এস, এম, তারেক:
সদ্য জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ইসলামপুরের কুখ্যাত ডাকাত বদির সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে এক পরিবার। তার কথা মত স্বেচ্ছায় ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে না যাওয়ায় হামলা চালিয়ে আহত করেছে মা ছেলে দু'জনকে। আহতরা হলেন ইউনিয়নের পূর্ব নাপিতখালী গ্রামের রুশন আলী'র স্ত্রী আছিয়া খাতুন ও তার ছেলে।
গতকাল ২৩ মে সকাল সাড়ে আটটায় উল্লেখিত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার দলিলুর রহমানের পুত্র বদিউল আলম দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস,চুরি,ডাকাতি পরের জমি দখল সহ ইত্যাদি অপকর্মে লিপ্ত। এসব ঘটনা সংঘটিত করার জন্য তাঁর রয়েছে নিজস্ব বাহিনী। তারই ধারাবাহিকতায় কোন রকমে পূর্বশত্রুতা কিংবা কারণ ছাড়া জেলে থেকে ফিরে আচিয়া ও তাঁর পরিবারকে নিজের ভিটে মাটি থেকে চলে যেতে বলে। কথা না শোনায় বদিও তার সাথে থাকা সাঙ্গ পাঙ্গরা বিগত ৬/৭দিন পূর্বে প্রথমে ছেলের স্ত্রী ও বোনকে দিনে দুপুরে মারধর পূর্বক ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার হুমকি ধমকি দিয়ে চলে যায়। তাঁর কথামত কাজ না করায় ঘটনার দিন সাড়ে আটটায় আবারও বদি ও তাঁর সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা ৬/৭জন সন্ত্রাসী আচিয়ার বসত ভিটায় অবৈধ অনুপ্রবেশ পূর্বক বৃদ্ধা আচিয়ারকে বেদম মারধরও তার ছেলেকে অজ্ঞাত স্থানে ধরে নিয়ে গিয়ে লাঠিও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত পা গুড়ো করে দেয়। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংঘটিত ঘটনা সম্পর্কে অভিযুক্ত বদি আলমের মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে সে নিজেকে নির্দোষ দাবী করে এবং এ ধরনের ঘটনা সে শোনেনি বলে জানায়। নির্যাতিতরা এ ব্যাপারে বদি আলমকে আসামী করে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সদ্য জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ইসলামপুরের কুখ্যাত ডাকাত বদির সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে এক পরিবার। তার কথা মত স্বেচ্ছায় ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে না যাওয়ায় হামলা চালিয়ে আহত করেছে মা ছেলে দু'জনকে। আহতরা হলেন ইউনিয়নের পূর্ব নাপিতখালী গ্রামের রুশন আলী'র স্ত্রী আছিয়া খাতুন ও তার ছেলে।
গতকাল ২৩ মে সকাল সাড়ে আটটায় উল্লেখিত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার দলিলুর রহমানের পুত্র বদিউল আলম দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস,চুরি,ডাকাতি পরের জমি দখল সহ ইত্যাদি অপকর্মে লিপ্ত। এসব ঘটনা সংঘটিত করার জন্য তাঁর রয়েছে নিজস্ব বাহিনী। তারই ধারাবাহিকতায় কোন রকমে পূর্বশত্রুতা কিংবা কারণ ছাড়া জেলে থেকে ফিরে আচিয়া ও তাঁর পরিবারকে নিজের ভিটে মাটি থেকে চলে যেতে বলে। কথা না শোনায় বদিও তার সাথে থাকা সাঙ্গ পাঙ্গরা বিগত ৬/৭দিন পূর্বে প্রথমে ছেলের স্ত্রী ও বোনকে দিনে দুপুরে মারধর পূর্বক ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার হুমকি ধমকি দিয়ে চলে যায়। তাঁর কথামত কাজ না করায় ঘটনার দিন সাড়ে আটটায় আবারও বদি ও তাঁর সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা ৬/৭জন সন্ত্রাসী আচিয়ার বসত ভিটায় অবৈধ অনুপ্রবেশ পূর্বক বৃদ্ধা আচিয়ারকে বেদম মারধরও তার ছেলেকে অজ্ঞাত স্থানে ধরে নিয়ে গিয়ে লাঠিও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত পা গুড়ো করে দেয়। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংঘটিত ঘটনা সম্পর্কে অভিযুক্ত বদি আলমের মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে সে নিজেকে নির্দোষ দাবী করে এবং এ ধরনের ঘটনা সে শোনেনি বলে জানায়। নির্যাতিতরা এ ব্যাপারে বদি আলমকে আসামী করে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন