|
পর্যটন শহরের দীর্ঘদিনের যানজট থেকে অনেকটা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলছে শহরবাসী। ফলে আসন্ন রমজান মাসে শহরবাসী যানজটের চরম দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। আর এ জন্য তাঁরা নবাগত পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। কক্সবাজার শহরের ব্যবসায়ী কাজল দাশ বলেন, হঠাৎ রাস্তা থেকে অসংখ্য যানবাহন উধাও হয়ে গেছে। লাইনে লাইনে চলছে প্রায় সব যানবাহন। পরে জানা যায় নতুন পুলিশ সুপার আসার পর শহরকে যানজট মুক্ত রাখার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
কয়েকজন পথচারী জানান, দিনের বেলায় একটিও দূরপাল্লার ভারী যানবাহন না দেখায় প্রথমে মনে করেছিলাম কোন হরতাল কিনা। পরে জানলো দিনে ভারী যানবাহন চলাচলের যে সিদ্ধান্ত ছিল তা দীর্ঘদিন পর হলেও পুলিশ সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন করছে। সরেজমিনে পৌর শহরের প্রধান সড়কের চিত্র পাল্টে গেছে। রাস্তার উপর ভারী যানবাহন ও দূর পাল্লার গাড়ি দাঁড়িয়ে নেই। এসব গাড়ি সারাদিনের জন্য উধাও হয়ে যায়। নিয়ম মেনে রাতেই শহর থেকে গাড়ি চলাচল করছে। এদিকে রিক্সা ও টমটমের শহর নামে পরিচিত কক্সবাজার থেকে অবৈধ রিক্সা ও টমটম আটকের অভিযানও শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। গত ২ দিনের অভিযানে ৩শর মতো রিক্সা ও শতাধিক টমটম আটক করে।
নবাগত পুলিশ সুপারের এ শুভ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কক্সবাজারের সচেতন লোকজন বলেন, শহর থেকে চিরতরে যানজট মুক্ত করার জন্য শহরের ভেতরে দূরপাল্লার গাড়ির কাউন্টার স্থায়ীভাবে সরিয়ে নেয়া প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সব যানবাহন পার্কিং করার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষনও করেন।
কক্সবাজার জেলার নতুন পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, কক্সবাজার একটি পর্যটন জেলা। এখানে বছরের প্রতিটা সময় পর্যটকে ভরপুর থাকে। পর্যটক এবং শহরবাসী যেন দীর্ঘদিনের চিরচেনা যানজট থেকে মুক্ত থাকতে পারে সেটাই আমার লক্ষ্য।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন