সরওয়ার আলম শাহীন,উখিয়া,
প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিরামহীন নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার প্রার্থীরা। রাতের ঘুম হারাম করে দিয়ে পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ সহ ঘরে ঘরে ভোট আদায়ের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সালাম, কুশল বিনিময়, কুলাকুলি,
এমনকি কদমবুচি করে প্রার্থীরা ভোটারদের সাথে বুকে বুক মিলিয়ে অভিনব কায়দা অবলম্বন করে বোটাদের মন গলাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রতিপক্ষ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচারণবিধি লংঘন করার অবিযোগ আনচেন প্রতিনিয়ত। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গফুর উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ প্রার্থী এডভোকেট জমির উদ্দিন তার নির্বাচনী এলাকার ঘরে ঘরে গিয়ে জনপ্রতি ভোটারদের ৫শত টাকা প্রদান করে ভোটদানের জন্য শপথ করাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষ আরেক প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল নির্বাচনী এলাকায় তার কর্মী সমর্থকদের হুমকি-ধমকি প্রদান করছে। রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ নাগরিক কমিটির মনোনীত প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী ও খাইরুল আলম চৌধুরীরা তার কর্মী সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরত থাকার হুমকি প্রদর্শন করছে এবং নির্বাচন আচারণবিধি লংঘন করে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরন করছে। তাছাড়া খাইরুল আলম চৌধুরী তার নিজ এলাকা ভালুকিয়া, থিমছড়ি এলাকার ভোটাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। হলদিয়া পালং ইউনিয়নের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফজল করিম সিকদার অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীরা তাকে এবং তার কর্মী সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণার বাধা প্রদান করছে। জালিয়া পালং ইউনিয়নের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ছৈয়দ আলম চৌধুরী তার নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে কালো টাকা বিতরণ করছে। তবে প্রতিপক্ষ অভিযুক্ত প্রার্থীরা তা অস্বীকার করেছেন।
গত ১৬ জুন নির্বাচন অফিস প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ সম্পন্ন করেছে স্বস্ব ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতিক পেয়ে দ্বীগুণ উৎসাহ নিয়ে প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের মনগলানোর জন্য প্রার্থীরা সালাম, কুলাকুলি, কুশল বিনিময়, এমনকি পদধুলী নিয়ে ভোটারদের সাথে মত বিনিময় করে যাচ্ছে। ধর্মীয় সভা, বিবাহ অনুষ্টান থেকে শুরু করে জানাযা নামাজে প্রার্থীদের উপস্থিতি সরব হয়ে উঠেছে। অনেকেই মন্তব্য করে বলেন, অজপাড়া গায়ে একদিন যাদের পা পড়েনি, তারা ভোটের জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে ধর্ণা দিচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন