সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

উখিয়ার রত্না পালং ইউপি সদস্য দুলালের অপরাধ কর্মকান্ডের প্রতিদান দেবে আগামী নির্বাচনে

শরিফ আজাদ, উখিয়া                                                                
উখিয়ার রত্না পালং ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড দীর্ঘ ১২ বছর থেকে থেমে গেছে। বর্তমান মেম্বার নেজাম উদ্দিন দুলাল নিজের পকেট ভারি করতে গিয়ে এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ধরনের উন্নয়ন করতে পারেনি। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় এলাকার সাধারণ জনগণের সাথে স্বেচ্চাচারি আচরন সহ নানা ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি স্বজনপ্রীতির কারণে বিচার ব্যবস্তা নাজুক হয়ে পড়ায় আইন শৃংখলার পরিসি'তির মারাত্নক অবনতি ঘটেছে। এলাকায় বৈশাখি মেলা ও বলি খেলার নামে জুয়া খেলা, মদ, গাজা সহ এলাকায় নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ রোহিঙ্গাদের প্রচুর
অর্থের বিনিময়ে ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়ে তাদের দিয়ে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয় রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাড়ী গুলোতে। এলাকার নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক  গরীব মহিলারা জানান, আমাদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নিয়ে ভিজিডি কার্ড দিয়েছে। যারা টাকা দিতে পারে নাই তাদেরকে ভিজিডি কার্ড দেয়নি। তার বাড়ীতে রোহিঙ্গা কাজের মেয়েকে দিয়ে বিভিন্ন সময় ভিজিডির চাল নিয়ে আসে। কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের মজুরী আত্নসাদে জড়িত থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অসংখ্য অভিযোগ দিয়েছে শ্রমিকরা। গত কর্মসৃজন প্রকল্পের উক্ত মেম্বার নেজাম উদ্দিন দুলাল ইউপি সদস্য হিসেবে কর্মসৃজন প্রকল্পের মেম্বার সদস্য ছিল। যার স্মারক নং-উখিয়া/২০১০-১১/ত্রান/৬০৬/১৯-১০-২০১০। কিন' চলতি কর্মসৃজন প্রকল্পে মেম্বার নেজাম উদ্দিন দুলাল রত্না পালংয়ের তালিকা ভূক্ত ৯৬ নং শ্রমিক। যার স্মারক নং- উখিয়া/২০১০-১১/ত্রান/ ৬৫/৩১-৩-২০১১। উল্লেখ্য যে, গত ১৭ এপ্রিল ব্যাংক থেকে শ্রমিকরা টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার সময় উক্ত ৮ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার নেজাম উদ্দিন দুলালের সাথে শ্রমিকদের হাতাহাতি হয়। এতে শ্রমিকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সচেতন মহলের মতে দীর্ঘদিন নেজাম উদ্দিন দুলাল মেম্বার হিসেবে ক্ষমতায় থাকায় সাধারণ জনগণের সাথে স্বোচ্চাচারি আচরণ করছে। এলাকার মানুষ তাকে সাহায্য সহযোগীতা করে মেম্বার নির্বাচন করেছে। কিন' নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সে রোহিঙ্গাদের দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি অনেক রোহিঙ্গাকে টাকা বিনিময়ে ভোটার করেছে। এলাকাবাসী এইবার তার অপরাধ কর্মকান্ডের প্রতিদান ব্যালেটের ম্যাধ্যমে পরিশোধ করবে।

কোন মন্তব্য নেই: