ইউএনটি ডেস্ক
দীর্ঘ ৮বছর পর ইউপি নির্বাচন উপভোগ করতে ভোট উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে উখিয়ার ভোটাররা। হোটেল-রেষ্টুরেন্ট, গ্রামগঞ্জের, অলিতে-গলিতে এখন ভোটের আমেজ। পাড়া-মহল্লার দোকান-পাট সহ ষ্টেশন-হাটবাজারে ভোটারদের কোলাহলে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে উখিয়ার নির্বাচনী অঙ্গন। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও ছোট-খাটো ঘটনাবলির সৃষ্টি হলেও বড় ধরনের সহিংস ঘটনা এ
পর্যন্ত ঘটেনি। তবে এবারের নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাবে ভোটাররা প্রভাবিত হতে পারে এমনটি মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহল।
জানা গেছে, বিগত ২০০৪ সালে উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১ নম্বর জালিয়া পালং ইউনিয়ন থেকে নুরুল আমিন চৌধুরী, ২ নম্বর রত্নাপালং ইউনিয়ন থেকে আব্বাস উদ্দিন কন্ট্রাকটার, ৩ নম্বর হলদিয়া পালং ইউনিয়ন থেকে মোস্তাফা কামাল চৌধুরী, ৪নম্বর রাজাপালং ইউনিয়ন থেকে শাহ কামাল চৌধুরী ও ৫নম্বর পালং ইউনিয়ন থেকে মাজহারুল আনোয়ার সিফাত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তৎমধ্যে দুরারোগ্যে রোগে আক্রান্ত হয়ে মোস্তাফা কামাল চৌধুরী শষ্যাশায়ী ও ৫নম্বর পালংখালী ইউনিয়নের মাজহারুল আনোয়ার সিফাত নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেও অপর ৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবারো প্রার্থী হয়েছেন।
বর্তমানে ৫ ইউনিয়নে ৪০জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৭০জন মেম্বার ও ৬০জন মহিলা মেম্বার প্রার্থী নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। প্রার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গ্রামীন জনপদ। প্রার্থীদের সময় দিতে গিয়ে ভোটারদেরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রার্থীদের কোলাহলের তোড়ে চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসীরা আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে এ নিয়ে সন্তুষ্ট গ্রামবাসি। এবারের নির্বাচনে শুধুমাত্র কর্মী সমর্থকেরা স্ব স্ব প্রার্থীর পক্ষে মুখ খুললেও ভোটাররা কাকে ভোট দেবে তা বলা যাচ্ছে না বলে প্রার্থীদের অভিমত। মেম্বার প্রার্থী সালেহ আহামদ বাবুল বলেন, যার কাছে যাই সে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দেয়। একই ভাবে প্রতিটি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মুজিবুল হক আজাদ বলেন, যেখানে যাচ্ছি ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে থাকার কথা স্বীকার করলেও কালো টাকার থাবায় ভোটার প্রভাবিত হতে পারে এমনটাও মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ ২ প্রভাবশালী চেয়ারম্যান প্রার্থীর রোষানলের জাল ছিন্ন করে জনগণের সেবা করার জন্য চেষ্টা করছি, বাকিটা আল্লাহ ইচ্ছা। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তার মরহুম পিতা নুরুল ইসলাম চৌধুরীর কর্মদক্ষতার প্রতিফল হিসাবে জনগণ আমাকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকলে নির্বাচিত হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। অপর প্রার্থী শাহ কামাল চৌধুরী তার পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও বিগত ৪বার নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে উদারনীতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন। রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী বলেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ দেওয়ালঘড়ি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এখানে প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী প্রার্থীরা তাদের কালো টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত না করলে তিনি জয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী আদিল চৌধুরী ও নুরুল হুদা একই দলের প্রার্থী হওয়ায় ভোট ব্যাংক বিভক্ত হয়ে গেছে। এ দুজন থেকে কোন একজন সরে দাড়ালে তাদের বিজয় নিশ্চিত বলে ভোটারদের অভিমত। এছাড়া বর্তমান চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন এ আশায় বুক বেধে দিনরাত নির্বাচনী মাঠে সময় কাটাচ্ছে।
জালিয়া পালং ইউনিয়নে প্রতিটি প্রার্থী অগাধ টাকার মালিক। তাই এখানে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা টাকার জোরে নির্বাচিত হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তবে দীর্ঘদিনের সমাজ সেবকের অধিকার নিয়ে নুরুল আমিন চৌধুরী আবারো নির্বাচিত ভোট ভিক্ষা চেয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ইউনিয়নের শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে ছৈয়দ আলম চৌধুরীর বিকল্প নাই এমনটি বলে বেড়াচ্ছেন ভোটার কর্মী, সমর্থকেরা। এছাড়া আনোয়ার হোসেন, রফিকুল হুদা, শহিদুল্লাহ কায়সার তাদের সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন করে যাচ্ছে।
পালংখালী ইউনিয়নে এম মোক্তার আহমদ বলেন, এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচন। তাই জনগণ আমাকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে প্রার্থী করেছে। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে মাঠ পর্যায়ে এগিয়ে আছি। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা ঘরে ঘরে টাকা ও চাউল বিতরণ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলে ও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে। এখানে শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল ও এম গফুর উদ্দিন সমানভাবে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত। নির্বাচনে কে হারবে কে জিতবে তা নিয়ে ভোটারদের মাথা ব্যথা নেই। নির্বাচনী আমেজ নিয়ে ঈদের খুশি অনুভব করতে পারছে এতেই ভোটারেরা খুশি।
দীর্ঘ ৮বছর পর ইউপি নির্বাচন উপভোগ করতে ভোট উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে উখিয়ার ভোটাররা। হোটেল-রেষ্টুরেন্ট, গ্রামগঞ্জের, অলিতে-গলিতে এখন ভোটের আমেজ। পাড়া-মহল্লার দোকান-পাট সহ ষ্টেশন-হাটবাজারে ভোটারদের কোলাহলে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে উখিয়ার নির্বাচনী অঙ্গন। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও ছোট-খাটো ঘটনাবলির সৃষ্টি হলেও বড় ধরনের সহিংস ঘটনা এ
পর্যন্ত ঘটেনি। তবে এবারের নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাবে ভোটাররা প্রভাবিত হতে পারে এমনটি মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহল।
জানা গেছে, বিগত ২০০৪ সালে উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১ নম্বর জালিয়া পালং ইউনিয়ন থেকে নুরুল আমিন চৌধুরী, ২ নম্বর রত্নাপালং ইউনিয়ন থেকে আব্বাস উদ্দিন কন্ট্রাকটার, ৩ নম্বর হলদিয়া পালং ইউনিয়ন থেকে মোস্তাফা কামাল চৌধুরী, ৪নম্বর রাজাপালং ইউনিয়ন থেকে শাহ কামাল চৌধুরী ও ৫নম্বর পালং ইউনিয়ন থেকে মাজহারুল আনোয়ার সিফাত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তৎমধ্যে দুরারোগ্যে রোগে আক্রান্ত হয়ে মোস্তাফা কামাল চৌধুরী শষ্যাশায়ী ও ৫নম্বর পালংখালী ইউনিয়নের মাজহারুল আনোয়ার সিফাত নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেও অপর ৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবারো প্রার্থী হয়েছেন।
বর্তমানে ৫ ইউনিয়নে ৪০জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৭০জন মেম্বার ও ৬০জন মহিলা মেম্বার প্রার্থী নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। প্রার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গ্রামীন জনপদ। প্রার্থীদের সময় দিতে গিয়ে ভোটারদেরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রার্থীদের কোলাহলের তোড়ে চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসীরা আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে এ নিয়ে সন্তুষ্ট গ্রামবাসি। এবারের নির্বাচনে শুধুমাত্র কর্মী সমর্থকেরা স্ব স্ব প্রার্থীর পক্ষে মুখ খুললেও ভোটাররা কাকে ভোট দেবে তা বলা যাচ্ছে না বলে প্রার্থীদের অভিমত। মেম্বার প্রার্থী সালেহ আহামদ বাবুল বলেন, যার কাছে যাই সে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দেয়। একই ভাবে প্রতিটি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মুজিবুল হক আজাদ বলেন, যেখানে যাচ্ছি ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে থাকার কথা স্বীকার করলেও কালো টাকার থাবায় ভোটার প্রভাবিত হতে পারে এমনটাও মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ ২ প্রভাবশালী চেয়ারম্যান প্রার্থীর রোষানলের জাল ছিন্ন করে জনগণের সেবা করার জন্য চেষ্টা করছি, বাকিটা আল্লাহ ইচ্ছা। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তার মরহুম পিতা নুরুল ইসলাম চৌধুরীর কর্মদক্ষতার প্রতিফল হিসাবে জনগণ আমাকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকলে নির্বাচিত হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। অপর প্রার্থী শাহ কামাল চৌধুরী তার পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও বিগত ৪বার নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে উদারনীতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন। রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী বলেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ দেওয়ালঘড়ি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এখানে প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী প্রার্থীরা তাদের কালো টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত না করলে তিনি জয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী আদিল চৌধুরী ও নুরুল হুদা একই দলের প্রার্থী হওয়ায় ভোট ব্যাংক বিভক্ত হয়ে গেছে। এ দুজন থেকে কোন একজন সরে দাড়ালে তাদের বিজয় নিশ্চিত বলে ভোটারদের অভিমত। এছাড়া বর্তমান চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন এ আশায় বুক বেধে দিনরাত নির্বাচনী মাঠে সময় কাটাচ্ছে।
জালিয়া পালং ইউনিয়নে প্রতিটি প্রার্থী অগাধ টাকার মালিক। তাই এখানে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা টাকার জোরে নির্বাচিত হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তবে দীর্ঘদিনের সমাজ সেবকের অধিকার নিয়ে নুরুল আমিন চৌধুরী আবারো নির্বাচিত ভোট ভিক্ষা চেয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ইউনিয়নের শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে ছৈয়দ আলম চৌধুরীর বিকল্প নাই এমনটি বলে বেড়াচ্ছেন ভোটার কর্মী, সমর্থকেরা। এছাড়া আনোয়ার হোসেন, রফিকুল হুদা, শহিদুল্লাহ কায়সার তাদের সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন করে যাচ্ছে।
পালংখালী ইউনিয়নে এম মোক্তার আহমদ বলেন, এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচন। তাই জনগণ আমাকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে প্রার্থী করেছে। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে মাঠ পর্যায়ে এগিয়ে আছি। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা ঘরে ঘরে টাকা ও চাউল বিতরণ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলে ও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে। এখানে শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল ও এম গফুর উদ্দিন সমানভাবে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত। নির্বাচনে কে হারবে কে জিতবে তা নিয়ে ভোটারদের মাথা ব্যথা নেই। নির্বাচনী আমেজ নিয়ে ঈদের খুশি অনুভব করতে পারছে এতেই ভোটারেরা খুশি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন