সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

উখিয়ায় টানা বর্ষন অব্যাহত : নিম্নাঞ্চল সহ ২শতাধিক চিংড়ি ঘের প্লাবিত : ২০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি



শফিউল ইসলাম আজাদ,উখিয়া:  
গত ৫দিনের বর্ষনে উখিয়ার নিম্নাঞ্চল সহ দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে । উপকূলের প্রায় ২০হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে মানবেতর দিন যাপন করছে । ২০টি আঞ্চলিক সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রায় ৪শতাধিক বসতবাড়ী তলিয়ে যাওয়ায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে শতশত পরিবার। বর্ষন অব্যাহত থাকার ফলে বিশেষ করে খেটে খাওয়া পরিবার গুলোকে সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তা-ব্যক্তিরা দুর্যোগ কবলিত এলাকা পরির্দশন করলেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের কোন সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করা হয়নি।  অভিজ্ঞজনরা মনে করছেন, বর্ষন অব্যাহত থাকলে এখানে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। 
জালিয়া পালং ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকা মনখালী থেকে শুরু করে ইনানী পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি বসবাসরত প্রায় ২০হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে, প্রায় ৩শতাধিক পরিবার। স্থানীয় মেম্বার সোলতান আহমদ জানান, মনখালী খালের ভাঙ্গনে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ী বিলীন হয়ে পড়ার আশংখা রয়েছে। পাশাপাশি ঝাউগাছ ভাঙ্গন ও লোটপাট অব্যাহত রয়েছে। এখানকার কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও তা ঝুকিপূর্ণ হওয়াতে মানুষ সেখানে আশ্রয় নিচ্ছেনা। তিনি জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা ও পরিদর্শনে আসছেনা। এদিকে পালংখালী এলাকার ২শতাধিক চিংড়ি ঘের বিলীন হয়ে গেছে বলে স্থানীয় চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, পালংখালী এলাকায় প্রায় ১০/১২টি আঞ্চলিক সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার। পানির উচ্চতা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শতাধিক বসতবাড়ী পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার পূর্বাঞ্চলের ডিগলিয়া, ডেইলপাড়া, হাতিমোরা, করইবনিয়া, চাকবৈঠার যোগাযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির নিরূপন করা হচ্ছে। তবে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে। 

কোন মন্তব্য নেই: