এইচবি পান্থ,রামু :
ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে ভরপুর রামু উপজেলার প্রানকেন্দ্র ফতেখারঁকুল(সদর) ইউনিয়নের সংখ্যালঘু ভোটাররা আজ এক কঠিন পরীক্ষায় সম্মূখীন হয়েছে। আজকের (মঙ্গলবার,২৮ জুন) নির্বাচনটি এখন মর্যাদার লড়াইএ পরিনত হয়েছে।শক্ত দুই প্রার্থীর মধ্যে মর্যাদার লড়াইটি সহিংসতার রুপ নিতে পারে এমনও মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। আর এই পরিস্থিতি সৃস্টি হয়েছে রামুর রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ক্ষমতাবান আপন দুই ভাই অপর দুচেয়ারম্যান প্রার্থীকে সরাসরি সমর্থন দিয়ে।রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল ফতেখাঁরকুল(সদর)ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম(দেওয়াল ঘড়ি) এবং তাঁর আপন ছোট ভাই মহাজোট প্রার্থী ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালক সাইমুম সরওয়ার কমল সদরের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিরাজুল হক (আনারস) এর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে নেমে স্ব-স্ব প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সর্ব শক্তি নিযে মাঠে নেমেছে। নিবাচনী মাঠে নেমে তাদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনা করতে গিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলতেও তারা ছাড়ছেননা। তাদের এই দন্ব প্রকাশ্যে রুপ নেয়ায় আজকের নির্বাচনে শান্তি প্রিয় ভোটারদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন কেউ কেউ।আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে অপর এক চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো( তালা)। একজন জন প্রতিনিধি না হয়েও বিগত কয়েক বছর ধরে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নে বিভিন্ন মসজিদ-মন্দির-ক্যাং, শিক্ষা,ক্রীড়া এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানসহ দরিদ্রদের তিনি যেভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন তা এলাকাবাসী মনে রেখেছেন। দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রান পুরুষ সাবেক সাংসদ ও রাষ্ট্রদূত মরহুম আলহাজ্ব ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী রামু সদরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মাঝে দেবতা সমতুল্য ছিল।জীবিত কালে তাঁর কথার বাইরে এই সম্প্রদায়ের মানুষ কখনও বিরুধীতা করেনি বরং তারঁ সিদ্ধান্তকে আমৃত্যু সম্মান জানিয়েছেন। এ ইউনিয়নের ১৬ হাজার ৩৮৮জন ভোটারদের মধ্যে ৪ হাজারেরও বেশী রয়েছে সংখ্যালঘূ সম্প্রদায়ের ভোট।অতীত নির্বাচনে যে প্রার্থী সংখ্যালঘূদের ভোট যে যত বেশী পেয়েছেন তিনিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।এখন তাঁর যোগ্য দুই সন্তান যখন স্ব-স্ব প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মরিয়া তখন এই সম্প্রদায়ের ভোটার গন আজ বিচলিত।কোথায় হবে তাদের গন্তব্য বা কোন প্রার্থীকে বেঁেছ নেবে সে সির্দ্ধান্ত হীনতায় ভূগছে তারা। ফতেখারঁকুল(সদর) ইউনিয়নের নির্বাচন মানেই চমক।এই ইউনিয়নের অতীত নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের সব হিসেব নিকেশ উল্টে পাল্টে দিয়ে জনগন তাদের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।এই ইউনিয়নে ভোটারদের চোঁখ রাঙিয়ে যেমনি ভোট আদায় করা যায়না তেমনি টাকা দিয়েও ভোট ক্রয় করা যায়না।জনগন সব প্রার্থীদের ভোটের আশ্বাস দিয়ে বিগত ৫বছরের জমে থাকা দুঃখ গুলো বেলেটের মাধ্যমে জবাব দিতে চেষ্টা করে।তাই কক্সবাজার জেলার সব চাইতে আলোচিত রামু সদরের এই ইউনিয়নে অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে কোন প্রার্থী ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান হবে তা কেউ হলফ করে বলতে পারেনা।অতীত ইতিহাস থেকে জানা যায় রামু সদরের সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতির মেল বন্ধন দীর্ঘ দিনের।যা বর্তমানেও বিরাজমান।এই সদরে বৌদ্ধ- হিন্দু- মুসলমানদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ নেই।তাঁর কারন গুলো নিহীত আছে এখানকার অভিন্ন সংস্কৃতি এবংসর্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক ও পারিবারিক সৌহার্দ্যপূর্ন সম্পর্ক।রামু সদরের জনগন সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে দারুন সচেতন।এবারের নির্বাচনে কোন প্রার্থী যদি কোন কারনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্ঠা করে তার প্রকৃত জবাব দেবে সচেতন জনগন।আলোচিত এই ইউনিয়নের ভোটারগন ভোট প্রয়োগে দারুন হিসেবী।যে প্রার্থী যতই কৌশল অবলম্বন করুকনা কেন সঠিক প্রার্থী বেছে নিতে তারা কখনও ভুল করেনা।তাই তারা এবারের নির্বাচনে সৎ,যোগ্য,প্রার্থী যাকে দিয়ে দীর্ঘ দিনের অবহেলিত রামু সদরের উন্নয়ন এবং রামু চৌমুহনী স্টেশনকে আধুনিকীকরন সহ যিনি দূনীতি,সন্ত্রাস এবং মাদক প্রতিরোধে জনগনের পাশে এসে দাঁড়াতে যোগ্যতা রাখেন তাঁকেই জয়ের মালা পড়াবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে ভরপুর রামু উপজেলার প্রানকেন্দ্র ফতেখারঁকুল(সদর) ইউনিয়নের সংখ্যালঘু ভোটাররা আজ এক কঠিন পরীক্ষায় সম্মূখীন হয়েছে। আজকের (মঙ্গলবার,২৮ জুন) নির্বাচনটি এখন মর্যাদার লড়াইএ পরিনত হয়েছে।শক্ত দুই প্রার্থীর মধ্যে মর্যাদার লড়াইটি সহিংসতার রুপ নিতে পারে এমনও মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। আর এই পরিস্থিতি সৃস্টি হয়েছে রামুর রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ক্ষমতাবান আপন দুই ভাই অপর দুচেয়ারম্যান প্রার্থীকে সরাসরি সমর্থন দিয়ে।রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল ফতেখাঁরকুল(সদর)ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম(দেওয়াল ঘড়ি) এবং তাঁর আপন ছোট ভাই মহাজোট প্রার্থী ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালক সাইমুম সরওয়ার কমল সদরের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিরাজুল হক (আনারস) এর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে নেমে স্ব-স্ব প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সর্ব শক্তি নিযে মাঠে নেমেছে। নিবাচনী মাঠে নেমে তাদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনা করতে গিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলতেও তারা ছাড়ছেননা। তাদের এই দন্ব প্রকাশ্যে রুপ নেয়ায় আজকের নির্বাচনে শান্তি প্রিয় ভোটারদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন কেউ কেউ।আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে অপর এক চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো( তালা)। একজন জন প্রতিনিধি না হয়েও বিগত কয়েক বছর ধরে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নে বিভিন্ন মসজিদ-মন্দির-ক্যাং, শিক্ষা,ক্রীড়া এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানসহ দরিদ্রদের তিনি যেভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন তা এলাকাবাসী মনে রেখেছেন। দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রান পুরুষ সাবেক সাংসদ ও রাষ্ট্রদূত মরহুম আলহাজ্ব ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী রামু সদরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মাঝে দেবতা সমতুল্য ছিল।জীবিত কালে তাঁর কথার বাইরে এই সম্প্রদায়ের মানুষ কখনও বিরুধীতা করেনি বরং তারঁ সিদ্ধান্তকে আমৃত্যু সম্মান জানিয়েছেন। এ ইউনিয়নের ১৬ হাজার ৩৮৮জন ভোটারদের মধ্যে ৪ হাজারেরও বেশী রয়েছে সংখ্যালঘূ সম্প্রদায়ের ভোট।অতীত নির্বাচনে যে প্রার্থী সংখ্যালঘূদের ভোট যে যত বেশী পেয়েছেন তিনিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।এখন তাঁর যোগ্য দুই সন্তান যখন স্ব-স্ব প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মরিয়া তখন এই সম্প্রদায়ের ভোটার গন আজ বিচলিত।কোথায় হবে তাদের গন্তব্য বা কোন প্রার্থীকে বেঁেছ নেবে সে সির্দ্ধান্ত হীনতায় ভূগছে তারা। ফতেখারঁকুল(সদর) ইউনিয়নের নির্বাচন মানেই চমক।এই ইউনিয়নের অতীত নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের সব হিসেব নিকেশ উল্টে পাল্টে দিয়ে জনগন তাদের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।এই ইউনিয়নে ভোটারদের চোঁখ রাঙিয়ে যেমনি ভোট আদায় করা যায়না তেমনি টাকা দিয়েও ভোট ক্রয় করা যায়না।জনগন সব প্রার্থীদের ভোটের আশ্বাস দিয়ে বিগত ৫বছরের জমে থাকা দুঃখ গুলো বেলেটের মাধ্যমে জবাব দিতে চেষ্টা করে।তাই কক্সবাজার জেলার সব চাইতে আলোচিত রামু সদরের এই ইউনিয়নে অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে কোন প্রার্থী ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান হবে তা কেউ হলফ করে বলতে পারেনা।অতীত ইতিহাস থেকে জানা যায় রামু সদরের সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতির মেল বন্ধন দীর্ঘ দিনের।যা বর্তমানেও বিরাজমান।এই সদরে বৌদ্ধ- হিন্দু- মুসলমানদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ নেই।তাঁর কারন গুলো নিহীত আছে এখানকার অভিন্ন সংস্কৃতি এবংসর্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক ও পারিবারিক সৌহার্দ্যপূর্ন সম্পর্ক।রামু সদরের জনগন সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে দারুন সচেতন।এবারের নির্বাচনে কোন প্রার্থী যদি কোন কারনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্ঠা করে তার প্রকৃত জবাব দেবে সচেতন জনগন।আলোচিত এই ইউনিয়নের ভোটারগন ভোট প্রয়োগে দারুন হিসেবী।যে প্রার্থী যতই কৌশল অবলম্বন করুকনা কেন সঠিক প্রার্থী বেছে নিতে তারা কখনও ভুল করেনা।তাই তারা এবারের নির্বাচনে সৎ,যোগ্য,প্রার্থী যাকে দিয়ে দীর্ঘ দিনের অবহেলিত রামু সদরের উন্নয়ন এবং রামু চৌমুহনী স্টেশনকে আধুনিকীকরন সহ যিনি দূনীতি,সন্ত্রাস এবং মাদক প্রতিরোধে জনগনের পাশে এসে দাঁড়াতে যোগ্যতা রাখেন তাঁকেই জয়ের মালা পড়াবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন