বদরুল ইসলাম মাসুদ, বান্দরবান :
বান্দরবান পার্বত্য জেলার রুমা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন গত বৃহস্পতিবা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরও দুর্গম এলাকার কারণে একদিন পর শুক্রবার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে একদিন পরও একটি ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশ করা যায়নি। দুর্গম ওই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে নির্বাচনী কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে না পারায় ওই ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশ বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রম্নমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জালাল সাইফুর রহমান।
রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে জনসংহতি সমিতি সমর্থিত ক্যসাপ্রু মারমা (প্রতীক জাহাজ, ভোট ১,০২০) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভানলিয়াম বম (আনারস) পেয়েছেন ১০০৩ ভোট। ২নং রম্নমা সদর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সমর্থিত শৈবং মারমা (প্রতীক আনারস, প্রাপ্ত ভোট ১,৮৮৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাললুংথাং বম (তালা) পেয়েছেন ১১৪৪ ভোট এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান শৈইউসাই মারমা (প্রতীক- আনারস, প্রাপ্ত ভোট পাঁচশত বিরানব্বই) বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনি মারমা ((চশমা) পেয়েছেন ৫৮৮ ভোট।
এরমধ্যে ১নং পাইন্দু ও ২নং রুমা সদর ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সালাহউদ্দিন এবং ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ও ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউপির রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।
এদিকে ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি নির্বাচনের ফলাফল শুক্রবারও প্রকাশ করা যায়নি। ওই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্র দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে নির্বাচনী কাজের কর্মকর্তা ও ভোটের সামগ্রী আনা-নেয়ার কাজে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হতে সেখানে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে না পারায় প্রিসাইডিং অফিসারসহ ব্যালট পেপার নিয়ে উপজেলা সদরে আসতে না পারায় ওই ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণা করা যায়নি। রুমা উপজেলার ইউএনও জালাল সাইফুর রহমান শুক্রবার বিকেলে জানিয়েছেন, দুর্যোগপুর্ণ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং সম্ভব না হওয়ায় উক্ত ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে রুমা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শুরু হয়ে টানা বিকেল ৪টা পর্যনত্ম ভোট গ্রহণ চলে। নির্বাচনে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ২নং রুমা সদর ইউনিয়নে ৬ জন, ৩নং রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়নে ৪ জন এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে ৫ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। ৪ ইউনিয়নে মোট ১৫ হাজার ৭৭৩ জন ভোটার ছিল। এরমধ্যে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে ৩,৪৩৮ জন, ২নং রুমা সদর ইউনিয়নে ৭,০২৫ জন, ৩নং রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়নে ২,৪৩৫ জন এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে ২,৮৭৫ জন ভোটার রয়েছে।
বান্দরবান পার্বত্য জেলার রুমা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন গত বৃহস্পতিবা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরও দুর্গম এলাকার কারণে একদিন পর শুক্রবার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে একদিন পরও একটি ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশ করা যায়নি। দুর্গম ওই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে নির্বাচনী কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে না পারায় ওই ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশ বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রম্নমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জালাল সাইফুর রহমান।
রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে জনসংহতি সমিতি সমর্থিত ক্যসাপ্রু মারমা (প্রতীক জাহাজ, ভোট ১,০২০) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভানলিয়াম বম (আনারস) পেয়েছেন ১০০৩ ভোট। ২নং রম্নমা সদর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সমর্থিত শৈবং মারমা (প্রতীক আনারস, প্রাপ্ত ভোট ১,৮৮৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাললুংথাং বম (তালা) পেয়েছেন ১১৪৪ ভোট এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান শৈইউসাই মারমা (প্রতীক- আনারস, প্রাপ্ত ভোট পাঁচশত বিরানব্বই) বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনি মারমা ((চশমা) পেয়েছেন ৫৮৮ ভোট।
এরমধ্যে ১নং পাইন্দু ও ২নং রুমা সদর ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সালাহউদ্দিন এবং ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ও ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউপির রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।
এদিকে ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি নির্বাচনের ফলাফল শুক্রবারও প্রকাশ করা যায়নি। ওই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্র দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে নির্বাচনী কাজের কর্মকর্তা ও ভোটের সামগ্রী আনা-নেয়ার কাজে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হতে সেখানে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে না পারায় প্রিসাইডিং অফিসারসহ ব্যালট পেপার নিয়ে উপজেলা সদরে আসতে না পারায় ওই ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণা করা যায়নি। রুমা উপজেলার ইউএনও জালাল সাইফুর রহমান শুক্রবার বিকেলে জানিয়েছেন, দুর্যোগপুর্ণ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং সম্ভব না হওয়ায় উক্ত ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে রুমা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শুরু হয়ে টানা বিকেল ৪টা পর্যনত্ম ভোট গ্রহণ চলে। নির্বাচনে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ২নং রুমা সদর ইউনিয়নে ৬ জন, ৩নং রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়নে ৪ জন এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে ৫ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। ৪ ইউনিয়নে মোট ১৫ হাজার ৭৭৩ জন ভোটার ছিল। এরমধ্যে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নে ৩,৪৩৮ জন, ২নং রুমা সদর ইউনিয়নে ৭,০২৫ জন, ৩নং রেমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়নে ২,৪৩৫ জন এবং ৪নং গ্যালেঙ্গা ইউনিয়নে ২,৮৭৫ জন ভোটার রয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন