শরিফ আজাদ, উখিয়া
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পালং আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা উপজেলার গুনী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম প্রধান মরহুম হোছন আলী মাতবর এর ৬৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ইছালে ছওয়াব ও মেজবান অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার পাশাপাশি মহান এ ব্যক্তির ইছালে
ছওয়াব ও মেজবান নিয়ে লোকমূখে নানা ধরণের কানঘোষা চলতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মরহুম হোছন আলী মাতবরের ৬৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী ঝাকজমক ভাবে পালনের জন্য প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও পারিবারিক ও স্কুল উদ্দ্যেগ নেয়। এক পক্ষ আব্দুর রহমান বদিকে প্রধান অতিথি করে অনুষ্টান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন' অন্য পক্ষের দাবী গুটি কয়েক স্বার্থন্নেষী মহল তাদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল এবং বিভিন্ন মহল থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য পারিবারিক ও স্কুলের নিয়ম ভঙ্গ করে সংসদ আব্দুর রহমান বদিকে প্রধান অতিথি ও আওয়ামীলগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকে অতিথি করে মেজবানের আয়োজন করে। এ নিয়ে স্কুল ও পরিবারের মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
মরহুম হোছন আলী মতবরের নাতি ও স্কুলের অভিভাবক নাজিম উদ্দিন চৌধূরী সাংবাদিকদের জানান, আমার দাদা মরহুম হোছন আলী মাতবরের ইছালে ছওয়াব ও মেজবানের জন্য আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জাফর উল্লাহ চৌধূরী ৩০ হাজার টাকা অনুদান দেন। অথচ আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও স্কুলের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে গুটি কয়েক স্বার্থন্নেষী মহল মরহুম হোছন আলী মাতবরের ইছালে ছওয়াবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহল থেকে বিপুল পরিমাণ চাঁদা আদায় করে যা হোছন আলী মাতবরের পারিবারিক ঐতিহ্য প্রশ্নের সম্মূখীন হয়। এ ঘটনার জন্য নাজিম উদ্দিন চৌধূরী পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকাবাসী উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পালং আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা উপজেলার গুনী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম প্রধান মরহুম হোছন আলী মাতবর এর ৬৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ইছালে ছওয়াব ও মেজবান অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার পাশাপাশি মহান এ ব্যক্তির ইছালে
ছওয়াব ও মেজবান নিয়ে লোকমূখে নানা ধরণের কানঘোষা চলতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মরহুম হোছন আলী মাতবরের ৬৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী ঝাকজমক ভাবে পালনের জন্য প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও পারিবারিক ও স্কুল উদ্দ্যেগ নেয়। এক পক্ষ আব্দুর রহমান বদিকে প্রধান অতিথি করে অনুষ্টান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন' অন্য পক্ষের দাবী গুটি কয়েক স্বার্থন্নেষী মহল তাদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল এবং বিভিন্ন মহল থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য পারিবারিক ও স্কুলের নিয়ম ভঙ্গ করে সংসদ আব্দুর রহমান বদিকে প্রধান অতিথি ও আওয়ামীলগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকে অতিথি করে মেজবানের আয়োজন করে। এ নিয়ে স্কুল ও পরিবারের মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
মরহুম হোছন আলী মতবরের নাতি ও স্কুলের অভিভাবক নাজিম উদ্দিন চৌধূরী সাংবাদিকদের জানান, আমার দাদা মরহুম হোছন আলী মাতবরের ইছালে ছওয়াব ও মেজবানের জন্য আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জাফর উল্লাহ চৌধূরী ৩০ হাজার টাকা অনুদান দেন। অথচ আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও স্কুলের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে গুটি কয়েক স্বার্থন্নেষী মহল মরহুম হোছন আলী মাতবরের ইছালে ছওয়াবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহল থেকে বিপুল পরিমাণ চাঁদা আদায় করে যা হোছন আলী মাতবরের পারিবারিক ঐতিহ্য প্রশ্নের সম্মূখীন হয়। এ ঘটনার জন্য নাজিম উদ্দিন চৌধূরী পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকাবাসী উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন