বলরাম দাশ অনুপম, কক্সবাজার:
কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক ইয়াবার চালান আটক হলেও এর পেছনে জড়িত গডফাদাররা প্রতিবারেই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। নানা কৌশল অবলম্বন করেও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সাথে এসব গডফাদারকে আটক করতে ব্যর্থ হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। ফলে এসব গডফাদার সিন্ডিকেট
নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে আড়ালে থেকে তাদের ইয়াবার জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। একের পর বড় বড় চালান আটক হয় সাথে গ্রেপ্তার হয় চুনোপুটিরা। কিন্তু রুই-কাতলারা প্রতিবারের ন্যায় চম্পট দিয়ে থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। সর্বশেষ ৮ জুন বিকেলে সদর উপজেলার নাপিতখালী ব্রীজ এলাকা থেকে র্যাব-৭ এর একটি দল ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ জন চুনি-পুটিকে আটক করে। কিন্তু এর পেছনে কারা জড়িত সে তথ্য আদৌ পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্রে জানা গেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফের অর্ধশতাধিক গডফাদার সিন্ডিকেট দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচারের পেছনে জড়িত রয়েছে। এরা অনেক সময় যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সে সরকারের রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে নিরাপদ ভাবে এ পাচার কার্য চালিয়ে থাকে। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য কক্সবাজারে প্রবেশ করে। এরপর সিন্ডিকেটের হাত বদলের মধ্যে দিয়ে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায় এ মাদক। ইয়াবার পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে প্রতিনিয়ত আসছে ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাঁজা ও আইসপিলের চালান বর্তমান সময়ে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে মাদকের চালান বাঁচাতে মহিলাদের ব্যবহার করা হচ্ছে এ কাজে। একটি সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের ইয়াবা চালানের পেছনে গডফাদার হিসেবে কাজ করছেন খুলনার বাসিন্দা ও টেকনাফ হাসপাতালের এক পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার স্বামী পরিচয় দানকারী জনৈক শাহ আলম। এর নেতৃত্বে কাজ করছে গুলবাহার, ফারুক, জামাল, মামুন, রনি প্রমুখ। ইয়াবা ব্যবসায় ভাল টাকা পাওয়া যায় এমন প্রলোভন দেখিয়ে এসব সিন্ডিকেটের সদস্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে হতাশাগ্রস্থ যুবকদের এ ব্যবসার সাথে সম্পৃত্ত করে ফেলছে প্রতিনিয়ত। আর এসব ছেলে-মেয়েদের মাধ্যমেই ইয়াবার চালান পাচার করে থাকে।
কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক ইয়াবার চালান আটক হলেও এর পেছনে জড়িত গডফাদাররা প্রতিবারেই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। নানা কৌশল অবলম্বন করেও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সাথে এসব গডফাদারকে আটক করতে ব্যর্থ হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। ফলে এসব গডফাদার সিন্ডিকেট
নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে আড়ালে থেকে তাদের ইয়াবার জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। একের পর বড় বড় চালান আটক হয় সাথে গ্রেপ্তার হয় চুনোপুটিরা। কিন্তু রুই-কাতলারা প্রতিবারের ন্যায় চম্পট দিয়ে থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। সর্বশেষ ৮ জুন বিকেলে সদর উপজেলার নাপিতখালী ব্রীজ এলাকা থেকে র্যাব-৭ এর একটি দল ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ জন চুনি-পুটিকে আটক করে। কিন্তু এর পেছনে কারা জড়িত সে তথ্য আদৌ পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্রে জানা গেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফের অর্ধশতাধিক গডফাদার সিন্ডিকেট দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচারের পেছনে জড়িত রয়েছে। এরা অনেক সময় যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সে সরকারের রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে নিরাপদ ভাবে এ পাচার কার্য চালিয়ে থাকে। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য কক্সবাজারে প্রবেশ করে। এরপর সিন্ডিকেটের হাত বদলের মধ্যে দিয়ে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায় এ মাদক। ইয়াবার পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে প্রতিনিয়ত আসছে ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাঁজা ও আইসপিলের চালান বর্তমান সময়ে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে মাদকের চালান বাঁচাতে মহিলাদের ব্যবহার করা হচ্ছে এ কাজে। একটি সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের ইয়াবা চালানের পেছনে গডফাদার হিসেবে কাজ করছেন খুলনার বাসিন্দা ও টেকনাফ হাসপাতালের এক পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার স্বামী পরিচয় দানকারী জনৈক শাহ আলম। এর নেতৃত্বে কাজ করছে গুলবাহার, ফারুক, জামাল, মামুন, রনি প্রমুখ। ইয়াবা ব্যবসায় ভাল টাকা পাওয়া যায় এমন প্রলোভন দেখিয়ে এসব সিন্ডিকেটের সদস্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে হতাশাগ্রস্থ যুবকদের এ ব্যবসার সাথে সম্পৃত্ত করে ফেলছে প্রতিনিয়ত। আর এসব ছেলে-মেয়েদের মাধ্যমেই ইয়াবার চালান পাচার করে থাকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন