তিনদিনের টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে দেশের উপকূলীয় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে রয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামে তিনদিনের টানা বর্ষণ, জোয়ারে পানি ও পাহাড়ি ঢলে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার হাজার হাজার মানুষ। সাগর উত্তাল থাকায় গত শনিবারও চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে অবস্থানরত পণ্যবাহী বিদেশি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি একই এলাকায় স্থির রয়েছে। এটি আজও একই এলাকায় অবস্থান করতে পারে। স্থল নিম্নচাপটি আরো উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সমুদ্র বন্দর সমূহ এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রয়েছে। এছাড়া কুতুবদিয়া চ্যানেলে ঝড়ের কবলে পড়ে গত তিনদিন ধরে ১২ মাঝিসহ নিখোঁজ রয়েছে একটি ফিশিং ট্রলার। এ ঘটনায় ১০ জেলে উদ্ধার হলেও এখনো ১২ জনের খোঁজ মেলেনি।
গত বৃহসপতিবার রাতে ২২ মাঝিসহ এফবি বিলকিছ-১ নামে ফিশিং ট্রলার নিখোঁজ হয়। মালিকপক্ষ থেকে এফবি বিলকিছ-২ সহ অন্যান্য ফিশিং বোট নিয়ে অন্য জেলেদের উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, জেলার সর্বত্রই থেমে থেমে হালকা, মাঝারি ও মাঝে মাঝে ভারি বৃষ্টির সাথে দমকা বাতাস ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপসাগর। প্রচন্ড ঢেউয়ে টিকতে না পেরে সাগরে মাছ ধরার শত শত ট্রলার মৎস বন্দর আলীপুর-মহিপুর, ঢোশ এবং গলাচিপার চরমোন্তাজ ও মৌডুবির উপকূলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পটুয়াখালীর অভ্যন্তরীণ সব রুটে ৬৫ ফুটের নিচের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নৌ-বন্দর কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সৃষ্ট লঘুচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে প্রতিনিয়ত দফায় দফায় প্লাবিত হচ্ছে পটুয়াখালী শহরসহ নিম্নাঞ্চল। জোয়ারের পানি শহরের ভিতরে ঢুকে রাস্তাঘাট বাসাবাড়ি ও দোকান পাট তলিয়ে গেছে। শহরের পুরান বাজার, চকবাজার, কাঠপট্টি, ফৌজাদারী পুল এলাকা, অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের কলাপাড়া, হাজিপুর ও মহিপুর এবং পটুয়াখালী-বরিশাল সড়কের লেবুখালী ফেরি ও পটুয়াখালী-বাউফল সড়কের বগা ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ার ফলে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট জোয়ারের পানি ও গত ৪ দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে নোয়াখালীতে আগাম বন্যা দেখা দিয়েছে। হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সূবর্ণচর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে লক্ষাধিক লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া হাতিয়ার সাথে সারা দেশের বিভিন্ন রুটে নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, গত তিন দিনে বরিশালে ১৪০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বরিশাল আবহাওয়া অধিদফতর। আরো কয়েকদিন এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করছেন তারা। এদিকে প্রবল বর্ষণে নগরীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কঙ্বাজার প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তবে এর প্রভাবে সাগর এখনো উত্তাল রয়েছে। কঙ্বাজার উপকূলীয় এলাকায় ৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। উপকূলের ভাঙ্গা বেড়িবাধ দিয়ে লোকালয়ে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে। এতে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর এক তৃতীয়াংশ এলাকা ৪/৫ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। বৈরি আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতার কারণে আজ শনিবার অনুষ্ঠিতব্য কঙ্বাজার সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
অপরদিকে জলোচ্ছ্বাস ও ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ৪৫টি ট্রলারসহ অনেক মাঝির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রয়েছে। এছাড়া কুতুবদিয়া চ্যানেলে ঝড়ের কবলে পড়ে গত তিনদিন ধরে ১২ মাঝিসহ নিখোঁজ রয়েছে একটি ফিশিং ট্রলার। এ ঘটনায় ১০ জেলে উদ্ধার হলেও এখনো ১২ জনের খোঁজ মেলেনি।
গত বৃহসপতিবার রাতে ২২ মাঝিসহ এফবি বিলকিছ-১ নামে ফিশিং ট্রলার নিখোঁজ হয়। মালিকপক্ষ থেকে এফবি বিলকিছ-২ সহ অন্যান্য ফিশিং বোট নিয়ে অন্য জেলেদের উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, জেলার সর্বত্রই থেমে থেমে হালকা, মাঝারি ও মাঝে মাঝে ভারি বৃষ্টির সাথে দমকা বাতাস ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপসাগর। প্রচন্ড ঢেউয়ে টিকতে না পেরে সাগরে মাছ ধরার শত শত ট্রলার মৎস বন্দর আলীপুর-মহিপুর, ঢোশ এবং গলাচিপার চরমোন্তাজ ও মৌডুবির উপকূলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পটুয়াখালীর অভ্যন্তরীণ সব রুটে ৬৫ ফুটের নিচের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নৌ-বন্দর কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সৃষ্ট লঘুচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে প্রতিনিয়ত দফায় দফায় প্লাবিত হচ্ছে পটুয়াখালী শহরসহ নিম্নাঞ্চল। জোয়ারের পানি শহরের ভিতরে ঢুকে রাস্তাঘাট বাসাবাড়ি ও দোকান পাট তলিয়ে গেছে। শহরের পুরান বাজার, চকবাজার, কাঠপট্টি, ফৌজাদারী পুল এলাকা, অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের কলাপাড়া, হাজিপুর ও মহিপুর এবং পটুয়াখালী-বরিশাল সড়কের লেবুখালী ফেরি ও পটুয়াখালী-বাউফল সড়কের বগা ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ার ফলে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট জোয়ারের পানি ও গত ৪ দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে নোয়াখালীতে আগাম বন্যা দেখা দিয়েছে। হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সূবর্ণচর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে লক্ষাধিক লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া হাতিয়ার সাথে সারা দেশের বিভিন্ন রুটে নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, গত তিন দিনে বরিশালে ১৪০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বরিশাল আবহাওয়া অধিদফতর। আরো কয়েকদিন এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করছেন তারা। এদিকে প্রবল বর্ষণে নগরীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কঙ্বাজার প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তবে এর প্রভাবে সাগর এখনো উত্তাল রয়েছে। কঙ্বাজার উপকূলীয় এলাকায় ৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। উপকূলের ভাঙ্গা বেড়িবাধ দিয়ে লোকালয়ে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে। এতে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর এক তৃতীয়াংশ এলাকা ৪/৫ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। বৈরি আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতার কারণে আজ শনিবার অনুষ্ঠিতব্য কঙ্বাজার সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
অপরদিকে জলোচ্ছ্বাস ও ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ৪৫টি ট্রলারসহ অনেক মাঝির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন