দু'গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে স্থানীয় মেম্বার সহ ২৫জন আহত
মুহাম্মদ তাহের নঈম,টেকনাফ:
টেকনাফের হ্নীলা বাস ষ্টেশনে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু'গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ষ্টেশনের চৌরাস্তা রন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে । দুপুর ২টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়ে টানা ৩ ঘন্টার পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।এ ঘটনায় স্থানিয় মেম্বার সহ কমপক্ষে ২৫জন আহত হয়েছে। থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে প্রকাশ-২৬মে দিবাগত রাত ৯টায় স্থানিয় মেম্বার আলী আহমদ টাকা সংক্রান্ত এক শালিসে বসে ।এতে স্থানিয় যুবক দেলোয়ার ও আবু বক্করের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়।বিষয়টি অনেকটা
মিমাংসা হয়ে গেলেও আবু বক্কর স্থানিয় লোকজন নিয়ে বাস ষ্টেশনে প্রকাশ্যে হাকাবকা করে । তখন দেলোয়ার ও আবু বক্কর দু'গ্রুপ মুখোমুখী হয়।এক পর্যায়ে আবু বক্করের লাঠিয়াল বাহিনী ষ্টেশনে তান্ডব চালায়।গভীর রাত পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে ।টান টান উত্তেজনার মধ্যে রাতে সংঘর্ষ শেষ হলেও জুমা বার দুপুর ২টায় আবার শুরু হয় সংঘর্ষ। জুমার পর জনৈক মমতাজুল ইসলাম কালাম ওরফে আবুকালাম ষ্টেশনে নানা উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলা শুরু করে।এক পর্যায়ে আবুল কালাম ও আবু বক্কর মমতাজের একটি পানের দোকান ভাংচুর করে। তখন উভয় পক্ষের আবার সংঘর্ষ বাধে।এতে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় টেকনাফ-কক্সবাজার মহা সড়ক প্রায় ১ঘন্টার জন্য অচল হয়ে যায়। সংঘর্ষ চলাকালিন সময়ে স্থানিয় মেম্বার আলী আহমদ দুই পক্ষ কে থামানোর চেষ্টা করলে আবুলকালাম,বক্করের নেতৃত্বে ২০/২৫জন সন্ত্রাসী আলী আহমদ মেম্বার (৪২)তার ভাই ছৈতু (৩৮) জহির আহমদ (৩৬)কে মারধর করে ।তখন আবার শুরু হয় রণক্ষেত্রে।এতে বৃষ্টির মত ইট পাটকেল ও কাচের বোতল নিক্ষেপ শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ জনতা মাহবুব নামে এক ব্যবসায়ী কে মারধর করে।এতে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০/৪০জন আহত হয়।অন্যান্য আহতরা হচ্ছে- মোঃইদ্রিস (৩৮) মোঃ ইউনুছ(২৩) ইলিয়াছ(২১) মোঃ রফিক (২৪) আব্দুল গফুর(২৫) মোঃ নুর (১৯) ওসমান(২৮) আলী আহমদ ম্বোরের বোন ফরিদা বেগম(২৮) শমসুল আলম (৩২) বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর পর থানা পুলিশের ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে ।বর্তমানে হ্নীলায় এঘটনা নিয়ে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন