নগদ নারায়নের আশায় সাধারণ ভোটার, কর্মী ও সমর্থকরা খুশীতে আটখানা
মুহাম্মদ ছলাহ উদ্দিন, টেকনাফ :
টেকনাফের হ্নীলা ইউপি নির্বাচন স্থগিত ঘোষণার খবরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার পদের ৫৮ প্রার্থীর মাথায় হাত উঠেছে। আরো এক মাস নগদ নারায়নের আশায় সাধারণ ভোটার, কর্মী ও সমর্থকরা আক্ষরিক অর্থে খুশীতে আটখানা হয়ে পড়েছে। বিকাল ৩টায় এখবর ছড়িয়ে পড়লে সবপ্রার্থী একযোগে সকল প্রচারণা বন্ধ করে দেন।
জানা যায়, ৩১ মার্চ বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার অন্যান্য ইউপির মত হ্নীলা ইউপি নির্বাচনের শেষ প্রচারণা চলছিল। সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের ত্রস্ত কুশল বিনিময়, সমর্থক-কর্মীদের সরব আনাগোনা, পাবলিসিটির মাইকগুলোতে কর্মীদের করুণ বিলাপ যখন জমজমাট ঠিক তখনই খবর এল হ্নীলা ইউপির নির্বাচন স্থগিত। অমনি সবকিছু থমকে যায়। যেন পিনপতন নিস্তব্ধতা। প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকরা সবকিছু ফেলে মোবাইলের পর মোবাইল করছেন উপজেলা প্রশাসনে, নির্বাচন অফিসে ও সংবাদকর্মীদের কাছে। তাৎক্ষণিক কেউ সঠিক খবর দিতে না পারায় তাদের অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পাড়া-মহল্লায় মাইকের হৈ-হুল্লোড়, কর্মীদের দৌঁড়াদৌড়ি, সমর্থকদের বিনয়ী চলাফেরা সব বন্ধ থাকায় এ খবর সাধারণ ভোটারের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সংবাদকর্মীরা জেলা নির্বাচন অফিসে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করলে ক্লান্ত-শ্রান্ত প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকরা যার যার বাড়ীতে চলে যায়।
এদিকে ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের ৩৯ জন মেম্বার পদপ্রার্থী, ৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৩ জন মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী এবং ৬ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তালা প্রতীকের মাহবুব মোরশেদ, আনারস প্রতীকের জালাল উদ্দিন চৌধুরী, কাপ-পিরিচ প্রতীকের মীর কাশেম এবং দেয়াল-ঘড়ি প্রতীকের এইচকে আনোয়ার এবং অপর ২ ড্যামি প্রার্থী নিরবে-নিবৃত্তে নিজ নিজ বাড়ীতে ফিরে গেছে। অন্যদিকে প্রত্যেক প্রার্থীর দীর্ঘ সপ্তাধিক সময়ে পুরো ইউনিয়নকে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম করা কর্মী-সমর্থকরাসহ সাধারণ খেটে খাওয়া ভোটারেরা খুশীতে আটখানা হয়ে উঠেছে। তাদের কাছ থেকে খোঁজ-খবর নিয়ে এবং আলাপচারিতায় জানা গেছে, প্রায় প্রত্যেক প্রার্থী প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ১৫ থেকে ২৫ জন করে কর্মী নিয়োগ দিয়েছে। প্রতিজন ৩/৫শ' টাকা করে সম্মানী পেতেন। এছাড়া সাধারণ খেটে খাওয়া ভোটারেরাও হাতে তোলা ১শ' থেকে ২শ' টাকা করে পেতেন। মোচনী পাড়ার ছৈয়দ নামের এক কর্মী আক্ষেপ করে বলেন, 'ওফ! ড-অর চিন্তাত আচ্ছিলাম। আর দুইয়ান দিন বাদে টিঁয়া-পয়সা আর ন ফাইতাম। এবারত এম্মাস সময় ফাইয়ি। এলা প্রত্তিদিন টিঁয়া ফাইয়ূম।' লেচুয়া প্রাং এলাকার শমশু জানান, 'আল্লা মিলাইয়ে বলি এ সুযোগ ফাইয়িদে!'
মুহাম্মদ ছলাহ উদ্দিন, টেকনাফ :
টেকনাফের হ্নীলা ইউপি নির্বাচন স্থগিত ঘোষণার খবরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার পদের ৫৮ প্রার্থীর মাথায় হাত উঠেছে। আরো এক মাস নগদ নারায়নের আশায় সাধারণ ভোটার, কর্মী ও সমর্থকরা আক্ষরিক অর্থে খুশীতে আটখানা হয়ে পড়েছে। বিকাল ৩টায় এখবর ছড়িয়ে পড়লে সবপ্রার্থী একযোগে সকল প্রচারণা বন্ধ করে দেন।
জানা যায়, ৩১ মার্চ বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার অন্যান্য ইউপির মত হ্নীলা ইউপি নির্বাচনের শেষ প্রচারণা চলছিল। সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের ত্রস্ত কুশল বিনিময়, সমর্থক-কর্মীদের সরব আনাগোনা, পাবলিসিটির মাইকগুলোতে কর্মীদের করুণ বিলাপ যখন জমজমাট ঠিক তখনই খবর এল হ্নীলা ইউপির নির্বাচন স্থগিত। অমনি সবকিছু থমকে যায়। যেন পিনপতন নিস্তব্ধতা। প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকরা সবকিছু ফেলে মোবাইলের পর মোবাইল করছেন উপজেলা প্রশাসনে, নির্বাচন অফিসে ও সংবাদকর্মীদের কাছে। তাৎক্ষণিক কেউ সঠিক খবর দিতে না পারায় তাদের অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পাড়া-মহল্লায় মাইকের হৈ-হুল্লোড়, কর্মীদের দৌঁড়াদৌড়ি, সমর্থকদের বিনয়ী চলাফেরা সব বন্ধ থাকায় এ খবর সাধারণ ভোটারের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সংবাদকর্মীরা জেলা নির্বাচন অফিসে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করলে ক্লান্ত-শ্রান্ত প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকরা যার যার বাড়ীতে চলে যায়।
এদিকে ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের ৩৯ জন মেম্বার পদপ্রার্থী, ৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৩ জন মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী এবং ৬ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তালা প্রতীকের মাহবুব মোরশেদ, আনারস প্রতীকের জালাল উদ্দিন চৌধুরী, কাপ-পিরিচ প্রতীকের মীর কাশেম এবং দেয়াল-ঘড়ি প্রতীকের এইচকে আনোয়ার এবং অপর ২ ড্যামি প্রার্থী নিরবে-নিবৃত্তে নিজ নিজ বাড়ীতে ফিরে গেছে। অন্যদিকে প্রত্যেক প্রার্থীর দীর্ঘ সপ্তাধিক সময়ে পুরো ইউনিয়নকে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম করা কর্মী-সমর্থকরাসহ সাধারণ খেটে খাওয়া ভোটারেরা খুশীতে আটখানা হয়ে উঠেছে। তাদের কাছ থেকে খোঁজ-খবর নিয়ে এবং আলাপচারিতায় জানা গেছে, প্রায় প্রত্যেক প্রার্থী প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ১৫ থেকে ২৫ জন করে কর্মী নিয়োগ দিয়েছে। প্রতিজন ৩/৫শ' টাকা করে সম্মানী পেতেন। এছাড়া সাধারণ খেটে খাওয়া ভোটারেরাও হাতে তোলা ১শ' থেকে ২শ' টাকা করে পেতেন। মোচনী পাড়ার ছৈয়দ নামের এক কর্মী আক্ষেপ করে বলেন, 'ওফ! ড-অর চিন্তাত আচ্ছিলাম। আর দুইয়ান দিন বাদে টিঁয়া-পয়সা আর ন ফাইতাম। এবারত এম্মাস সময় ফাইয়ি। এলা প্রত্তিদিন টিঁয়া ফাইয়ূম।' লেচুয়া প্রাং এলাকার শমশু জানান, 'আল্লা মিলাইয়ে বলি এ সুযোগ ফাইয়িদে!'
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন