উখিয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরুর লক্ষ্যে এক সভা গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইউএনও আসিফ বিন ইকরামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় প্রশাসন ও আওয়ামীলীগ নেতাদের মধ্যে তুমূল বাক-বিতন্ডা হট্টগোল হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়
সাংসদের মনোনীত দেয়া কমিটিকে ব্যাপক অনিয়ম দাবী করে আওয়ামীলীগের উপজেলা সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী ও সম্পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান। সভাতে আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক শাহজাহান সিকদার কর্মসৃজনের কাজ ২১ দিন পরও শুরু না হওয়ায় ইউএনও কে দায়ী করে বলেন,গেল কর্মসৃজনেও তাঁর ব্যর্থতার জন্য এ প্রকল্পের ১৫ লাখ টাকা ফেরত গেছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী বলেন,সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী আগামী শনিবার (২এপ্রিল) থেকে উখিয়ার ৫টি ইউনিয়নে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের অধীনে ২০৪৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করার সিদান্ত গৃহীত হয়েছে। সাংসদের মনোনীত কমিটিতে পরিপত্রের আলোকে উপজেলা কমিটিতে আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম না থাকায় ইউএনও আসিফ বিন ইকরাম তাদের অভিযোগ আমলে নিতে পারেনি।
ককসবাজার ২ডে
সাংসদের মনোনীত দেয়া কমিটিকে ব্যাপক অনিয়ম দাবী করে আওয়ামীলীগের উপজেলা সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী ও সম্পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান। সভাতে আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক শাহজাহান সিকদার কর্মসৃজনের কাজ ২১ দিন পরও শুরু না হওয়ায় ইউএনও কে দায়ী করে বলেন,গেল কর্মসৃজনেও তাঁর ব্যর্থতার জন্য এ প্রকল্পের ১৫ লাখ টাকা ফেরত গেছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী বলেন,সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী আগামী শনিবার (২এপ্রিল) থেকে উখিয়ার ৫টি ইউনিয়নে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের অধীনে ২০৪৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করার সিদান্ত গৃহীত হয়েছে। সাংসদের মনোনীত কমিটিতে পরিপত্রের আলোকে উপজেলা কমিটিতে আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম না থাকায় ইউএনও আসিফ বিন ইকরাম তাদের অভিযোগ আমলে নিতে পারেনি।
ককসবাজার ২ডে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন