সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

বন বিভাগের কর্মকর্তার সামনেই চলছে উজাড়: ককসবাজারের ঝাউবিথীতে রোহিঙ্গাদের থাবা



সরওয়ার আজম মানিক : সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টের ঝাউগাছগুলো ঝড় বৃষ্টির সাথে পালস্না দিয়েই উজাড় হয়ে যাচ্ছে। সাগরে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে উজাড়কারীদের জন্য হয়ে যায় পোয়াবারো। উপকূলীয় বন বিভাগের লোকজনের সামনেই রোহিঙ্গারা দিনে দুপুরে কেটে নিয়ে যাচ্ছে ঝাউবিথী। জানা গেছে, সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের
শাহপরীরদ্বীপ পর্যনত্দ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ঝাউবিথী। পূর্ণিমা বা আমাবশ্যার জোয়ারের সময় পানি বেড়ে গিয়ে যখন সাগরের বড় বড় ঢেউ ঝাউবিথীর উপর অাঁচড়ে পড়ে তখন ঝাউগাছের গোড়ালির বালির সত্দর সরে যেতে থাকে। ফলে ঝাউ গাছগুলোর গোড়ালী ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে যায়। এরপর জোয়ারের ঢেউ আসতে আসতে এক পর্যায়ে গাছটি পড়ে যায। আর জোয়ারের সময় এসব ঝাউগাছগুলো পাহারায় থাকে ঝাউবাগানের ভেতর ঝুপড়ি ঘর তৈরী করে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা। লম্বা ধারালো দা, কুঁড়াল নিয়ে দিনে দুপুরে ঝাউগাছ গুলো টুকরো করে কেটে নিয়ে যাচ্ছে অবাধে। ১৭ জুন সকাল ১১ টার দিকে সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্টের একটু দৰিণে গিয়ে দেখা যায় এক অন্য রকম দৃশ্য। নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকার পাশাপাশি ছিল প্রচন্ড বৃষ্টি আর সে সাথে ধমকা হাওয়া। ফলে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়ে ঐ এলাকা। আর দূর্যোগের মুহুর্তে দেখা গেল। শতাধিক নারী পুরম্নষ ও শিশুরা সাগরের ঢেউ অাঁছড়ে পড়ার সময় ঝাউগাছগুলোর গোড়ালির বালিগুলো প্রথমে সরিয়ে নিচ্ছে। এরপর গাছটি পড়ে যাচ্ছে। আর সাথে সাথেই ২/৩ যুবক দৌড়ে গিয়ে গাছটি কয়েক টুকরো করে দিল। অপর ২/৩ যুবক এসে গাছের টুকরোগুলো নিয়ে ৫/৬ মিনিটের মধ্যেই অদৃশ্য হয়ে যায়। আর এ সময় ছাতা হাতে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা গেল উপকূলীয় বন বিভাগের এক কর্মকর্তা। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পর তিনি কোন প্রকার কথা বলতে রাজি হননি। এসময় কয়েকজন জানান, তিনি উপকূলীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা। যে সব ঝাউগাছ নিধন করা হচ্ছে তা থেকে প্রতি গাছে ৩০ টাকা আর প্রতি গোড়ালির জন্য ২০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হয়। আর এ ভাবেই একজন বাংলাদেশী সরকারী কর্মকর্তার সামনেই রোহিঙ্গারা উজাড় করছে আমাদের ঝাউবিথী। সামান্য টাকার জন্য এ বাংলাদেশী সরকারী কর্মকর্তা নামধারী দেশদ্রোহী আমাদের ঝাউবিথী তুলে দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের হাতে। এ ব্যাপারে জরম্নরী ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে বিজ্ঞমহল মনে করছেন।

কোন মন্তব্য নেই: