তোফায়েল আহমদ, কক্সবাজার
পহেলা বৈশাখ উদযাপনে কক্সবাজারে নামবে পর্যটকের ঢল। পহেলা বৈশাখ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলে তিন দিনের ছুটি থাকায় পহেলা বৈশাখ পালনে অনেকেই ছুটে আসতে পারেন পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ইতোমধ্যেই কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে অগ্রিম বুকিং চলছে জোরেশোরে। আর বাংলা ১৪১৭ বঙ্গাব্দ এর বিদায় চৈত্রসংক্রান্তি ও ১৪১৮ বঙ্গাব্দবরণকে কেন্দ্র করে নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নুরুল আলম নিজামী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, বাংলা বর্ষবরণ ও বিদায় এ জেলা প্রশাসন ব্যতিক্রমী বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে পহেলা বৈশাখের দিন সকালে সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বরে প্রভাতি সংঙ্গীতানুষ্ঠান, সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, কবিতা চত্বরে তিনদিনব্যাপী গ্রামীণ মেলা, ঘুড়ি উৎসব, গ্রামীণ ফ্যাশন শো, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে জেলা প্রশাসন ও ছায়ানাইট ইভেন্টস এর যৌথ উদ্যোগে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও আরো নতুন নতুন ইভেন্ট হাতে নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি এডভোকেট তাপস রক্ষিত কালের কণ্ঠকে জানান, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, উদীচী, ঝিনুকমালা খেলাঘর আসর, সিমুনিয়া খেলাঘর, ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার থিয়েটার, হৈমন্তিকা, পাহাড়ী ফুল খেলাঘর, সৈকত খেলাঘরসহ বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ভিন্ন আমেজে এবারের পহেলা বৈশাখ্ উদযাপনের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে থাকছে শহরের কোর্ট বিল্ডিং চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, শহরের পাবলিক হল মাঠে দিনব্যাপী আলোচনা সভা, নাগরদোলা, বালিশ বদল, পান্তা-ইলিশ, বলী খেলা, যেমন খুশি সাজ, হাঁড়ি খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পহেলা বৈশাখের পরের দিন সৈকতের লাবণী পয়েন্টে সূচনা কমিউনিকেশন আয়োজন করতে যাচ্ছে কনসার্ট এর।
বর্ষবরণ ও বিদায়কে কেন্দ্র করে পর্যটন স্পটগুলোও সাজানো হচ্ছে নতুন করে। বিশেষ আয়োজন রেখেছে অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোও। শহরের পাশেই সমুদ্র সৈকতের লাগোয়া দরিয়ানগর পার্ক সাজানো হয়েছে নতুন করে। দরিয়ানগর পার্কে সকাল ১০ টায় মোরগ লড়াই, বিকালে ঘুড়ি ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। পার্কের ডেলিসিও রেস্টুরেন্টে থাকছে বৈশাখের বিশেষ খাবার পান্তা-ইলিশ ও ইলিশ পোলাও। দরিয়ানগর পার্কে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে দেশ আমার সংগঠনের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দরিয়ানগর পার্কের পরিচালক মোঃ জাফর আলম কালের কণ্ঠকে জানান, ডলপিন এর ভাস্কর্য দিয়ে পার্কের প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের তিন জন শিল্পী দিয়ে ডলপিনের ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এ ছাড়া পাঁচ তারকা হোটেল সি-গাল এ আয়োজন করা হয়েছে পান্তা-ইলিশ ও বৈশাখের নানা অনুষ্ঠানের। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার কালের কণ্ঠকে জানান, পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আবাসিক হোটেলগুলো পর্যটকদের জন্য নানা আয়োজন রেখেছে। আর টানা তিন দিনের ছুটি থাকায় প্রচুর পর্যটক কক্সবাজার আসবেন। ফলে হোটেল-মোটেলগুলোতে এখন চলছে অগ্রিম বুকিং। কক্সবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহজাহান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানমালা, নবর্বষ পালনে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
পহেলা বৈশাখ উদযাপনে কক্সবাজারে নামবে পর্যটকের ঢল। পহেলা বৈশাখ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলে তিন দিনের ছুটি থাকায় পহেলা বৈশাখ পালনে অনেকেই ছুটে আসতে পারেন পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ইতোমধ্যেই কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে অগ্রিম বুকিং চলছে জোরেশোরে। আর বাংলা ১৪১৭ বঙ্গাব্দ এর বিদায় চৈত্রসংক্রান্তি ও ১৪১৮ বঙ্গাব্দবরণকে কেন্দ্র করে নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নুরুল আলম নিজামী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, বাংলা বর্ষবরণ ও বিদায় এ জেলা প্রশাসন ব্যতিক্রমী বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে পহেলা বৈশাখের দিন সকালে সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বরে প্রভাতি সংঙ্গীতানুষ্ঠান, সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, কবিতা চত্বরে তিনদিনব্যাপী গ্রামীণ মেলা, ঘুড়ি উৎসব, গ্রামীণ ফ্যাশন শো, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে জেলা প্রশাসন ও ছায়ানাইট ইভেন্টস এর যৌথ উদ্যোগে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও আরো নতুন নতুন ইভেন্ট হাতে নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি এডভোকেট তাপস রক্ষিত কালের কণ্ঠকে জানান, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, উদীচী, ঝিনুকমালা খেলাঘর আসর, সিমুনিয়া খেলাঘর, ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার থিয়েটার, হৈমন্তিকা, পাহাড়ী ফুল খেলাঘর, সৈকত খেলাঘরসহ বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ভিন্ন আমেজে এবারের পহেলা বৈশাখ্ উদযাপনের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে থাকছে শহরের কোর্ট বিল্ডিং চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, শহরের পাবলিক হল মাঠে দিনব্যাপী আলোচনা সভা, নাগরদোলা, বালিশ বদল, পান্তা-ইলিশ, বলী খেলা, যেমন খুশি সাজ, হাঁড়ি খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পহেলা বৈশাখের পরের দিন সৈকতের লাবণী পয়েন্টে সূচনা কমিউনিকেশন আয়োজন করতে যাচ্ছে কনসার্ট এর।
বর্ষবরণ ও বিদায়কে কেন্দ্র করে পর্যটন স্পটগুলোও সাজানো হচ্ছে নতুন করে। বিশেষ আয়োজন রেখেছে অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোও। শহরের পাশেই সমুদ্র সৈকতের লাগোয়া দরিয়ানগর পার্ক সাজানো হয়েছে নতুন করে। দরিয়ানগর পার্কে সকাল ১০ টায় মোরগ লড়াই, বিকালে ঘুড়ি ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। পার্কের ডেলিসিও রেস্টুরেন্টে থাকছে বৈশাখের বিশেষ খাবার পান্তা-ইলিশ ও ইলিশ পোলাও। দরিয়ানগর পার্কে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে দেশ আমার সংগঠনের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দরিয়ানগর পার্কের পরিচালক মোঃ জাফর আলম কালের কণ্ঠকে জানান, ডলপিন এর ভাস্কর্য দিয়ে পার্কের প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের তিন জন শিল্পী দিয়ে ডলপিনের ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এ ছাড়া পাঁচ তারকা হোটেল সি-গাল এ আয়োজন করা হয়েছে পান্তা-ইলিশ ও বৈশাখের নানা অনুষ্ঠানের। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার কালের কণ্ঠকে জানান, পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আবাসিক হোটেলগুলো পর্যটকদের জন্য নানা আয়োজন রেখেছে। আর টানা তিন দিনের ছুটি থাকায় প্রচুর পর্যটক কক্সবাজার আসবেন। ফলে হোটেল-মোটেলগুলোতে এখন চলছে অগ্রিম বুকিং। কক্সবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহজাহান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানমালা, নবর্বষ পালনে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন