এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে শুক্রবার বিকেলে সংঘঠিত ঘটনা প্রসঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে বর্তমান সরকার অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিয়ে জনগনের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন। সরকারের এই সাফল্যকে ব্যর্থ প্রমানের জন্য ও ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে কৌশলে জয়ী করতে রাজনৈতিক উদ্যেশ্যে ওইদিন পরিকল্পিতভাবে ফাসিয়াখালীতে এঘটনা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। দিনে চকরিয়ায় অশানত্ম পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তারা রাতে আচরনবিধি লঙ্ঘন করে পেকুয়ায় উল্টো আওয়ামীলীগ ও প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে দলীয় প্রার্থীর জন্য ভোট চেয়েছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদে তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী একজন জাতীয় নেতা হয়ে তিনি আদর্শের বদলে সন্ত্রাসের পথে রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি মুঠোফোনে চকরিয়া-পেকুয়া থেকে সশস্ত্র লোক জড়ো করে চকরিয়ায় একটি ঘোলাটে অবস্থার চেষ্টা করেছেন। এখানকার মানুষ মনে করে ছিল জরুরী অবস্থার পর তিনি তাকে শুধরে নেবেন। কিন্তু তিনি ওইদিনের ঘটনায় প্রমান করেছেন তার চরিত্র একটুও বদলায়নি। রেজাউল করিম আরো বলেন, চকরিয়া উপজেলার আসন্ন ইউপি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে আইন শৃংঙলা বিষয়ক সভা হয়েছে কয়েকদিন পুর্বে। সভায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তাদের কাছে প্রায় প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা সালাহ উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে গন সংযোগ ও পথসভার নামে এলাকায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করেন। এব্যাপারে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন তাকে অবগত করলেও তিনি এসবের তোয়াক্কা না করে তার দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনা চালাতে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের কোন নেতা এখনো কোন ইউনিয়নে এরকম প্রচারনা চালাইনি। এতে আমরা মনে করি তিনি ওইদিনের ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্যেশ্যেই করেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চন অনুষ্টানের লক্ষ্যে এবং আইনশৃংঙলার রক্ষার স্বার্থে ইউপি নির্বাচন কালীন সময়ে কোন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় না থাকার জন্য সালাহ উদ্দিন আহমদকে আহবান জানান। একই সাথে ফাসিয়াখালীতে সংগঠিত ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদে তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী একজন জাতীয় নেতা হয়ে তিনি আদর্শের বদলে সন্ত্রাসের পথে রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি মুঠোফোনে চকরিয়া-পেকুয়া থেকে সশস্ত্র লোক জড়ো করে চকরিয়ায় একটি ঘোলাটে অবস্থার চেষ্টা করেছেন। এখানকার মানুষ মনে করে ছিল জরুরী অবস্থার পর তিনি তাকে শুধরে নেবেন। কিন্তু তিনি ওইদিনের ঘটনায় প্রমান করেছেন তার চরিত্র একটুও বদলায়নি। রেজাউল করিম আরো বলেন, চকরিয়া উপজেলার আসন্ন ইউপি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে আইন শৃংঙলা বিষয়ক সভা হয়েছে কয়েকদিন পুর্বে। সভায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তাদের কাছে প্রায় প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা সালাহ উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে গন সংযোগ ও পথসভার নামে এলাকায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করেন। এব্যাপারে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন তাকে অবগত করলেও তিনি এসবের তোয়াক্কা না করে তার দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনা চালাতে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের কোন নেতা এখনো কোন ইউনিয়নে এরকম প্রচারনা চালাইনি। এতে আমরা মনে করি তিনি ওইদিনের ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্যেশ্যেই করেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চন অনুষ্টানের লক্ষ্যে এবং আইনশৃংঙলার রক্ষার স্বার্থে ইউপি নির্বাচন কালীন সময়ে কোন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় না থাকার জন্য সালাহ উদ্দিন আহমদকে আহবান জানান। একই সাথে ফাসিয়াখালীতে সংগঠিত ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন