সরওয়ার আলম শাহীন,উখিয়া
গতকাল বুধবার উখিয়া উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্ধ নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটেছে। পছন্দের প্রতীক না পেয়ে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন রিটারিং অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা। এ ঘটনার উক্ত কর্মকর্তা সহ নির্বাচন সংশিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ
বিরাজ করছে বলে জানা গেছে,প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার ছিল উখিয়া উপজেলার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক জন্য নির্ধারিত দিন। যথারীতি সকাল থেকে শুরু হয় প্রতীক বরাদ্ধ। সকাল থেকে দুপুর পযর্ন্ত কোন রকম গন্ডগোল ছাড়া শেষ হয়। বিপত্তি বাধে বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে। এ সময় রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হুদা গোপনে পছন্দের প্রতীক নেওয়ার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠে নির্বাচনী পরিবেশ। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মতে প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতীক বরাদ্ধের সময় সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীর উপসি'তিতে প্রতীক বরাদ্ধ সম্পন্ন করার বিধান থাকলে ও চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হুদা গোপনে অন্যান্য প্রার্থীদের অগোচরে পছন্দের প্রতীক নিতে চাইলে বাধা হয়ে দাড়ান রিটারিং অফিসারের দ্বয়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলী ইমজিয়াজ রেজা। তিনি একতরফা ভাবে এভাবে প্রতীক দেওয়া যাবেনা বললে নুরুল হুদার সাথে থাকা আওয়ামীলীগ নেতাস্কান্দর সওদাগর, যুবলীগ নেতা আলমগীর ও মকছুদ রিটারিং অফিসার ইমজিয়াজ রেজা অকথ্য ভাষার গালাগাল করে ও থাপ্পর মেরে দাত ফেলে দেওয়া হবে সহ বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। ইতিমধ্যে গোপনে নুরুল হুদার পছন্দের প্রতীক নেওয়া নিয়ে তর্কাতর্কির খবর অন্যান্য প্রার্থীদের কানে পৌছালে চেয়ারম্যান প্রার্থী উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী সহ অন্য প্রার্থীরা এসে পছন্দের প্রতীক নেওয়ার তীব্র বিরেধিতা করে। এ সময় দু দলের সমথূকদের মধ্যে এক উত্তেজনাকর পরিসি'তির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উখিয়া থানার এস আই গোবিন্দ শুক্লা দাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস'লে পৌছে পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী সহ দলের অন্যান্য নেতারা। পরে সকল চেয়ারম্যানের উপসি'তিতে লটারীর মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্ধ সম্পন্নকরা হয়। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার এস, আই গোবিন্দ শুক্লা দাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দু দলের সমর্থকদের মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির খবর পেয়ে আমি ফোর্স নিয়ে যায়। এবং পরিসি'তি নিয়ন্ত্রনে আনি। লাঞ্চিত হওয়ার ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী রিটানিং অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা ইমতিয়াজ রেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, লটারীর মাধ্যমে নিধর্অরিত প্রতীকই নিতে হবে। গোপনে বা লটারীর মাধ্যমে অন্য কারো পাওয়া প্রতীক নেওয়ার সুযোগ নেই, একটা সমস্যা হয়েছিল, সেটা সমাধান হয়েছে। নির্বাচনে এ রকম ছোটখাট ঘটনা ঘটে। এটা তেমন কিছু না। তবে তিনি কিছু না বললেও এ ঘটনায় নির্বাচনী দ্বয়িত্ব থাকা অন্যান্যদের কর্মকর্তাদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন