|
ব্রীজ, কালভার্ট না থাকায় টেকনাফের একটি গ্রামের লোকজনের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাটি হচ্ছে, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড হাতিয়ারঘোনার করাচিপাড়া। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের হাতিয়ারঘোনা করাচিপাড়ার মধ্যখানে একটি ছোট ছড়ার কারণে বিভক্ত। কিন্তু এছড়া পারাপারের জন্য নেই কোন ব্রিজ বা কালর্ভাট। ছড়াটি এ এলাকার পাহাড় থেকে শুরু হয়ে টেকনাফ নাফনদীতে এসে পৌছেছে। ছড়ার ওপারের গ্রামে প্রায় ৩০০ টি পরিবারে কয়েক হাজার লোক বসবাস করছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ছড়াটি ১২ মাসই প্রবাহিত হয়। বর্ষাকালে পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিতে এছড়াটি নদীতে রূপ নেয়। বছরের প্রায় দূর্ভোগের মধ্যে গ্রামবাসী পারাপার করলেও বর্ষাকালে তা চলার অযোগ্য হয়ে পড়ে। কেননা, বর্ষাকালে ছড়ার পানিতে ব্যাপক পানির ঢল থাকে। পানির ঢল না কমা পর্যন্ত ঐ গ্রামের যোগাযোগ প্রায়ই বন্ধ থাকে। এছাড়া উক্ত গ্রামের শিশু ও শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে মারাতক ভাবে বঞ্চিত হচ্ছে। উক্ত গ্রাম থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় ২ থেকে আড়াই কিঃ মিঃ দূরে। এছড়াতে সবসময় পানির ঢল থাকায় অভিভাবকরা শিশুদের এছড়া পাড় করে বিদ্যালয়ে যাওয়া নিরাপদ মনে করে না। এখন উক্ত গ্রামের কয়েক হাজার লোকের প্রাণের দাবী হিসেবে দাড়িয়েছে ছড়ার উপর ব্রিজ বা কালভার্ট।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার রানু আক্তার ও ওয়ার্ড মেম্বার সব্বির আহমদ জানান, প্রায় ৫০ বছর পূর্বে সৃষ্ট এছড়ায় ব্রিজ বা কালর্ভাট না থাকার কারণে এলাকাবাসী শিক্ষা, বিদ্যুৎ, চিকিৎসাসহ নানান সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন ফল পাইনি।
এব্যাপারে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আলম জানান, আমি দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের জনগণ ও মেম্বারগণ আমাকে অবহিত করেছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং এলাকাবাসী দূর্ভোগ নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ হাতে নিচ্ছি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন