আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী:
কক্সবাজারের উপকুলীয় দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে জোট সরকারের সময় ভূমিদস্যু কর্তৃক সরকারী সৃজিত ৬১০ একর প্যারাবন নিধন করে নির্মান করা অবৈধ চিংড়ি ঘের প্রশাসনের দফায় দফায় উচেছদ অভিযান পরিচালনা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিমানা করা ২২ লক্ষ টাকা পরিশোধ না করে ভূমিদস্যুরা আবারও বেপরোয়া হয়ে কিছু দিন পূর্ব থেকে উক্ত অবৈধ চিংড়ী ঘের পূনরায় নিমার্ন কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বন বিভাগের লোকজনের বাধা উপেক্ষা করে সোনাদিয়া দ্বীপের অঘোষিত
সম্রাট আবদুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বারের নেতৃত্বে ভূমিদস্যুরা উচ্ছেদ করা ১৩টি চিংড়ী ঘের পুনরায় নিমার্ন করেছে বলে জানা গেছে। ফলে ভূমিদস্যুদের কাছে বন বিভাগ অসহায়।প্রশাসন ব্যর্থ বলে মত প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। সুত্রে জানায়, সোনাদিয়া দ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকায় বনবিভাগের ১৪শ'একর সরকারী বনভূমির প্যারাবণ নিধণ করে। সব সময় সরকারী দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় একটি সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালীরা চক্র সোনাদিয়া ও মহেশখালীসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি ঘের তৈরী করতে ভূমিদস্যুরা নির্বিচারে সৃজিত প্যারাবন ধ্বংস করে ২১টি অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী করে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে এসব ভুমি দসু্যদের দখল থেকে বিতাড়িত করে ১৩টি চিংড়ি ঘের উচ্ছেদ করে ৮০০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করে বন বিভাগের আওতায় নিয়ে আসে। পরে সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে এখানকার অনেক ঘের পুর্নদখল করে নেয়। প্যারাবন নিধন করে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী বন্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হলেও ওসব তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে প্যারাবন ধ্বংস করে চলছিলো ভূমিগ্রাসীরা। এলাকার কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি তাতে পুনরায় চিংড়ি চাষ অব্যহত রাখে। এদিকে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর দেশের বহু প্রতিক্ষিত একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের জন্য চুড়ান্ত স্থান হিসাবে এই সোনাদিয়া দ্বীপ এলাকাটিকে নির্বাচন করা হলে এখানকার এই অবৈধ চিংড়ী ঘেরের বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় চলে আসে। সরকারের উপর মহলেও এনিয়ে বেশ আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। সমপ্রতি গভীর সমুদ্র বন্দর সংক্রান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এসব চিংড়ী ঘের উচ্ছেদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত হলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার চুড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহন করেন। অবশেষে এক পর্যায়ে গত ২০১০ সালের ৬ নভেম্বর জেলা প্রশাসন,র্যাব,বনবিভাগ,উপজেলা প্রশাসন পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃংখলা বাহিনী উপস্থিতিতে ২শ' শ্রমিক নিয়ে একটানা তিনদিন পর্যন্ত অবৈধ দখলদারদের চিংড়ীঘেরের বাধঁ কেটে দিয়ে ৫০ কোটি টাকা মুল্যর ৬১০ একর ভূমি উদ্ধার করে বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করে। অপর দিকে গত ২১ মার্চ পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী ও উপজেলা প্রশাসন,চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগ,র্যাব ও পুলিশ সহায়তায় সোনাদিয়া দ্বীপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের জবর দখল করে তৈরী করা ৩টি চিংড়ী ঘেরের বাঁধ কেটে দিয়ে প্যারাবন সৃজনের জন্য সমুদ্রের জলপ্রবাহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ওই অভিযানে স্থানীয় ৩ জন ভূমি দসু্যকে এ ঘটনার জন্য চিহ্নিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ২২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দন্ড আরোপ করা হয়। দন্ডিত ভূমিগ্রাসীরা হচ্ছে, মহেশখালী সোনাদিয়া দ্বীপের অঘোষিত দস্যু সম্রাট ভুমিদস্যু ও একাধিক মামলার পলাতক আসামী আব্দুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার, মোস্তফা কামাল এবং জাহাঙ্গীর আলম। তারা সবাই মহেশখালি দ্বীপের স্থায়ী বাসিন্দা। প্যারাবন নিধন করে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী বন্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হলেও ওসব তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে প্যারাবন ধ্বংস করে পুনরায় চিংড়ী ঘের নিমার্ণ করছে ভূমিগ্রাসীরা। ওই এলাকায় প্রায় ৩১০ একর সমুদ্রের প্লাবন ভূমিতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে চিংড়ি ঘের তৈরী করায় প্যারাবন তৈরীর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ওসময় স্থানীয় ভূমিহীন ও হত দরিদ্র জনগণ জানায়, তাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত না করে প্যারাবন করা হলে তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে আশ্বাস দেয়া হয়, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে দরিদ্র জনগণের নিরাপদ আবাসন এবং জীবন জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে প্যারাবন তৈরী করা হবে। অভিযান সমাপ্তির পর বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্যারাবনভূক্ত জমি কঠোর নজরদারীভূক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। সোনাদিয়ার অবৈধ দখলদার বিষয়ে বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিভিডি এবং ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা- কানুনগো-সার্ভেয়ার এর মতে বর্তমানে সোনাদিয়া পূর্বের ৮ টি অবৈধ দখলদারসহ মোট ৯ জন অবৈধ দখলে আছে।বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের মধ্যে অন্যতম হলো মহেশখালী সোনাদিয়ার মৃত আছদ আলীর পুত্র দস্যু সম্রাট আবদুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার (১৮০ হেক্টর), কেরুনতলীর মৃত নুরুল কবিরের পুত্র মোস্তফা কামাল (২০০ হেক্টর), সোনাদিয়ার নুরুল হকের পুত্র আবদুচ শুক্কুর (৪০ হেক্টর), মৃত আছদ আলীর পুত্র ফারুক মিয়া (৩০ হেক্টর),জাগিরাঘোনার আবদুল মজিদের পুত্র আমির শরীফ মাষ্টার (৫০ হেক্টর), সোনাদিয়ার মৃত আছদ আলীর পুত্র মৃত এখলাছ মিয়া (৪০ হেক্টর),এখলাছ মিয়ার পুত্র একরাম মিয়া (৪০ হেক্টর), ঘটিভাঙ্গার মৃত গাজী মিয়ার পুত্র আবু হামিদ (১০ হেক্টর), ও জাগিরাঘোনা ছোট কুলার পাড়ার মৃত মাওলানা মোসতাফিজুর রহমানের পুত্র মোসতাহিদুজ্জামান (২০ হেক্টর) প্রমুখ।
কক্সবাজারের উপকুলীয় দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে জোট সরকারের সময় ভূমিদস্যু কর্তৃক সরকারী সৃজিত ৬১০ একর প্যারাবন নিধন করে নির্মান করা অবৈধ চিংড়ি ঘের প্রশাসনের দফায় দফায় উচেছদ অভিযান পরিচালনা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিমানা করা ২২ লক্ষ টাকা পরিশোধ না করে ভূমিদস্যুরা আবারও বেপরোয়া হয়ে কিছু দিন পূর্ব থেকে উক্ত অবৈধ চিংড়ী ঘের পূনরায় নিমার্ন কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বন বিভাগের লোকজনের বাধা উপেক্ষা করে সোনাদিয়া দ্বীপের অঘোষিত
সম্রাট আবদুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বারের নেতৃত্বে ভূমিদস্যুরা উচ্ছেদ করা ১৩টি চিংড়ী ঘের পুনরায় নিমার্ন করেছে বলে জানা গেছে। ফলে ভূমিদস্যুদের কাছে বন বিভাগ অসহায়।প্রশাসন ব্যর্থ বলে মত প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। সুত্রে জানায়, সোনাদিয়া দ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকায় বনবিভাগের ১৪শ'একর সরকারী বনভূমির প্যারাবণ নিধণ করে। সব সময় সরকারী দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় একটি সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালীরা চক্র সোনাদিয়া ও মহেশখালীসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি ঘের তৈরী করতে ভূমিদস্যুরা নির্বিচারে সৃজিত প্যারাবন ধ্বংস করে ২১টি অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী করে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে এসব ভুমি দসু্যদের দখল থেকে বিতাড়িত করে ১৩টি চিংড়ি ঘের উচ্ছেদ করে ৮০০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করে বন বিভাগের আওতায় নিয়ে আসে। পরে সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে এখানকার অনেক ঘের পুর্নদখল করে নেয়। প্যারাবন নিধন করে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী বন্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হলেও ওসব তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে প্যারাবন ধ্বংস করে চলছিলো ভূমিগ্রাসীরা। এলাকার কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি তাতে পুনরায় চিংড়ি চাষ অব্যহত রাখে। এদিকে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর দেশের বহু প্রতিক্ষিত একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের জন্য চুড়ান্ত স্থান হিসাবে এই সোনাদিয়া দ্বীপ এলাকাটিকে নির্বাচন করা হলে এখানকার এই অবৈধ চিংড়ী ঘেরের বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় চলে আসে। সরকারের উপর মহলেও এনিয়ে বেশ আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। সমপ্রতি গভীর সমুদ্র বন্দর সংক্রান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এসব চিংড়ী ঘের উচ্ছেদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত হলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার চুড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহন করেন। অবশেষে এক পর্যায়ে গত ২০১০ সালের ৬ নভেম্বর জেলা প্রশাসন,র্যাব,বনবিভাগ,উপজেলা প্রশাসন পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃংখলা বাহিনী উপস্থিতিতে ২শ' শ্রমিক নিয়ে একটানা তিনদিন পর্যন্ত অবৈধ দখলদারদের চিংড়ীঘেরের বাধঁ কেটে দিয়ে ৫০ কোটি টাকা মুল্যর ৬১০ একর ভূমি উদ্ধার করে বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করে। অপর দিকে গত ২১ মার্চ পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী ও উপজেলা প্রশাসন,চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগ,র্যাব ও পুলিশ সহায়তায় সোনাদিয়া দ্বীপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের জবর দখল করে তৈরী করা ৩টি চিংড়ী ঘেরের বাঁধ কেটে দিয়ে প্যারাবন সৃজনের জন্য সমুদ্রের জলপ্রবাহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ওই অভিযানে স্থানীয় ৩ জন ভূমি দসু্যকে এ ঘটনার জন্য চিহ্নিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ২২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দন্ড আরোপ করা হয়। দন্ডিত ভূমিগ্রাসীরা হচ্ছে, মহেশখালী সোনাদিয়া দ্বীপের অঘোষিত দস্যু সম্রাট ভুমিদস্যু ও একাধিক মামলার পলাতক আসামী আব্দুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার, মোস্তফা কামাল এবং জাহাঙ্গীর আলম। তারা সবাই মহেশখালি দ্বীপের স্থায়ী বাসিন্দা। প্যারাবন নিধন করে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরী বন্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হলেও ওসব তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে প্যারাবন ধ্বংস করে পুনরায় চিংড়ী ঘের নিমার্ণ করছে ভূমিগ্রাসীরা। ওই এলাকায় প্রায় ৩১০ একর সমুদ্রের প্লাবন ভূমিতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে চিংড়ি ঘের তৈরী করায় প্যারাবন তৈরীর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ওসময় স্থানীয় ভূমিহীন ও হত দরিদ্র জনগণ জানায়, তাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত না করে প্যারাবন করা হলে তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে আশ্বাস দেয়া হয়, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে দরিদ্র জনগণের নিরাপদ আবাসন এবং জীবন জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে প্যারাবন তৈরী করা হবে। অভিযান সমাপ্তির পর বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্যারাবনভূক্ত জমি কঠোর নজরদারীভূক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। সোনাদিয়ার অবৈধ দখলদার বিষয়ে বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিভিডি এবং ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা- কানুনগো-সার্ভেয়ার এর মতে বর্তমানে সোনাদিয়া পূর্বের ৮ টি অবৈধ দখলদারসহ মোট ৯ জন অবৈধ দখলে আছে।বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের মধ্যে অন্যতম হলো মহেশখালী সোনাদিয়ার মৃত আছদ আলীর পুত্র দস্যু সম্রাট আবদুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার (১৮০ হেক্টর), কেরুনতলীর মৃত নুরুল কবিরের পুত্র মোস্তফা কামাল (২০০ হেক্টর), সোনাদিয়ার নুরুল হকের পুত্র আবদুচ শুক্কুর (৪০ হেক্টর), মৃত আছদ আলীর পুত্র ফারুক মিয়া (৩০ হেক্টর),জাগিরাঘোনার আবদুল মজিদের পুত্র আমির শরীফ মাষ্টার (৫০ হেক্টর), সোনাদিয়ার মৃত আছদ আলীর পুত্র মৃত এখলাছ মিয়া (৪০ হেক্টর),এখলাছ মিয়ার পুত্র একরাম মিয়া (৪০ হেক্টর), ঘটিভাঙ্গার মৃত গাজী মিয়ার পুত্র আবু হামিদ (১০ হেক্টর), ও জাগিরাঘোনা ছোট কুলার পাড়ার মৃত মাওলানা মোসতাফিজুর রহমানের পুত্র মোসতাহিদুজ্জামান (২০ হেক্টর) প্রমুখ।
তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান আমলে সাগরে জেগে ওঠা এই চর ভূমির নাম সোনাদিয়া হিসাবে নামকরণে আর এস জরিপে ১নং খাস খতিয়ানের জমি গন্য করে রেকর্ড চুড়ান্ত প্রচার আছে। ১৯৪৬-৪৭ সালে দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত মামলা নং-৪৪০ এবং ১৯৫০-৫১ সালে ৪১১ নং বন্দোবস্ত মামলা মূলে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে বন্দোবন্ত প্রদানে জমাবন্দি খতিয়ান খোলা হয়।বর্ণিত খতিয়ানাদীর জমি বন্দোবস্তীর এবং তৎ ওয়ারিশদের নামে আর.এস জরিপে রেকর্ড প্রচার আছে।সরকারী রাজস্ব অনাদায়ে বর্নিত খতিয়ানাদীর জমি বিভিন্ন সার্টিফিকেট মামলা মূলে সরকার নীলাম খরিদ করেন, পরবতর্ীতে সার্টিফিকেট মামলা মূলে সরকার নীলাম খরিদকৃত জমি বিভিন্ন রেষ্টুরেশন মিচ মামলা মূলে আংশিক জমির মালিকানাধীন জমি হিসাবে এম.আর.আর রেকর্ড ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড পুনঃবহাল করা হয়।রেষ্টুরেশন মামলা চলাকালীন সময়ে বি.এস জরিপ মাঠ পর্যায়ে আরম্ভ হয়।তৎসময় রেষ্টুরেশন মামলার রায়/চুড়ান্ত নিষ্পত্তি না করায় বি.এস জরিপে উল্লেখিত বন্দোবস্তকৃত জমি ১নং খাস খতিয়ানে রেকর্ড চুড়ান্ত প্রচারিত হয়।রেষ্টুরেশন মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর বি.এস জরিপে রেকর্ড করার প্রক্রিয়া না করেও ০৯.০৪.১৯৮৪ইং তারিখের ২৬৯ নং এবং ০৬.০৬.১৯৮৫ইং তারিখের ৪৬৪, ৪৬৫ নং রেজিষ্ট্রিকৃত কবলা মূলে ১০০ একর জমি জনৈক ব্যক্তিগনের নিকট বিক্রি করা হয়।সাব-কবলা রেজিষ্ট্রী দলিল মূলে মালিকানা দাবী করে বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ ১ম আদালতে অপর ৬১/৯৬নং স্বত্বউচ্চারনের মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত দুতরফা সূত্রে সরকারের বিরুদ্ধে ২৯.১১.২০০১ইং তারিখে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারী করেন। বি.এস জরিপকালে সোনাদিয়া দ্বীপের ৩.১৫ একর জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন খতিয়ান এবং বাকী জমি জেলা প্রশাসক মহোদয়, কক্সবাজারের নামে ১নং খতিয়ানভূক্ত করা হয়।
পরবতর্ীতে ৬৬নং বাদী হয়ে বিজ্ঞ যু্গ্ন জেলা জজ আদালত, কক্সবাজারে অপর ২৮/০২নং স্বত্ব উচ্চারনের মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত দুতরফা সূত্রে সরকারের বিরুদ্ধে ০৫.০৭.০৬ইং তারিখে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞারআদেশজারীকরেথাকেন। সোনাদিয়া মৌজার জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের করা আছে এবং বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতে ট্রান্সফার মিচ মোকদ্দমা নং৩০/০৩ দায়ের করা হয়েছে।এসমস্ত মামলায় সরকারী স্বাথ জড়িত রয়েছে মর্মে বিস্তারিত কাগজ পত্রসহ এস.এফ দাখিল করা হয়েছে। মামলানং-১৫০/৯৯,১৯/২০০১ইং-
সহকারীজজআদালত,কক্সবাজার,১১/২০০০,৩০/২০০২,৫১/২০০০,১৫০/২০০৩,১২/২০০০,১৪/২০০০ বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত,কক্সবাজার এবং ২৪/২০০১,১৯/২০০২,৪৫/২০০২,৩৫,৩৬/১৯৯৩ ১ম যুগ্ন জেলা জজ আদালত, কক্সবাজার। এ ব্যাপারে আবদুল গফুর নাগু মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ওই জায়গা গুলি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি এবং ওখানে কোন রকম উচ্ছেদ অভিযান না করার জন্য উচ্চ আদালতের নিষাধাজ্ঞা আছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউছার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চিংড়ী ঘের নিমর্ান করার কথা স্বীকার করে বলেন,প্যারাবণ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে তৈরীকৃত অবৈধ চিংড়িঘের উচ্ছেদ এর পর ভূমিদস্যুরা পুনরায় আবার উক্ত স্থানে চিংড়ী ঘের নিমার্ন করছে তবে কিছু দিনের মধ্যে আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে বলে তিনি জানান। বিট অফিসার মতি লাল বাবু এ প্রতিনিধিকে জানান,তাদেরকে অনেক নিষেধ করার পরও তারা তা অমান্য করে উক্ত সরকারী জায়গায় আবার ও চিংড়ী ঘের নিমার্ন করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী এই দ্বীপটিকে অবৈধ দখলদার দস্যু সম্রাট আবদুল গফুর প্রকাশ নাগু গংদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
সম্ভাবনাময় এদ্বীপটিকে ঘিরে বিশ্বের বহুদেশের উৎসুকের অন্ত নেই।এ দ্বীপের অদুরে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপিত হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মহেশখালী সদর ও সনি্নহিত এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তিরা জায়গা খরিদ করা শুরু করে দিয়েছেন।জমির দাম হু-হু করে বেড়ে চলেছে।আজ যে দ্বীপটি অবহেলিত, অবৈধ দখলদার কবলিত, দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত, সেটি একদিন উন্নয়নের ছোয়ায় আলো ঝলমল পর্যটন দ্বীপ হবে,এমনটি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন