সরওয়ার আলম শাহীন, উখিয়া,
উখিয়ায় ভারী বর্ষন অব্যাহত রয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার কারনে শতাধিক কাচাঁ ঘরবাড়ী বিধ্বর্স্ত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলের পানিতে জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে ২০ গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্ধি হয়ে মানবেতর দিন যাপন করলেও প্রশাসনের দেখা নেই। বিশেষ করে কেটে খাওয়া পরিবার গুলোতে অনাহারে অর্ধহারে দিন যাপন করতে হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে।
পালংখালী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন,
অবিরাম বর্ষনের ফলে পালংখালীর এক-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে রহমতের বিল, আনজুমান পাড়া, তাজনিমার খোলা, নলবনিয়া, ধামনখালী, ফারিরবিল সহ ১০টি গ্রাম জন বিচ্ছিন্ন হয়ে শতশত মানুষ পানিবন্ধি হয়েছে। প্রায় অর্ধশতাধিক চিংড়ি ঘেরের উপরে সমুদ্রের মত পানি থৈ থৈ করছে। থাইংখালী ষ্টেশনের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের দেখা নেই। জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোলতান আহমদ বলেন, মনখালী খালের ভাঙ্গনে শতশত ঝাউগাছ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্তউপকূলের কাছাকাছি ৭/৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে শতশত পরিবার পানির নিচে অবস্থান করছে। পাহাড়ী ঢলের পানির সাথে মাটি মিশ্রিত বালি এসে এলজিইডি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উপকূলের শতশত মাছ ধরার নৌকা নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া ও রাজাপালং, রত্নাপালং, ও হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পাগলির বিল, বড়বিল, চৌধুরীপাড়া, কুমারপাড়া. সহ রেজু খালের জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লম্বরীপাড়ায় ভয়াবহ ভাঙ্গন ধরেছে। এসব এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ী ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী বলেন, প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ' এলাকা পরিদর্শন করা হচ্ছে। তিনি ক্ষতিগ্রস' আর্থিক সাহায্য প্রদানের ব্যাপারে নবাগত জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
(ছবির ক্যাপসন- ১/ উখিয়ায় ব্যাহত বর্ষন পানি বন্দী ভুমি অফিস।
২/ পানিতে ডুবে গেছে উখিয়া বাজার রোড।
সরওয়ার আলম শাহীন
উখিয়ায় ভারী বর্ষন অব্যাহত রয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার কারনে শতাধিক কাচাঁ ঘরবাড়ী বিধ্বর্স্ত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলের পানিতে জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে ২০ গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্ধি হয়ে মানবেতর দিন যাপন করলেও প্রশাসনের দেখা নেই। বিশেষ করে কেটে খাওয়া পরিবার গুলোতে অনাহারে অর্ধহারে দিন যাপন করতে হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে।
পালংখালী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন,
অবিরাম বর্ষনের ফলে পালংখালীর এক-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে রহমতের বিল, আনজুমান পাড়া, তাজনিমার খোলা, নলবনিয়া, ধামনখালী, ফারিরবিল সহ ১০টি গ্রাম জন বিচ্ছিন্ন হয়ে শতশত মানুষ পানিবন্ধি হয়েছে। প্রায় অর্ধশতাধিক চিংড়ি ঘেরের উপরে সমুদ্রের মত পানি থৈ থৈ করছে। থাইংখালী ষ্টেশনের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের দেখা নেই। জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোলতান আহমদ বলেন, মনখালী খালের ভাঙ্গনে শতশত ঝাউগাছ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্তউপকূলের কাছাকাছি ৭/৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে শতশত পরিবার পানির নিচে অবস্থান করছে। পাহাড়ী ঢলের পানির সাথে মাটি মিশ্রিত বালি এসে এলজিইডি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উপকূলের শতশত মাছ ধরার নৌকা নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া ও রাজাপালং, রত্নাপালং, ও হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পাগলির বিল, বড়বিল, চৌধুরীপাড়া, কুমারপাড়া. সহ রেজু খালের জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লম্বরীপাড়ায় ভয়াবহ ভাঙ্গন ধরেছে। এসব এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ী ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী বলেন, প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ' এলাকা পরিদর্শন করা হচ্ছে। তিনি ক্ষতিগ্রস' আর্থিক সাহায্য প্রদানের ব্যাপারে নবাগত জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
(ছবির ক্যাপসন- ১/ উখিয়ায় ব্যাহত বর্ষন পানি বন্দী ভুমি অফিস।
২/ পানিতে ডুবে গেছে উখিয়া বাজার রোড।
সরওয়ার আলম শাহীন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন