হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ:
সীমান্ত জনপদ টেকনাফের কিংবদন্তীর নেতা প্রয়াত আলহাজ্ব এজাহার মিয়া কোম্পানীর মা এমপি বদির দাদী হাজী খুইল্যাবানু গতকাল ৪ জুন ভোর সাড়ে ৫টায় টেকনাফ পৌর এলাকার চৌধুরী পাড়াস্থ কনিষ্ঠ পুত্র পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম মিয়ার বাস ভবনে ৯১ বছর বয়সে ইনত্মেকাল করেছেন। ইন্না ...রাজিউন। বাদে জোহর টেকনাফ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। তাঁর নামাজে জানাজায় ২পুত্র হাজী মোজাহার মিয়া কোম্পানী মেয়র হাজী ইসলাম মিয়া,নাতী এমপি আবদুর রহমান বদি,নাতি পৌর প্যানেল মেয়র মাওঃ মুজিবুর রহমান,উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া,ভাইস চেয়ারম্যান ইউনুছ বাঙ্গালী,মাদ্রাসা শিৰা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ,শিৰক-শিৰাথর্ী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি,পুলিশসহ সর্বস্থরের মানুষ অংশগ্রহন করেন। নামাজে জানাজার বিশাল জামাতে ইমামতি এবং দাফন শেষে মরহুমার আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোআ করেন টেকনাফ জামেয়ার মুহতামিম আলস্নামা মুপ্তি কিফায়তুলস্নাহ শফীক।তাঁর ৩ছেলে ৫ মেয়ে। বড় পুত্র এজাহার মিয়া কোম্পানী টেকনাফ সদর ইউপির একাধিক টার্ম চেয়ারম্যান এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি মায়ের ২ বছর আগে ২০০৯ সনের ৫ এপ্রিল মৃত্যবরণ করেন।তাঁর ১ পুত্র বর্তমানে এমপি এবং ১পুত্র টেকনাফ পৌর প্যানেল মেয়র।মরহুমা খুইল্যাবানুর মেঝ ছেলে হাজী মুজাহার মিয়া কোম্পানী ১জন নামকরা বিশ্বস্থ ব্যবসায়ী। সর্ব কনিষ্ট পুত্র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম মিয়া কোম্পানী টেকনাফ পৌরসভার মেয়র ও সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ৩ ছেলে ও ৫ মেয়ের মধ্যে বর্তমানে ২ছেলে এবং ৪মেয়ে বর্তমানে জীবিত আছেন। হাজী খুইল্যাবানুর স্বামী হাজী সোলতান আহমদ ১৯৯৩ সনে ইনত্মেকাল করেছিলেন।জানা যায় খুইল্যাবানুর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা বারডেম হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে মা ভক্ত কনিষ্ঠ পুত্র মেয়র হাজী ইসলাম মিয়ার টেকনাফ চৌধুরী পাড়াস্থ বাস ভবনে বিশ্রামে রাখা হয়।দীর্ঘ প্রায় ৫মাস আত্নীয় স্বজনের সেবা যত্নে ছিলেন। মেয়র তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান আজ আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ট ধন হারিয়েছি।১৯৭৫ সন থেকেই মা আমার সাথেই থাকতেন।তিনি আরো জানান আমার বর্তমান অবস্থানের জন্য সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে শ্রদ্ধেয় বড় ভাই পিতৃতুল্য এজাহার মিয়া কোম্পানী ও প্রয়াত ভাবী জননীতুল্য মলকাবানু। তাঁরাই আমাকে মানুষ করেছেন,এমনকি বিয়ের মহরানাও দিয়েছিলেন।তাদেরকে হারিয়ে আমার ধন ছিল একমাত্র মা।আজ মাকেও হারালাম।ধন সম্পদ ,ৰমতা ও সম্মানসহ সবকিছু থাকার পরও নিজকে অসহায় মনে হচ্ছে।তবে শানত্মনা যে ,মাকে ২বার পবিত্র হজ্বব্রত পালন করার সৌভাগ্য হয়েছে এবং তিনি জীবদ্দশায় ১পুত্রকে দীর্ঘ মেয়াদী ইউপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ,১জন নাতি সরকার দলীয় এমপি এবং সর্ব শেষ কনিষ্ঠ ১পুত্রকে পৌর মেয়র ও ১ নাতিকে প্যানেল মেয়র হিসেবে দেখে যাওয়ার বিরল সৌভাগ্য হয়েছে।এদিকে মরহুমার অছিয়তমতে মৃত্যু সংবাদ মাইক যোগে প্রচারনা করা না হলেও হাজার হাজার ভক্ত অনুরক্তরা মেয়রের বাস ভবনে ভীড় জমায়। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন-টেকনাফ জামেয়ার শিৰক শিৰার্থী ও পরিচালনা কমিটির পৰে মুহতামিম দৈনিক সাগরদেশ পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক মুপ্তি কিফায়তুলস্নাহ শফীক, টেকনাফে কর্মরত সংবাদকর্মী হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,সাইফুল ইসলাম সাইফী,আবদুলস্নাহ মনির,আশেক উলস্নাহ ফারম্নকী,গিয়াস উদ্দীন,নুরম্নল হক,আবুল আলী,আবদুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
সীমান্ত জনপদ টেকনাফের কিংবদন্তীর নেতা প্রয়াত আলহাজ্ব এজাহার মিয়া কোম্পানীর মা এমপি বদির দাদী হাজী খুইল্যাবানু গতকাল ৪ জুন ভোর সাড়ে ৫টায় টেকনাফ পৌর এলাকার চৌধুরী পাড়াস্থ কনিষ্ঠ পুত্র পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম মিয়ার বাস ভবনে ৯১ বছর বয়সে ইনত্মেকাল করেছেন। ইন্না ...রাজিউন। বাদে জোহর টেকনাফ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। তাঁর নামাজে জানাজায় ২পুত্র হাজী মোজাহার মিয়া কোম্পানী মেয়র হাজী ইসলাম মিয়া,নাতী এমপি আবদুর রহমান বদি,নাতি পৌর প্যানেল মেয়র মাওঃ মুজিবুর রহমান,উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া,ভাইস চেয়ারম্যান ইউনুছ বাঙ্গালী,মাদ্রাসা শিৰা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ,শিৰক-শিৰাথর্ী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি,পুলিশসহ সর্বস্থরের মানুষ অংশগ্রহন করেন। নামাজে জানাজার বিশাল জামাতে ইমামতি এবং দাফন শেষে মরহুমার আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোআ করেন টেকনাফ জামেয়ার মুহতামিম আলস্নামা মুপ্তি কিফায়তুলস্নাহ শফীক।তাঁর ৩ছেলে ৫ মেয়ে। বড় পুত্র এজাহার মিয়া কোম্পানী টেকনাফ সদর ইউপির একাধিক টার্ম চেয়ারম্যান এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি মায়ের ২ বছর আগে ২০০৯ সনের ৫ এপ্রিল মৃত্যবরণ করেন।তাঁর ১ পুত্র বর্তমানে এমপি এবং ১পুত্র টেকনাফ পৌর প্যানেল মেয়র।মরহুমা খুইল্যাবানুর মেঝ ছেলে হাজী মুজাহার মিয়া কোম্পানী ১জন নামকরা বিশ্বস্থ ব্যবসায়ী। সর্ব কনিষ্ট পুত্র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম মিয়া কোম্পানী টেকনাফ পৌরসভার মেয়র ও সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ৩ ছেলে ও ৫ মেয়ের মধ্যে বর্তমানে ২ছেলে এবং ৪মেয়ে বর্তমানে জীবিত আছেন। হাজী খুইল্যাবানুর স্বামী হাজী সোলতান আহমদ ১৯৯৩ সনে ইনত্মেকাল করেছিলেন।জানা যায় খুইল্যাবানুর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা বারডেম হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে মা ভক্ত কনিষ্ঠ পুত্র মেয়র হাজী ইসলাম মিয়ার টেকনাফ চৌধুরী পাড়াস্থ বাস ভবনে বিশ্রামে রাখা হয়।দীর্ঘ প্রায় ৫মাস আত্নীয় স্বজনের সেবা যত্নে ছিলেন। মেয়র তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান আজ আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ট ধন হারিয়েছি।১৯৭৫ সন থেকেই মা আমার সাথেই থাকতেন।তিনি আরো জানান আমার বর্তমান অবস্থানের জন্য সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে শ্রদ্ধেয় বড় ভাই পিতৃতুল্য এজাহার মিয়া কোম্পানী ও প্রয়াত ভাবী জননীতুল্য মলকাবানু। তাঁরাই আমাকে মানুষ করেছেন,এমনকি বিয়ের মহরানাও দিয়েছিলেন।তাদেরকে হারিয়ে আমার ধন ছিল একমাত্র মা।আজ মাকেও হারালাম।ধন সম্পদ ,ৰমতা ও সম্মানসহ সবকিছু থাকার পরও নিজকে অসহায় মনে হচ্ছে।তবে শানত্মনা যে ,মাকে ২বার পবিত্র হজ্বব্রত পালন করার সৌভাগ্য হয়েছে এবং তিনি জীবদ্দশায় ১পুত্রকে দীর্ঘ মেয়াদী ইউপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ,১জন নাতি সরকার দলীয় এমপি এবং সর্ব শেষ কনিষ্ঠ ১পুত্রকে পৌর মেয়র ও ১ নাতিকে প্যানেল মেয়র হিসেবে দেখে যাওয়ার বিরল সৌভাগ্য হয়েছে।এদিকে মরহুমার অছিয়তমতে মৃত্যু সংবাদ মাইক যোগে প্রচারনা করা না হলেও হাজার হাজার ভক্ত অনুরক্তরা মেয়রের বাস ভবনে ভীড় জমায়। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন-টেকনাফ জামেয়ার শিৰক শিৰার্থী ও পরিচালনা কমিটির পৰে মুহতামিম দৈনিক সাগরদেশ পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক মুপ্তি কিফায়তুলস্নাহ শফীক, টেকনাফে কর্মরত সংবাদকর্মী হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,সাইফুল ইসলাম সাইফী,আবদুলস্নাহ মনির,আশেক উলস্নাহ ফারম্নকী,গিয়াস উদ্দীন,নুরম্নল হক,আবুল আলী,আবদুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন