ইউএনটি
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন জালিয়াপালংয়ের গোরাইয়্যার দ্বীপের কৃষক পিতা নুরুল আলমের কন্যা আরেফা বেগম। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। সম্প্রতি এ ছাত্রীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে একই গ্রামের ৬৫ বছরের বৃদ্ধ হাজী নুরুল হকের। প্রথমে প্রস্তাব, পরে অপহরণের চেষ্টা, সর্বশেষ অপহরণ ইত্যাদি কলাকৌশলে অবলম্বন করেও আরেফা বেগম
ও তার পরিবারকে কাবু করতে পারেনি সে। অবশেষে নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা ভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে স্কুল থেকে আরেফাকে বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বহিস্কারের ব্যবস্থা করে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে আরেফা বেগম জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে ও অভিযোগ জানাযায়, বিগত বছরের ৯ জুন স্কুলে যাওয়ার পথে উপজেলার কচুরীর ঢালা নামক স্থানে আরেফা বেগমকে অপহরণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় বিয়ে পাগল বৃদ্ধ নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা। এঘটনায় ভীত হয়ে আরেফা বেগম ও তার পরিবার এলাকা ছেড়ে তার বড়বোন রামু উপজেলার তুলাবাগানের বাড়িতে। সেখানেও বাঁচতে পারেনি স্কুল ছাত্রী আরেফা। ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় বড়বোনের বাড়ির দরজা ভেঙ্গে হাজী নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা আরেফা বেগমকে অপহরণ করে সিএনজি যোগে পালানোর সময় এলাকার লোকজন অপহরণকারীদেরধে আটক করে তুলাবাগান পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। সেখানে অনেক দেন-দরবার ও পরে বৃদ্ধ নুরুল মোছলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। এরপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে বৃদ্ধ নুরুল হক তার ছেলেকে দিয়ে আরেফা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। এহামলায় আরেফা বেগমের হাতের আঙ্গুল কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আরেফার বেগমের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল এঘটনার আপোষ-মিমাংসার ছলে ধামাচাপা দেয়। এরপরও থেমে থাকেনি বৃদ্ধ নুরুল হকের অনৈতিক কর্মকান্ডের অপচেষ্টা। পরে সে আশ্রয় নেয় আরেফা বেগমকে স্কুল ছাড়া করার। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রহস্যজনকভাবে ম্যানেজ করে আরেফা বেগমের চারিত্রিক দোষের নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের আয়োজন সম্পন্ন করে।
এদিকে বৃহস্পতিবার একদল সাংবাদিক তার গ্রামের বাড়িতে গেলে আরেফা ও তার কৃষক পিতা বুকফাটা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি সংবাদকর্মীদের বৃদ্ধ নুরুল হক কর্তৃক তার অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরেন। প্রাণ নাশের আশংকায় আরেফা এখন রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা তো দূরের কথা। ঘরে বন্দি অবস্থায় থাকতে পারছেনা। বর্তমানে অষ্টম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর শিক্ষা জীবন বিনষ্টের পাশাপাশি পুরো পরিবারটি ধ্বংসের গিয়ে পৌঁছে। এলাকা, স্কুল ও পারিপার্শ্বিক প্রতিকুল অবস্থার কারণে বর্তমানে পরিবারটি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আরেফার পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবী, এমন এহেন কর্মকান্ডের অপরাধে বৃদ্ধ নুরুল হকের দ্রুত বিচার হোক এবং আরেফা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
আবদুল্লাহ নয়ন, উখিয়া থেকে ফিরে | | |
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন জালিয়াপালংয়ের গোরাইয়্যার দ্বীপের কৃষক পিতা নুরুল আলমের কন্যা আরেফা বেগম। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। সম্প্রতি এ ছাত্রীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে একই গ্রামের ৬৫ বছরের বৃদ্ধ হাজী নুরুল হকের। প্রথমে প্রস্তাব, পরে অপহরণের চেষ্টা, সর্বশেষ অপহরণ ইত্যাদি কলাকৌশলে অবলম্বন করেও আরেফা বেগম
ও তার পরিবারকে কাবু করতে পারেনি সে। অবশেষে নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা ভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে স্কুল থেকে আরেফাকে বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বহিস্কারের ব্যবস্থা করে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে আরেফা বেগম জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে ও অভিযোগ জানাযায়, বিগত বছরের ৯ জুন স্কুলে যাওয়ার পথে উপজেলার কচুরীর ঢালা নামক স্থানে আরেফা বেগমকে অপহরণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় বিয়ে পাগল বৃদ্ধ নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা। এঘটনায় ভীত হয়ে আরেফা বেগম ও তার পরিবার এলাকা ছেড়ে তার বড়বোন রামু উপজেলার তুলাবাগানের বাড়িতে। সেখানেও বাঁচতে পারেনি স্কুল ছাত্রী আরেফা। ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় বড়বোনের বাড়ির দরজা ভেঙ্গে হাজী নুরুল হক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা আরেফা বেগমকে অপহরণ করে সিএনজি যোগে পালানোর সময় এলাকার লোকজন অপহরণকারীদেরধে আটক করে তুলাবাগান পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। সেখানে অনেক দেন-দরবার ও পরে বৃদ্ধ নুরুল মোছলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। এরপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে বৃদ্ধ নুরুল হক তার ছেলেকে দিয়ে আরেফা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। এহামলায় আরেফা বেগমের হাতের আঙ্গুল কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আরেফার বেগমের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল এঘটনার আপোষ-মিমাংসার ছলে ধামাচাপা দেয়। এরপরও থেমে থাকেনি বৃদ্ধ নুরুল হকের অনৈতিক কর্মকান্ডের অপচেষ্টা। পরে সে আশ্রয় নেয় আরেফা বেগমকে স্কুল ছাড়া করার। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রহস্যজনকভাবে ম্যানেজ করে আরেফা বেগমের চারিত্রিক দোষের নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের আয়োজন সম্পন্ন করে।
এদিকে বৃহস্পতিবার একদল সাংবাদিক তার গ্রামের বাড়িতে গেলে আরেফা ও তার কৃষক পিতা বুকফাটা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি সংবাদকর্মীদের বৃদ্ধ নুরুল হক কর্তৃক তার অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরেন। প্রাণ নাশের আশংকায় আরেফা এখন রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা তো দূরের কথা। ঘরে বন্দি অবস্থায় থাকতে পারছেনা। বর্তমানে অষ্টম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর শিক্ষা জীবন বিনষ্টের পাশাপাশি পুরো পরিবারটি ধ্বংসের গিয়ে পৌঁছে। এলাকা, স্কুল ও পারিপার্শ্বিক প্রতিকুল অবস্থার কারণে বর্তমানে পরিবারটি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আরেফার পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবী, এমন এহেন কর্মকান্ডের অপরাধে বৃদ্ধ নুরুল হকের দ্রুত বিচার হোক এবং আরেফা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
আবদুল্লাহ নয়ন, উখিয়া থেকে ফিরে | | |

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন