মোঃ রেজাউল করিম:
নবাগত পুলিশ সুপার কক্সবাজারে এসে দায়িত্ব দায়িত্ব নেয়ার পরপরেই জেলা ব্যাপী পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে। তাছাড়া কক্সবাজার শহরকে মডেল নগরী হিসেবে গড়ার পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন ষ্ট্শেন শহরকে ও যানজট মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঈদগাঁও পুলিশ স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম ঈদগাঁও বাসষ্টেনকে যানজট মুক্ত করেছে। সরেজমিনে দেখা যায়,ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আনোয়ার হোসেন খাঁন,এ এস আই শরীফ উল্লাহ ও শরীফ হাসানের যৌথ নেতৃত্বে একদল পুলিশের সহায়তায় একটানা কয়েকদিন পরিশ্রম করে অবশেষে ঈদগাঁও বাসষ্টেশনকে যানজট মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে দূর্ঘটনা সহ বিভিন্ন সমস্যা থেকে জনগণ রেহাই পাবে। জানা যায়,দীর্ঘ একযুগ যাবত ঈদগাঁও বাসষ্টেশন বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার চলাচলের রাস্তার উপরেই ছিল। অপর দিকে কোন পরিবহনের নির্দিষ্ট পার্কিং না থাকায় তারাও আরকান সড়কের উপরেই যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখায় ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে বার বার দূর্ঘটনা বেড়েই চলছিল। সম্প্রতি নবাগত পুলিশ সূপারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ অবশেষে ঈদগাঁও পুলিশ পালন করতে সক্ষম হয়েছে। অপরদিকে ঈদগাঁও লাইন,সি লাইন ও হিল লাইনের পার্কিং পূর্বের মতই এখনো মহা সড়কের উপরে থাকায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মহাসড়ক থেকেই ঈদগাঁও বাসষ্টেনস্থ সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা মাছ বাজার অনতিবিলম্বে অন্যত্রে সরিয়ে না নিলে দূর্ঘটনা লেগে থাকবে বলে সচেতন মহলের ধারণা। তবে মহাসড়কের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের বিশাল অংশ ফাঁকা হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের চিহ্ন ফুটে উঠেছে বলে মহাসড়ক দেখলেই বুঝা যায়। এলাকাবাসীর ধারণা নবাগত পুলিশ সুপার শুরু যে ভাবে করেছে শেষ ও যদি সেই ভাবে দায়িত্বের উপর অর্পিত থেকে যায় তা হলে তার শেষ সময় ও একই রকম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে এলাকার জনগণ বলতে শুনা যায় সূর্য উদীত হলে বুঝা যায় দিনটা কি ভাবে যাবে। তাই নবাগত পুলিশ সূপার এসেই মাত্র কয়েকদিনের মাথায় ককসবাজার জেলা সহ বিভিন্ন ষ্ট্শেন ও বাজার থেকে যানজট মুক্ত করায় জেলাবাসী তাকে সাধুবাদ জানিয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন