উখিয়া নিউজ
উখিয়া উপজেলা দুই-তৃতীয়াংশ পরিবার দারিদ্র সীমার নিচে বাস করায় প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অজ্ঞতা ও দারিদ্রতা কষাঘাতে জরজরিত হয়ে দিন কাঠাচ্ছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু-কিশোর, গর্ভবতী ও প্রসুতি মা পুষ্টিহীতায় আক্রান্ত হয়ে দূর্বিষহ জীবন যাপন করছে। জাতীয় পুষ্টি কার্যক্রমের বেসরকারী একটি উন্নয়ন সংস্থা উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে জরীপ করে এ তথ্য দেয়। কক্সবাজার
জেলা অবহেলিত এই জনপদের ৮০ শতাংশ গরীব অধ্যুষিত এ উপজেলার ৭০ শতাংশ মানুষ অপুষ্টিতে আক্রান্ত। দারিদ্রতার কষাঘাতে জরজরিত গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য শিশু-কিশোর বিভিন্ন শ্রমের সাথে জড়িয়ে পড়ার কারনে শিশু-কিশোররা পুষ্টিহীনতায় ভোগছে। পুষ্টিহীনতার কারনে রাতকানা রোগের মত কঠিন রোগে আক্রন্ত হলেও সু-চিকিৎসার জন্য সরকারী বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসেনি। পুষ্টিহীনতার কারনে গর্ভবতী মায়েরা মানবতার দিন যাপন করছে। তথ্য সূত্র মতে এই উপজেলার যত্রতত্র কৃষিপন্য অবাধে কীটনাশক ব্যবহার বৃদ্ধি, হাটবাজারে ভেজাল পন্য সামগ্রী বিক্রি, হোটেল রেস'রেন্টে অপরিচ্ছন্ন ও বাসী কাবার, ইটভাটা ও ডিজেল চালিত যানবাহনের কালো ধুয়া পরিবেশ বিপন্ন করছে। যে কারনে শিশু-কিশোর সহ অসংখ্য মহিলা পুষ্টিহীনতায় ভোগছে। সচেতন মহল মনে করেন, সরকারের পাশাপাশি এনজিও সংস্থাগুলো পুষ্টি কার্যক্রমের উপর গুরুত্ব দিলে এ উপজেলায় পুষ্টিহীনতা অনেকটা কমে আসবে। এব্যাপারে উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট একে এম শাহ জালাল চৌধুরী জানান, বর্তমান সরকারে প্রধানমন্ত্রী পুষ্টিহীনতা দূর করতে প্রচুর প্রদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। যার বাস্তবায়ন মাঠে দেখা যাচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন জানান, সরকার জনগনের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু করা ও নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা এবং সারা দেশে স্বাস্থ্য সেবার জন্য ৩২,০০০ হাজার লোক নিয়োগ দিয়েছে। যা এই উপজেলায়ও দেখা যাচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন