কক্সবাজার নিউজ:
কক্সবাজারের মহেশখালীর ৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষ,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,ইট পাটকেল নিক্ষেপ,বাড়ী ঘর ব্যবসা প্রতিষ্টান ভাংচুর ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নারী, শিশু সহ ২ দিনে ২ শতাধিক আহত হয়েছে। পুলিশের লাঠি চার্জে আহত হয়েছে আরো ৩০ জন। সকালে এলাকার লোকজন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। সংঘটিত ঘটনার প্রেক্ষিতে রাত ৯ টা
থেকে ২ ইউনিয়নে ১৪৪ ধারা করা হয়েছে।এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এলাকাবাসী জানায়,৩১ মার্চ মহেশখালীর ৬ ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্টিত হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ বিকালে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার ঘোষনা আসে। এর পর পুরো মহেশখালীতে শুরু হয় নানা গুজব। এর প্রতিবাদে নির্বাচন বন্ধ হওয়া ৬ ইউনিয়নে চলে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা। চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ৩০ মার্চ বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বড় মহেশখালী,কুতুবজোম,কালারমারছড়া ও মাতারবাড়ীতে চলে দফায় দফায়, সংঘর্ষ,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,ইট পাটকেল নিক্ষেপ,বাড়ী ঘর ব্যবসা প্রতিষ্টান ভাংচুর ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা। ৩০ মার্চ সন্ধা ৭টার দিকে মহেশখালীর বড় মহেশখালীর নতুন বাজারে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ বাদশা ও এনায়ত উল্লাহ বাবুলের ২ সমর্থকের মধ্যে নির্বাচন বন্ধ হওয়া প্রসঙ্গ নিয়ে ঝগড়া হয়। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী শরিফ বাদশার শতাধিক সমর্থক এসে বাজারের দোকান পাট ভাংচুর শুরু করলে উভয় গ্রুগের শত শত সমর্থক ধাওয়া পাল্টা, ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপ নতুন বাজারের দুই দিকে অবস্থান নিয়ে বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিজিবি,র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা ছুঠে গিয়ে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে বলে কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান।
অপর দিকে রাত পৌনে ৮ টার দিকে কুতুমজুম ইউনিয়নে ২ চেযারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থী বোরহান খোন্দকার পাড়া বাজারে প্রতিবাদ সভা করলে অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান কবির আহমদের সমর্থকরা প্রতিবাদ সভায় হামলা চালায়। এসময় দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বাজার ও আশপাশের গ্রামে দোকান এবং বাড়ী ঘরে ভাংচুর ও লুটপাট চলে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম কাউসার হোসেন ও পুলিশ দল ঘটনা স্থলে পৌঁছলে উশৃঙখল জনতা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ীতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়।
সংঘর্ষের ঘটনায় আহত যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন,নুর
মাঝি,বখতিয়ার,আলম,ওসমান,গফুর,বাদশা,আবছারও সরওয়ার। সংঘর্ষ চলাকালে ছাবের,ছাবু,করিম,রহিম,বাদশা,
আবু উবাইদা,হাশেম,শুক্কুর,আমিন,আবছারের সহ ২০ টি বাড়ী ঘর এবং রহিম মিয়া, মাহফুজ, মান্নান,বাদশা,রফিকের সহ ১০ টি দোকান ভাংচুর ও লুট পাট হয়। মাতারবাড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও অপর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় সাইফুল ইসলাম,মাসুদ আহমদ,কাশেম,ফরিদ,সালাহ উদ্দিন,হারুন, মোরশেদ আলম সহ অনেকে। একই সময় কালারমারছড়ার আধাাঁর ঘোনায় ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্মথকদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ জন আহত হয়। হোয়ানকের কালালিয়া কাটায় ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। পৃথক এসব ঘটনায় নারী, শিশু সহ ২ দিনে ২ শতাধিক আহত হয়েছে পুলিশ ও এলাকার লোকজন জানিয়েছেন।
এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে ৩০ মার্চ রাত ৯টা থেকে প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলে ও গতকাল সকালে কুতুবজুম, বড় মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে স্থানীয় জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এসময় কুতুবজুম এলাকায় পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ জন আহত হয় বলে ঐ এলাকার চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ বোরহান উদ্দিন জানান।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটি এম কাউসার হোসেন জানান,মহেশখালীর ২ ইউনিয়নে এখনো ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তিনি বলেন, আমি সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে কথা বলে ঘটনা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।
মহেশখালী থানার ওসি মাহবুবুল হক বলেন, পৃথক সংঘঠিত ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেফতার বা আটক ও করা হয়নি। তবে পুলিশের লাঠি চার্জের ঘটনা তিনি অস্বীকার করেছেন। পুরো এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বড় মহেশখালীর ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে ৩০ মার্চ রাত ৯টা থেকে প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা করেছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীর ৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষ,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,ইট পাটকেল নিক্ষেপ,বাড়ী ঘর ব্যবসা প্রতিষ্টান ভাংচুর ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নারী, শিশু সহ ২ দিনে ২ শতাধিক আহত হয়েছে। পুলিশের লাঠি চার্জে আহত হয়েছে আরো ৩০ জন। সকালে এলাকার লোকজন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। সংঘটিত ঘটনার প্রেক্ষিতে রাত ৯ টা
থেকে ২ ইউনিয়নে ১৪৪ ধারা করা হয়েছে।এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এলাকাবাসী জানায়,৩১ মার্চ মহেশখালীর ৬ ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্টিত হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ বিকালে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার ঘোষনা আসে। এর পর পুরো মহেশখালীতে শুরু হয় নানা গুজব। এর প্রতিবাদে নির্বাচন বন্ধ হওয়া ৬ ইউনিয়নে চলে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা। চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ৩০ মার্চ বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বড় মহেশখালী,কুতুবজোম,কালারমারছড়া ও মাতারবাড়ীতে চলে দফায় দফায়, সংঘর্ষ,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,ইট পাটকেল নিক্ষেপ,বাড়ী ঘর ব্যবসা প্রতিষ্টান ভাংচুর ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা। ৩০ মার্চ সন্ধা ৭টার দিকে মহেশখালীর বড় মহেশখালীর নতুন বাজারে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ বাদশা ও এনায়ত উল্লাহ বাবুলের ২ সমর্থকের মধ্যে নির্বাচন বন্ধ হওয়া প্রসঙ্গ নিয়ে ঝগড়া হয়। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী শরিফ বাদশার শতাধিক সমর্থক এসে বাজারের দোকান পাট ভাংচুর শুরু করলে উভয় গ্রুগের শত শত সমর্থক ধাওয়া পাল্টা, ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপ নতুন বাজারের দুই দিকে অবস্থান নিয়ে বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিজিবি,র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা ছুঠে গিয়ে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে বলে কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান।
অপর দিকে রাত পৌনে ৮ টার দিকে কুতুমজুম ইউনিয়নে ২ চেযারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থী বোরহান খোন্দকার পাড়া বাজারে প্রতিবাদ সভা করলে অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান কবির আহমদের সমর্থকরা প্রতিবাদ সভায় হামলা চালায়। এসময় দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বাজার ও আশপাশের গ্রামে দোকান এবং বাড়ী ঘরে ভাংচুর ও লুটপাট চলে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম কাউসার হোসেন ও পুলিশ দল ঘটনা স্থলে পৌঁছলে উশৃঙখল জনতা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ীতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়।
সংঘর্ষের ঘটনায় আহত যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন,নুর
মাঝি,বখতিয়ার,আলম,ওসমান,গফুর,বাদশা,আবছারও সরওয়ার। সংঘর্ষ চলাকালে ছাবের,ছাবু,করিম,রহিম,বাদশা,
আবু উবাইদা,হাশেম,শুক্কুর,আমিন,আবছারের সহ ২০ টি বাড়ী ঘর এবং রহিম মিয়া, মাহফুজ, মান্নান,বাদশা,রফিকের সহ ১০ টি দোকান ভাংচুর ও লুট পাট হয়। মাতারবাড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও অপর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় সাইফুল ইসলাম,মাসুদ আহমদ,কাশেম,ফরিদ,সালাহ উদ্দিন,হারুন, মোরশেদ আলম সহ অনেকে। একই সময় কালারমারছড়ার আধাাঁর ঘোনায় ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্মথকদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ জন আহত হয়। হোয়ানকের কালালিয়া কাটায় ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। পৃথক এসব ঘটনায় নারী, শিশু সহ ২ দিনে ২ শতাধিক আহত হয়েছে পুলিশ ও এলাকার লোকজন জানিয়েছেন।
এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে ৩০ মার্চ রাত ৯টা থেকে প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলে ও গতকাল সকালে কুতুবজুম, বড় মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে স্থানীয় জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এসময় কুতুবজুম এলাকায় পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ জন আহত হয় বলে ঐ এলাকার চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ বোরহান উদ্দিন জানান।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটি এম কাউসার হোসেন জানান,মহেশখালীর ২ ইউনিয়নে এখনো ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তিনি বলেন, আমি সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে কথা বলে ঘটনা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।
মহেশখালী থানার ওসি মাহবুবুল হক বলেন, পৃথক সংঘঠিত ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেফতার বা আটক ও করা হয়নি। তবে পুলিশের লাঠি চার্জের ঘটনা তিনি অস্বীকার করেছেন। পুরো এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বড় মহেশখালীর ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে ৩০ মার্চ রাত ৯টা থেকে প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা করেছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন