সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

সমুদ্র সৈকতে বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে পোনা নিধনের মহোৎসব


শরিফ আজাদ, উখিয়ানিউজ২৪
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে পোনা নিধনের মহোৎসব। ফলে এতে করে যেমনি ভাবে বিনষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য টিক তেমনি ভাবে ধ্বংস হচ্ছে সাগরের মৎস্য ভান্ডার। প্রসাশনের চোখের সামনে পোনা নিধন চললেও কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। তাই পোনা নিধনকারীরা জীবিকার তাগিদে দেদারসে চিংড়ি পোনার পাশাপাশি অন্য মাছের পোনা গুলোধরে তা ধ্বংস করছে। এদিকে খুব ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পোনা নিধনযজ্ঞে দৃশ্যগলো দেখে পর্যটকদের বিরোপ মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছে।

জানা যায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। সাগরকন্যা পর্যটন রাজধানী হিসেবে কক্সবাজারের নাম বিশ্বের অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সাগর, পাহাড়, নদী আর কয়েকটি দর্শনীয় স্থান এ কক্সবাজারকে বিশ্বের কাছে মাথা তুলে দাড়াতে সুযোগ করে দিয়েছে। নৈর্সগিক সৌন্দর্য্যের লীলা ভূমি কক্সবাজারে রয়েছে অপার সম্ভবনা। এ অপার সম্ভাবনার একটি উপকরণ জেলা মৎস্য সম্পদ। কিন' বর্তমান সময়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারীদের কবলে পড়ে ধ্বংস হতে যাচ্ছে সমুদ্রের মৎস্য ভান্ডার। ফলে আগামীতে মাছের আকাল আরও তীব হতে পারে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে পোনা নিধনের মহোৎসব। বিশেষ করে কলাতলী, হিমছড়ী, বড়ছড়া, সোনার পাড়া, নিধানীয়া থেকে  টেকনাফ পর্যন্ত বিশাল সমুদ্র সৈকতে দিন রাত চিংড়ি পোনা আহরনের নামে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসের মহাযজ্ঞ। প্রসাশনের কোন তৎপরতা না তাকায় পোনা নিধনের কাজে নিয়োজিত শত শত মানুষ নির্বিন্তে চালিয়ে যাচ্ছে মৎস্য ভান্ডার ধ্বংসের একর্মকান্ড।
সৈকতে পোনা আহরণকারী রুবেল জানায়, জীবিকার তাগিদে পরিবারের আর্থিক অভাব অনটন দুর করতে সাগরের পোনা ধরা কাজ করি। তার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরাও পোনা ধরনের কাজে নিয়োজীত রয়েছে। সে আরও জানায়, সাগরে পোনা ধরার সময় পুলিশ মাঝে মধ্যে আমাদের ধাওয়া করে। পরে তাদের টাকা দিয়ে আবার পোনা ধরার কাজ চালায়। তাদের দাবী চিংড়ি পোনা ছাড়া অন্য মাছের পোনা মাটিতে না ফেলে সাগরে ছেড়ে দেয়। সচেতন মহলের মতে এভাবে চলতে থাকলে এসময় গিয়ে সমুদ্রে মাছের আকাল থাকবে সবসময়। এক্ষেত্রে একমাত্র সমুদ্র সৈকতে দায়িত্বরত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই পারে এ আকাল থেকে জেলাবাসীকে রক্ষা করতে।


উখিয়ার বির্তকিত ইউএনওর অবশেষে বদলি : জনমনে স্বস্তির নিঃশ্বাস
শরিফ আজাদ, উখিয়ানিউজ২৪ তারিখ-০৮/০৭/২০১১ ইং।
উখিয়া  উপজেলার বহুল আলোচিত ও সমালোচিত উপজেলা নিবার্হী অফিসার এ এইচ এম আসিফ বিন ইকরামকে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বদলি করা হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী দায়িত্ব পালনে অবহেলা, স্বেচ্ছাচারিতা, কর্মচারীদের সাথে অশুভ আচরণ, অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার ভূমির দায়িত্ব পালনে প্রত্যেক নামজারি খতিয়ান সৃজন থেকে অবৈধ ভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব অবহেলা সহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ গোয়েন্দা দপ্তর থেকে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করার প্রেক্ষিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সিদ্ধান্তে এ কর্মকর্তাকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যাস্ত করা হয়। তার বদলির সংবাদে ভূক্তভোগী অনেক সাধারণ জনগণের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে। অনেককে মিষ্টি বিতরণ করতেও দেখা গেছে। অপরদিকে একটি সুবিধাভোগী চক্র ইউএনওর এ বদলির আদেশ ঠেকানোর জন্য দেন-দরবার চালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য যে, এ কর্মকর্তা উখিয়ায় দায়িত্ব  পালনকালে ক্ষমতাসীন  আওয়ামীলীগের উখিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মী তাদের আঁখের গুছানোরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ওই নেতারাই তাকে বহাল রাখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, ইতিপূর্বে উক্ত ইউএনওর মাঝে মধ্যে ঝোক ছুটলে সকালে অফিসে তাঁর ও অফিস সহকারীর কক্ষের তালা ভেঙ্গে অফিসে প্রবেশ করে এবং অফিসের বিভিন্ন জিনিসপত্রও ভাংচুর চালায়। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় দিবস পালনের সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে রহস্যজনক আচরণ দেখে হতভাত হয়েছিল উপস্থিত জনতা।...

কোন মন্তব্য নেই: