুল আলোচিত ও আকাঙিক্ষত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৬ মাস পূর্তি হয়েছে গত ২৭ জুলাই। নয় বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিষদ নতুন উদ্যমে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ করবে- এই ছিল আকাঙিক্ষত। কিন্তু আইনি অস্ত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে জনরায়।
ফলে শপথ হচ্ছে না দীর্ঘ ছয় মাস ধরেও। নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এই ঘটনায় ব্যক্তি বিশেষের ভূমিকাকে দায়ী করে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, চলতি এবছরের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সরওয়ার কামাল মেয়র নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে মুজিবুর রহমান দ্বিতীয় এবং রাশেদুল ইসলাম তৃতীয় স্থান লাভ করেন। কাউন্সিলার পদে ১নং ওয়ার্ডে আকতার কামাল, ২নং ওয়ার্ডে মিজানুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে মাহবুবুর রহমান (পুনঃনির্বাচিত), ৪নং ওয়ার্ডে সিরাজুল হক (পুনঃনির্বাচিত), ৫নং ওয়ার্ডে সালামতউল্লাহ বাবুল, ৬নং ওয়ার্ডে ওমর ছিদ্দিক লালু, ৭নং ওয়ার্ডে আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামসেদ (পুনঃনির্বাচিত), ৮নং ওয়ার্ডে রাজবিহারী দাশ (পুনঃনির্বাচিত), ৯নং ওয়ার্ডে হেলালউদ্দিন কবীর, ১০ নং ওয়ার্ডে সাইফুদ্দিন খালেদ, ১১ নং ওয়ার্ডে রফিকুল ইসলাম (পুনঃনির্বাচিত), ১২ নং ওয়ার্ডে জিসানউদ্দিন জিসান এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলার পদে ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে হুমাইরা বেগম, ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে চম্পাউদ্দিন, ৭, ৮ ও ৯নং মনজুমন নাহার মনজু এবং ১০, ১১ ও ১২নং ওয়ার্ডে কোহিনূর ইসলাম নির্বাচিত হন। কিন্তু নির্বাচনের প্রায় ১৮২ দিন অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৬৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও জনরায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব নিতে পারেননি। এই নির্বাচনে পরাজিত পক্ষের কেউ কেউ প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে মামলা জালে ফেলে শপথ ঠেকিয়ে দেওয়ায় পৌরবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলার ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হেলাল কবির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা শপথ ঠেকিয়ে রাখছে মানুষ তাদের প্রতি দিন দিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছে। পৌরবাসীর ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে তার জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা দায়ী থাকবেন।
সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হুমাইরা বেগম বলেন, আমরা নির্বাচনের ৬ মাস পরেও চেয়ারে বসতে পারছিনা। অথচ আমরা নিজেদের ডিজিটাল বলে দাবি করছি।
পৌরসভার নতুন অংশ ২ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলার এই বিষয়ে হতাশা প্রকাশ ও আক্ষেপ করে বলেন, শপথ ৬ মাস ঠেকিয়ে রেখেও ওদের ক্ষোভ মিটল না!
কক্সবাজার পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সরওয়ার কামাল রাজনৈতিক কারণে কিছু ‘দুষ্ট’ লোক শপথ ঠেকিয়ে রেখেছে মন্তব্য করে অবিলম্বে শপথ না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকী দেন।
একাধিক নবনির্বাচিত কাউন্সিলার অভিযোগ করেছেন, পুরনো ও পরাজিত কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি লুটপাটের উদ্দেশ্যে শপথ ঠেকিয়ে রেখেছে।
উল্লেখ্য, বিগত বিএনপি সরকারের আমলে টেকনাফ পৌরসভায় আওয়ামীলীগ দলীয় আবদুর রহমান বদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে নানা কৌশলে শপথ অনুষ্ঠান প্রায় দেড় বছর ঠেকিয়ে রাখা হয়।
কক্সবাজার পৌরসভার বহুল আলোচিত ও আকাঙিক্ষত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৬ মাস পূর্তি হয়েছে গত ২৭ জুলাই। নয় বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিষদ নতুন উদ্যমে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ করবে- এই ছিল আকাঙিক্ষত। কিন্তু আইনি অস্ত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে জনরায়।
ফলে শপথ হচ্ছে না দীর্ঘ ছয় মাস ধরেও। নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এই ঘটনায় ব্যক্তি বিশেষের ভূমিকাকে দায়ী করে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, চলতি এবছরের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সরওয়ার কামাল মেয়র নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে মুজিবুর রহমান দ্বিতীয় এবং রাশেদুল ইসলাম তৃতীয় স্থান লাভ করেন। কাউন্সিলার পদে ১নং ওয়ার্ডে আকতার কামাল, ২নং ওয়ার্ডে মিজানুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে মাহবুবুর রহমান (পুনঃনির্বাচিত), ৪নং ওয়ার্ডে সিরাজুল হক (পুনঃনির্বাচিত), ৫নং ওয়ার্ডে সালামতউল্লাহ বাবুল, ৬নং ওয়ার্ডে ওমর ছিদ্দিক লালু, ৭নং ওয়ার্ডে আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামসেদ (পুনঃনির্বাচিত), ৮নং ওয়ার্ডে রাজবিহারী দাশ (পুনঃনির্বাচিত), ৯নং ওয়ার্ডে হেলালউদ্দিন কবীর, ১০ নং ওয়ার্ডে সাইফুদ্দিন খালেদ, ১১ নং ওয়ার্ডে রফিকুল ইসলাম (পুনঃনির্বাচিত), ১২ নং ওয়ার্ডে জিসানউদ্দিন জিসান এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলার পদে ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে হুমাইরা বেগম, ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে চম্পাউদ্দিন, ৭, ৮ ও ৯নং মনজুমন নাহার মনজু এবং ১০, ১১ ও ১২নং ওয়ার্ডে কোহিনূর ইসলাম নির্বাচিত হন। কিন্তু নির্বাচনের প্রায় ১৮২ দিন অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৬৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও জনরায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব নিতে পারেননি। এই নির্বাচনে পরাজিত পক্ষের কেউ কেউ প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে মামলা জালে ফেলে শপথ ঠেকিয়ে দেওয়ায় পৌরবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলার ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হেলাল কবির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা শপথ ঠেকিয়ে রাখছে মানুষ তাদের প্রতি দিন দিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছে। পৌরবাসীর ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে তার জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা দায়ী থাকবেন।
সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হুমাইরা বেগম বলেন, আমরা নির্বাচনের ৬ মাস পরেও চেয়ারে বসতে পারছিনা। অথচ আমরা নিজেদের ডিজিটাল বলে দাবি করছি।
পৌরসভার নতুন অংশ ২ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলার এই বিষয়ে হতাশা প্রকাশ ও আক্ষেপ করে বলেন, শপথ ৬ মাস ঠেকিয়ে রেখেও ওদের ক্ষোভ মিটল না!
কক্সবাজার পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সরওয়ার কামাল রাজনৈতিক কারণে কিছু ‘দুষ্ট’ লোক শপথ ঠেকিয়ে রেখেছে মন্তব্য করে অবিলম্বে শপথ না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকী দেন।
একাধিক নবনির্বাচিত কাউন্সিলার অভিযোগ করেছেন, পুরনো ও পরাজিত কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি লুটপাটের উদ্দেশ্যে শপথ ঠেকিয়ে রেখেছে।
উল্লেখ্য, বিগত বিএনপি সরকারের আমলে টেকনাফ পৌরসভায় আওয়ামীলীগ দলীয় আবদুর রহমান বদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে নানা কৌশলে শপথ অনুষ্ঠান প্রায় দেড় বছর ঠেকিয়ে রাখা হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন