গোলাম আজম খান
কথিত স্বামীর বাধা ও একগুয়েমীর কারণে অত্যন্ত মেধাবী সম্ভাবনাময় এক স্কুল ছাত্রী লেখা-পড়া করতে পারছেনা। ফারজানা আক্তার মুন্নী নামের মেধাবী ছাত্রীর আকুতি ও মা সেতারা বেগমের আর্তনাদ ইত্যাদি কিছুতেই টলছেনা কথিত স্বামী। অসহায় মা সেতারা বেগম অত্যন্ত আদরের বড় মেয়ে ফারজানা আক্তার মুন্নীর ভবিষ্যৎ জীবণ বিশেষতঃ লেখা-পড়া অব্যাহত রাখার স্বার্থে এব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। চাঞ্চল্যকর এঘটনাটি ঘটেছে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়া গ্রামে। ছৈয়দ আহমদের বড় মেয়ে ফারজানা আক্তার মুন্নী। পিতা রোজগারের সন্ধ্যানে সউদি আরব পাড়ি দিয়েছেন সাড়ে ৩ বছর আগে। পরিবারের সবার বড়এবং অত্যন্ত মেধাবী হিসাবে সকলের শখ ছিল মুন্নীকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার। ২০০৭ সনে অনুষ্ঠিত প্রাইমারী বৃত্তি পরিক্ষায় কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি লাভ করলে সকলের উৎসাহ আগ্রহ ও শখ আরও বৃদ্ধি পায়। মুন্নীকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার আশা নিয়ে বাড়ীর অন্যন্যরা কঠোর পরিশ্রম করেও মুন্নীকে পিছু হটতে দেয়নি। মুন্নীকে ভর্তি করানো হয় হ্নীলা গালর্স হাইস্কুলে। সেখানেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে মুন্নী। শুধু শ্রেণী নয়, স্কুল ফাস্ট ছিল ফারজানা আক্তার মুন্নী। বয়সও বেশী হয়নি মুন্নীর। জন্ম নিবন্ধন সনদ (নং- ০০৩৫৩১) রেজিষ্ট্রেশন ও এডমিট কার্ড মতে মুন্নীর জন্ম তারিখ ২১ আগস্ট ১৯৯৫ইং। এখনও ষোল বছরই পূর্ণ হয়নি। মুন্নী ২০১০ সনে জেএসসি পরিক্ষার্থী ছিল। তার রেজিঃ নং ১০১৪-১০৪-৬৯৮, সেশন ২০১০, রোল নং- ১৮৯১২১। ঘটনার সন তারিখ পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার অল্প কিছুদিন আগে বাড়ী থেকে হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলে আসার পথে পাশ্ববর্তী ওয়াব্রাং গ্রামের রহমত আলীর পুত্র আব্দুল মাজেদ প্রকাশ বাবুল মুন্নীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। গ্রামের সর্দার মাতবর ও সমাজপতিরা ঘটনার আপোষ মিমাংসার কথা বলে শুধু কালক্ষেপন করেছে। পিতা প্রবাসে, অসহায় মায়ের পক্ষে অত্যন্ত মেধাবী আদরের মেয়ের জন্য শুধু চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কিছুই করা সম্ভব হয়নি। গতকাল ১১ এপ্রিল দুপুরে মা এ প্রতিবেদককে ফোনে জানান- বহু চেষ্টা করেও তারা মেয়ের সাথে সাক্ষাৎ পর্যন্ত করতে পারেনি।। মুন্নীকে সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখা হত। বিভিন্ন বাড়ীতে ও স্থানে লুকিয়ে রাখা হত। এক পর্যায়ে তারা বিয়ে করেছে মর্মে মুন্নী থেকে জোরপূর্বক বিভিন্ন কাগজপত্রে দস্তখতও নিয়েছে। গত জানুয়ারী মাসের শেষের দিকে সুযোগ পেয়ে মুন্নী বন্ধীদশা থেকে পালিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসে। এরপর কথিত স্বামী বাবুল মাঝে-মধ্যে মুন্নীদের বাড়ীতে আসা-যাওয়া করত, নিয়ে যাবার জন্য ফুসলাত। কিন্তু মুন্নীর এক দফা, এক দাবী, লেখাপড়া করতে দিতেই হবে। বাবুল এতে রাজি নয়। অন্যদিকে মুন্নী যেকোন মূল্যে লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে দফা ও দাবীর প্রতি অনড় এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। উচ্চ শিক্ষার অদম্য বাসনা, প্রবাসী বাবা, স্নেহময়ী জননীর তাড়না পারিবারিক আগ্রহ মিলে দ্বিগুণ উৎসাহে মুন্নী আবারও ভর্তি হয়েছিল হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলে। গত ৪ এপ্রিল দুপুরে মুন্নী স্কুল থেকে গাইড কিনতে হ্নীলা ষ্টেশনে গিয়ে টমটম যোগে বাড়ী ফিরছিল। পথিমধ্য থেকে বাবুল আবারও মুন্নীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অসহায় মা সেতারা বেগম আরও জানান- মেয়ের খোঁজে বহু চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু কোন সন্ধান মেলেনি। এভাবে কেটে গিয়েছে কয়েকটা দিন। তারা প্রভাবশালী বিধায় কেউ সাহায্যেও এগিয়ে আসছেনা। এব্যাপারে জানতে চাইলে হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মাওঃ আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান- অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী মুন্নী ২০১০ সালের জেএসসির পরীক্ষার্থী ছিল। কিন্তু অনুপস্থিতির কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এবছর পুনঃ ভর্তি হয়েছে। মেধাবী ছাত্রী মুন্নীকে উদ্ধার করতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ রফিক উদ্দীন উদ্যোগী হয়ে বহু চেষ্টা করেছেন।
কথিত স্বামীর বাধা ও একগুয়েমীর কারণে অত্যন্ত মেধাবী সম্ভাবনাময় এক স্কুল ছাত্রী লেখা-পড়া করতে পারছেনা। ফারজানা আক্তার মুন্নী নামের মেধাবী ছাত্রীর আকুতি ও মা সেতারা বেগমের আর্তনাদ ইত্যাদি কিছুতেই টলছেনা কথিত স্বামী। অসহায় মা সেতারা বেগম অত্যন্ত আদরের বড় মেয়ে ফারজানা আক্তার মুন্নীর ভবিষ্যৎ জীবণ বিশেষতঃ লেখা-পড়া অব্যাহত রাখার স্বার্থে এব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। চাঞ্চল্যকর এঘটনাটি ঘটেছে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়া গ্রামে। ছৈয়দ আহমদের বড় মেয়ে ফারজানা আক্তার মুন্নী। পিতা রোজগারের সন্ধ্যানে সউদি আরব পাড়ি দিয়েছেন সাড়ে ৩ বছর আগে। পরিবারের সবার বড়এবং অত্যন্ত মেধাবী হিসাবে সকলের শখ ছিল মুন্নীকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার। ২০০৭ সনে অনুষ্ঠিত প্রাইমারী বৃত্তি পরিক্ষায় কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি লাভ করলে সকলের উৎসাহ আগ্রহ ও শখ আরও বৃদ্ধি পায়। মুন্নীকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার আশা নিয়ে বাড়ীর অন্যন্যরা কঠোর পরিশ্রম করেও মুন্নীকে পিছু হটতে দেয়নি। মুন্নীকে ভর্তি করানো হয় হ্নীলা গালর্স হাইস্কুলে। সেখানেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে মুন্নী। শুধু শ্রেণী নয়, স্কুল ফাস্ট ছিল ফারজানা আক্তার মুন্নী। বয়সও বেশী হয়নি মুন্নীর। জন্ম নিবন্ধন সনদ (নং- ০০৩৫৩১) রেজিষ্ট্রেশন ও এডমিট কার্ড মতে মুন্নীর জন্ম তারিখ ২১ আগস্ট ১৯৯৫ইং। এখনও ষোল বছরই পূর্ণ হয়নি। মুন্নী ২০১০ সনে জেএসসি পরিক্ষার্থী ছিল। তার রেজিঃ নং ১০১৪-১০৪-৬৯৮, সেশন ২০১০, রোল নং- ১৮৯১২১। ঘটনার সন তারিখ পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার অল্প কিছুদিন আগে বাড়ী থেকে হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলে আসার পথে পাশ্ববর্তী ওয়াব্রাং গ্রামের রহমত আলীর পুত্র আব্দুল মাজেদ প্রকাশ বাবুল মুন্নীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। গ্রামের সর্দার মাতবর ও সমাজপতিরা ঘটনার আপোষ মিমাংসার কথা বলে শুধু কালক্ষেপন করেছে। পিতা প্রবাসে, অসহায় মায়ের পক্ষে অত্যন্ত মেধাবী আদরের মেয়ের জন্য শুধু চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কিছুই করা সম্ভব হয়নি। গতকাল ১১ এপ্রিল দুপুরে মা এ প্রতিবেদককে ফোনে জানান- বহু চেষ্টা করেও তারা মেয়ের সাথে সাক্ষাৎ পর্যন্ত করতে পারেনি।। মুন্নীকে সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখা হত। বিভিন্ন বাড়ীতে ও স্থানে লুকিয়ে রাখা হত। এক পর্যায়ে তারা বিয়ে করেছে মর্মে মুন্নী থেকে জোরপূর্বক বিভিন্ন কাগজপত্রে দস্তখতও নিয়েছে। গত জানুয়ারী মাসের শেষের দিকে সুযোগ পেয়ে মুন্নী বন্ধীদশা থেকে পালিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসে। এরপর কথিত স্বামী বাবুল মাঝে-মধ্যে মুন্নীদের বাড়ীতে আসা-যাওয়া করত, নিয়ে যাবার জন্য ফুসলাত। কিন্তু মুন্নীর এক দফা, এক দাবী, লেখাপড়া করতে দিতেই হবে। বাবুল এতে রাজি নয়। অন্যদিকে মুন্নী যেকোন মূল্যে লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে দফা ও দাবীর প্রতি অনড় এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। উচ্চ শিক্ষার অদম্য বাসনা, প্রবাসী বাবা, স্নেহময়ী জননীর তাড়না পারিবারিক আগ্রহ মিলে দ্বিগুণ উৎসাহে মুন্নী আবারও ভর্তি হয়েছিল হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলে। গত ৪ এপ্রিল দুপুরে মুন্নী স্কুল থেকে গাইড কিনতে হ্নীলা ষ্টেশনে গিয়ে টমটম যোগে বাড়ী ফিরছিল। পথিমধ্য থেকে বাবুল আবারও মুন্নীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অসহায় মা সেতারা বেগম আরও জানান- মেয়ের খোঁজে বহু চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু কোন সন্ধান মেলেনি। এভাবে কেটে গিয়েছে কয়েকটা দিন। তারা প্রভাবশালী বিধায় কেউ সাহায্যেও এগিয়ে আসছেনা। এব্যাপারে জানতে চাইলে হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মাওঃ আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান- অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী মুন্নী ২০১০ সালের জেএসসির পরীক্ষার্থী ছিল। কিন্তু অনুপস্থিতির কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এবছর পুনঃ ভর্তি হয়েছে। মেধাবী ছাত্রী মুন্নীকে উদ্ধার করতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ রফিক উদ্দীন উদ্যোগী হয়ে বহু চেষ্টা করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন