ইউএনটি ডেস্ক রিপোট
সোনাদিয়া ও ছেঁড়া দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার পর এ দুই দ্বীপের কোনো জমি বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে না অথবা কেনাবেচা করা যাবে না।
সূত্র জানায়, এ দুটি দ্বীপের জমি কারও কারও ব্যক্তিগত দখলে চলে যাচ্ছে। আবার কাগজপত্র জাল করে কেউ কেউ জমি বিক্রি করছে। এসব কারণে ভূমি মন্ত্রণালয় এ দুটি দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।
জানতে চাইলে ভূমিসচিব মোখলেছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ছেঁড়া দ্বীপ পর্যটকদের জন্য
আকর্ষণীয় স্থান। বিভিন্ন কারণে এ স্থানটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে। এ স্থানের পুরোটাই বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে চলে যাচ্ছে। সচিব বলেন, ‘পর্যটনের জমি কোনোভাবেই বেহাত হতে দেওয়া যাবে না। এ স্থানের আকর্ষণ কমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সোনাদিয়া দ্বীপের জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিবিশেষের দখলে চলে যাচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। এ স্থানটিতে গভীর সমুদ্রবন্দর করার চিন্তাও রয়েছে। অর্থনৈতিক কারণেই আমাদের এ দুটি দ্বীপের জমি রক্ষা করতে হবে। এসব বিবেচনায় আমরা এ দুই দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে ছেঁড়া দ্বীপ ও সোনাদিয়া দ্বীপ এলাকায় সব ধরনের বন্দোবস্ত বন্ধ। এর ফলে ভবিষ্যতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া বাড়বে।’
সোনাদিয়া: কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের অধীনে সোনাদিয়া দ্বীপের অবস্থান। এটি কক্সবাজার থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দ্বীপের মোট আয়তন ২০ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জমির পরিমাণ দুই হাজার ৯৬৫ দশমিক ৩৭ একর। এর মধ্যে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ৩ দশমিক ১৫ একর এবং সরকারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি দুই হাজার ৯৬২ দশমিক ২২ একর। কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপ রক্ষার জন্য বন সৃজন করতে ভূমি মন্ত্রণালয় ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট সোনাদিয়া মৌজার দুই হাজার ১২১ একর জমি উপকূলীয় বন বিভাগকে হস্তান্তর করে। প্রায় এক হাজার একর জমিতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বন ছিল। ১৯৮০ সাল থেকে দ্বীপে প্যারাবন সৃজনের কাজ শুরু করে বন বিভাগ। এতে এক হাজার ৪৮৫ একর জমিতে ১৪ লাখ ৮৫ হাজার বাইনগাছের চারা রোপণ করা হয়। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাগান নষ্ট হয়ে যায়। এদিকে, ১৯৯৬ সালে আরও ১১০ একর জমি বন বিভাগকে দেয় স্থানীয় প্রশাসন। পরে বিভিন্ন সময়ে জবরদখলকারীরা চিংড়িচাষের জন্য দেড় হাজার একর জমি অবৈধভাবে দখল করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্বীপের প্যারাবন উজাড় শুরু হয়। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ১৭ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি হাজার হাজার শ্রমিক দিয়ে প্যারাবনের সব গাছ কেটে ফেলেন। অবৈধভাবে ১৩টি ঘেরে চিংড়ির চাষ করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সাবেক সাংসদ আলমগীরের অবৈধ চিংড়িঘেরসহ ১৩টি ঘের উচ্ছেদ করে। দখলমুক্ত করে বন বিভাগের এক হাজার ৪৮৫ একর জমি। ২০০৮ সালের মার্চে ৬১০ একর জমি দখল করে আবারও অবৈধভাবে ১৩টি চিংড়িঘের তৈরি করেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এ ঘটনার দীর্ঘদিন পর গত বছরের ৬ থেকে ৮ নভেম্বর র্যাব, পুলিশ, কক্সবাজার জেলা ও মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী ১৩টি চিংড়িঘের উচ্ছেদ করে।
ছেঁড়া দ্বীপ: বাংলাদেশের মানচিত্রে সর্বদক্ষিণের বিন্দুটি হচ্ছে ছেঁড়াদিয়া বা ছেঁড়া দ্বীপ। এই দ্বীপে এখনো জনবসতি গড়ে ওঠেনি। এখানে কোনো চাষাবাদও হয় না। কিন্তু দ্বীপের জমি জাল কাগজপত্রে বেচাকেনা চলছে। দ্বীপের চারদিকে পাথরের রাজ্য। ভূ-ভাগ সবুজ কেয়াগাছে ভরা। জোয়ারের সময় চার একরের দ্বীপটির চারদিক ডুবে গেলে মাঝের ভূখণ্ড মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন ৩ দশমিক ৩৭ বর্গকিলোমিটার। ছেঁড়া দ্বীপসহ এ দ্বীপের মোট জমির পরিমাণ ৮৩৫ দশমিক ৮০ একর। এর মধ্যে সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২২ দশমিক ৭ একর, ব্যক্তিমালিকানাধীন ৭৫২ দশমিক ২৩ একর এবং ছেঁড়া দ্বীপের জমির পরিমাণ ১৫ দশমিক ১১ একর। তবে এই দ্বীপে খাসজমি নেই।
সূত্র জানায়, ছেঁড়া দ্বীপের জমি শিকস্তি হিসেবে ১ নম্বর খাস খতিয়ানে আনার জন্য টেকনাফের সহকারী ভূমি কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বীপের বহিরাগতদের মধ্যে জমির মালিক আবু ইউছুফ, মো. আবদুল্লাহ ও শিবলুল আজম কোরাইশী নামের তিন ব্যক্তি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি কিনে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সেন্ট মার্টিনের ইউপি চেয়্যারম্যান নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ছেঁড়া দ্বীপের জমি বিক্রি হচ্ছে না। স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে অনেকে জমি কিনেছে, এটা ঠিক। কিন্তু জমি এখনো তাদের দখলে নিতে পারেনি। এখনো এসব জমি সরকারি দখলেই রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ছেঁড়া দ্বীপ এলাকা সম্পূর্ণ স্থাপনাবিহীন অবস্থায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। অন্যদিকে, সোনাদিয়া দ্বীপের স্থায়ী বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের জন্য ৬০০ একর জমি ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়া ও বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরিত দুই হাজার ১২১ দশমিক ৬৬ একর জমিতে ম্যানগ্রোভসহ বিভিন্ন বন সৃজন করা প্রয়োজন।
সোনাদিয়া ও ছেঁড়া দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার পর এ দুই দ্বীপের কোনো জমি বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে না অথবা কেনাবেচা করা যাবে না।
সূত্র জানায়, এ দুটি দ্বীপের জমি কারও কারও ব্যক্তিগত দখলে চলে যাচ্ছে। আবার কাগজপত্র জাল করে কেউ কেউ জমি বিক্রি করছে। এসব কারণে ভূমি মন্ত্রণালয় এ দুটি দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।
জানতে চাইলে ভূমিসচিব মোখলেছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ছেঁড়া দ্বীপ পর্যটকদের জন্য
আকর্ষণীয় স্থান। বিভিন্ন কারণে এ স্থানটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে। এ স্থানের পুরোটাই বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে চলে যাচ্ছে। সচিব বলেন, ‘পর্যটনের জমি কোনোভাবেই বেহাত হতে দেওয়া যাবে না। এ স্থানের আকর্ষণ কমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সোনাদিয়া দ্বীপের জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিবিশেষের দখলে চলে যাচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। এ স্থানটিতে গভীর সমুদ্রবন্দর করার চিন্তাও রয়েছে। অর্থনৈতিক কারণেই আমাদের এ দুটি দ্বীপের জমি রক্ষা করতে হবে। এসব বিবেচনায় আমরা এ দুই দ্বীপকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে ছেঁড়া দ্বীপ ও সোনাদিয়া দ্বীপ এলাকায় সব ধরনের বন্দোবস্ত বন্ধ। এর ফলে ভবিষ্যতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া বাড়বে।’
সোনাদিয়া: কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের অধীনে সোনাদিয়া দ্বীপের অবস্থান। এটি কক্সবাজার থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দ্বীপের মোট আয়তন ২০ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জমির পরিমাণ দুই হাজার ৯৬৫ দশমিক ৩৭ একর। এর মধ্যে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ৩ দশমিক ১৫ একর এবং সরকারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি দুই হাজার ৯৬২ দশমিক ২২ একর। কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপ রক্ষার জন্য বন সৃজন করতে ভূমি মন্ত্রণালয় ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট সোনাদিয়া মৌজার দুই হাজার ১২১ একর জমি উপকূলীয় বন বিভাগকে হস্তান্তর করে। প্রায় এক হাজার একর জমিতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বন ছিল। ১৯৮০ সাল থেকে দ্বীপে প্যারাবন সৃজনের কাজ শুরু করে বন বিভাগ। এতে এক হাজার ৪৮৫ একর জমিতে ১৪ লাখ ৮৫ হাজার বাইনগাছের চারা রোপণ করা হয়। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাগান নষ্ট হয়ে যায়। এদিকে, ১৯৯৬ সালে আরও ১১০ একর জমি বন বিভাগকে দেয় স্থানীয় প্রশাসন। পরে বিভিন্ন সময়ে জবরদখলকারীরা চিংড়িচাষের জন্য দেড় হাজার একর জমি অবৈধভাবে দখল করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্বীপের প্যারাবন উজাড় শুরু হয়। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ১৭ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি হাজার হাজার শ্রমিক দিয়ে প্যারাবনের সব গাছ কেটে ফেলেন। অবৈধভাবে ১৩টি ঘেরে চিংড়ির চাষ করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সাবেক সাংসদ আলমগীরের অবৈধ চিংড়িঘেরসহ ১৩টি ঘের উচ্ছেদ করে। দখলমুক্ত করে বন বিভাগের এক হাজার ৪৮৫ একর জমি। ২০০৮ সালের মার্চে ৬১০ একর জমি দখল করে আবারও অবৈধভাবে ১৩টি চিংড়িঘের তৈরি করেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এ ঘটনার দীর্ঘদিন পর গত বছরের ৬ থেকে ৮ নভেম্বর র্যাব, পুলিশ, কক্সবাজার জেলা ও মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী ১৩টি চিংড়িঘের উচ্ছেদ করে।
ছেঁড়া দ্বীপ: বাংলাদেশের মানচিত্রে সর্বদক্ষিণের বিন্দুটি হচ্ছে ছেঁড়াদিয়া বা ছেঁড়া দ্বীপ। এই দ্বীপে এখনো জনবসতি গড়ে ওঠেনি। এখানে কোনো চাষাবাদও হয় না। কিন্তু দ্বীপের জমি জাল কাগজপত্রে বেচাকেনা চলছে। দ্বীপের চারদিকে পাথরের রাজ্য। ভূ-ভাগ সবুজ কেয়াগাছে ভরা। জোয়ারের সময় চার একরের দ্বীপটির চারদিক ডুবে গেলে মাঝের ভূখণ্ড মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন ৩ দশমিক ৩৭ বর্গকিলোমিটার। ছেঁড়া দ্বীপসহ এ দ্বীপের মোট জমির পরিমাণ ৮৩৫ দশমিক ৮০ একর। এর মধ্যে সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২২ দশমিক ৭ একর, ব্যক্তিমালিকানাধীন ৭৫২ দশমিক ২৩ একর এবং ছেঁড়া দ্বীপের জমির পরিমাণ ১৫ দশমিক ১১ একর। তবে এই দ্বীপে খাসজমি নেই।
সূত্র জানায়, ছেঁড়া দ্বীপের জমি শিকস্তি হিসেবে ১ নম্বর খাস খতিয়ানে আনার জন্য টেকনাফের সহকারী ভূমি কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বীপের বহিরাগতদের মধ্যে জমির মালিক আবু ইউছুফ, মো. আবদুল্লাহ ও শিবলুল আজম কোরাইশী নামের তিন ব্যক্তি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি কিনে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সেন্ট মার্টিনের ইউপি চেয়্যারম্যান নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ছেঁড়া দ্বীপের জমি বিক্রি হচ্ছে না। স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে অনেকে জমি কিনেছে, এটা ঠিক। কিন্তু জমি এখনো তাদের দখলে নিতে পারেনি। এখনো এসব জমি সরকারি দখলেই রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ছেঁড়া দ্বীপ এলাকা সম্পূর্ণ স্থাপনাবিহীন অবস্থায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। অন্যদিকে, সোনাদিয়া দ্বীপের স্থায়ী বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের জন্য ৬০০ একর জমি ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়া ও বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরিত দুই হাজার ১২১ দশমিক ৬৬ একর জমিতে ম্যানগ্রোভসহ বিভিন্ন বন সৃজন করা প্রয়োজন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন