শামসুল আলম শারেক, টেকনাফ:
টেকনাফ-উখিয়ার শ্রমবাজার ও ভূ-খন্ড রোহিঙ্গারা গিলে খাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হোটেল বয়, বাড়ীর চৌকিদার, গৃহ-কর্মচারী, রিক্সা শ্রমিক, লেবার, বাস ও জীপ গাড়ীর হেলপার, চালক এমনকি সরকার নিয়ন্ত্রিত কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকসহ সর্বত্রে রোহিঙ্গাদের কদর বেড়ে গেছে। তাছাড়া অসাধু চোরাকারবারীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে সীমান্ত প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চিংড়ীর নৌকা ও পণ্য পাচারের নৌকাতে করে প্রতিদিন টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত পয়েন্টগুলো দিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধে যাতায়ত বৃদ্ধি পাওয়াতে সীমান্ত এলাকার
বাজারগুলোতে রোহিঙ্গাদের পদচারণা বৃদ্ধি ও কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে বাজার ব্যবসায়ীদের বেচা-বিক্রি এখন রোহিঙ্গাদের ঘিরেই চলছে। রোহিঙ্গাদের চড়া দামে পণ্য বিক্রির কারণে স্থানীয় জনসাধারণ ও ক্রেতা সাধারণ ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে না বলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ। যে সব পণ্য স্থানীয় ক্রেতারা ন্যায্য মূল্যে পাওয়ার কথা সেখানে রোহিঙ্গারা তাদের দ্বি-গুণ অতিরিক্ত মূল্য হাঁকিয়ে যত্রতত্র ক্রয় করে নিচ্ছে। এ সব বিষয়ে স্থানীয় ক্রেতা ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে একাধিকবার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি টেকনাফ-উখিয়া সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বাজার সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে শ্রমবাজার দখলের পাশাপাশি রোহিঙ্গারা তাদের সাথে পরিচিতি ও চড়া মূল্যের অজুহাতে সমসত্ম কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে। সম্প্রতি টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে রোহিঙ্গাদের প্রতিরোধের বিষয়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দপ্তরসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাবরে স্মারকলিপিসহ বিভিন্ন দাবী-দাওয়া উত্থাপন করলেও তা ফাইলবন্ধি হয়ে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ সংশিলষ্টদের। এছাড়াও টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পগুলোকে পুঁজি করে ১৯৭৮ সাল হতে এ পর্যন্ত বিভিন্ন অজুহাতে রোহিঙ্গারা এদেশে পাড়ি জমিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে এদেশের কিছু এজেন্টদের ম্যানেজ করে ভাড়া বাসায় অবস্থান নেয়ার পাশাপাশি জমি ক্রয় করে বাড়ী নির্মাণসহ নিজেদের অবস্থানের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলেছে। কেউ কেউ আবার এদেশে অবস্থানের পাশাপাশি জন প্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে জাতীয়তা সনদ সংগ্রহ, পাসপোর্ট সংগ্রহ এমনকি ভোটার আইডি কার্ডেও তাদের নাম লিপিবদ্ধ করছে। বিদেশে পাড়ি জমানোর ফলে অগাধ টাকা পয়সা আয় করে ভূ-সম্পত্তির মালিক বনে যাচ্ছে। তারা প্রথমে ভাড়া বাসায় থেকে কোন মতে ৪/৫ গন্ডা জমিতে বসবাস গড়ে তুলতে পারলে বহির্বিশ্বে গমন করার সাথে সাথে অগাধ টাকা পয়সা আয় করে সে টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়ে পর্যায়ক্রমে ভূ-সম্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি করে সুরম্য বাউন্ডারী হাঁকিয়ে দালান-কোটা গড়ে তুলছে। যা আগামীতে এদেশের জনসাধারণের জন্য অভিশাপ ও হুমকিতে পরিণত হবে বলে বোদ্ধা মহলের ধারণা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ছত্রছায়ায় থেকে এদেশে সার্টিফিকেট অর্জন, পাসপোর্ট সংগ্রহ এমনকি ছবিযুক্ত ভোটার আইডি কার্ডে স্থান পাওয়ার কারণে রোহিঙ্গা যাতায়াত অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংশিস্নষ্ট কিছু এনজিও সংস্থার লোভনীয় কার্যক্রম ও তাদেরকে এদেশে আসার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে বলেও কথা উঠেছে বোদ্ধা মহলে।
টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, সাবরাং, টেকনাফ পৌর এলাকা, সদর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া, উখিয়া উপজেলার পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, কুতুপালং, রাজাপালং, মরিচ্যা পালং, রত্নাপালংসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে রোহিঙ্গাদের কিছু সুরম্য বাউন্ডারী হাঁকানো বসত-বাড়ী ব্যাঙের মত গজিয়ে উঠেছে। যেগুলো উচ্ছেদ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে আগামীতে টেকনাফ-উখিয়ার জনসাধারণের জীবন ধারা মারাত্মক ঝুঁকির দিকে ধাবিত হবে বলে সচেতন মহল মনে করেছেন। এসব বিষয়ে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকারের ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কর্মকর্তাদের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ।
টেকনাফ-উখিয়ার শ্রমবাজার ও ভূ-খন্ড রোহিঙ্গারা গিলে খাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হোটেল বয়, বাড়ীর চৌকিদার, গৃহ-কর্মচারী, রিক্সা শ্রমিক, লেবার, বাস ও জীপ গাড়ীর হেলপার, চালক এমনকি সরকার নিয়ন্ত্রিত কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকসহ সর্বত্রে রোহিঙ্গাদের কদর বেড়ে গেছে। তাছাড়া অসাধু চোরাকারবারীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে সীমান্ত প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চিংড়ীর নৌকা ও পণ্য পাচারের নৌকাতে করে প্রতিদিন টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত পয়েন্টগুলো দিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধে যাতায়ত বৃদ্ধি পাওয়াতে সীমান্ত এলাকার
বাজারগুলোতে রোহিঙ্গাদের পদচারণা বৃদ্ধি ও কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে বাজার ব্যবসায়ীদের বেচা-বিক্রি এখন রোহিঙ্গাদের ঘিরেই চলছে। রোহিঙ্গাদের চড়া দামে পণ্য বিক্রির কারণে স্থানীয় জনসাধারণ ও ক্রেতা সাধারণ ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে না বলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ। যে সব পণ্য স্থানীয় ক্রেতারা ন্যায্য মূল্যে পাওয়ার কথা সেখানে রোহিঙ্গারা তাদের দ্বি-গুণ অতিরিক্ত মূল্য হাঁকিয়ে যত্রতত্র ক্রয় করে নিচ্ছে। এ সব বিষয়ে স্থানীয় ক্রেতা ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে একাধিকবার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি টেকনাফ-উখিয়া সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বাজার সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে শ্রমবাজার দখলের পাশাপাশি রোহিঙ্গারা তাদের সাথে পরিচিতি ও চড়া মূল্যের অজুহাতে সমসত্ম কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে। সম্প্রতি টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে রোহিঙ্গাদের প্রতিরোধের বিষয়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দপ্তরসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাবরে স্মারকলিপিসহ বিভিন্ন দাবী-দাওয়া উত্থাপন করলেও তা ফাইলবন্ধি হয়ে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ সংশিলষ্টদের। এছাড়াও টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পগুলোকে পুঁজি করে ১৯৭৮ সাল হতে এ পর্যন্ত বিভিন্ন অজুহাতে রোহিঙ্গারা এদেশে পাড়ি জমিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে এদেশের কিছু এজেন্টদের ম্যানেজ করে ভাড়া বাসায় অবস্থান নেয়ার পাশাপাশি জমি ক্রয় করে বাড়ী নির্মাণসহ নিজেদের অবস্থানের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলেছে। কেউ কেউ আবার এদেশে অবস্থানের পাশাপাশি জন প্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে জাতীয়তা সনদ সংগ্রহ, পাসপোর্ট সংগ্রহ এমনকি ভোটার আইডি কার্ডেও তাদের নাম লিপিবদ্ধ করছে। বিদেশে পাড়ি জমানোর ফলে অগাধ টাকা পয়সা আয় করে ভূ-সম্পত্তির মালিক বনে যাচ্ছে। তারা প্রথমে ভাড়া বাসায় থেকে কোন মতে ৪/৫ গন্ডা জমিতে বসবাস গড়ে তুলতে পারলে বহির্বিশ্বে গমন করার সাথে সাথে অগাধ টাকা পয়সা আয় করে সে টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়ে পর্যায়ক্রমে ভূ-সম্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি করে সুরম্য বাউন্ডারী হাঁকিয়ে দালান-কোটা গড়ে তুলছে। যা আগামীতে এদেশের জনসাধারণের জন্য অভিশাপ ও হুমকিতে পরিণত হবে বলে বোদ্ধা মহলের ধারণা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ছত্রছায়ায় থেকে এদেশে সার্টিফিকেট অর্জন, পাসপোর্ট সংগ্রহ এমনকি ছবিযুক্ত ভোটার আইডি কার্ডে স্থান পাওয়ার কারণে রোহিঙ্গা যাতায়াত অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংশিস্নষ্ট কিছু এনজিও সংস্থার লোভনীয় কার্যক্রম ও তাদেরকে এদেশে আসার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে বলেও কথা উঠেছে বোদ্ধা মহলে।
টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, সাবরাং, টেকনাফ পৌর এলাকা, সদর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া, উখিয়া উপজেলার পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, কুতুপালং, রাজাপালং, মরিচ্যা পালং, রত্নাপালংসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে রোহিঙ্গাদের কিছু সুরম্য বাউন্ডারী হাঁকানো বসত-বাড়ী ব্যাঙের মত গজিয়ে উঠেছে। যেগুলো উচ্ছেদ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে আগামীতে টেকনাফ-উখিয়ার জনসাধারণের জীবন ধারা মারাত্মক ঝুঁকির দিকে ধাবিত হবে বলে সচেতন মহল মনে করেছেন। এসব বিষয়ে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকারের ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কর্মকর্তাদের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন