হাজিদের লাখ লাখ টাকা নিয়ে অফিস গুটিয়ে লাপাত্তা
এম,শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,কক্সবাজার:
কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানের হজ্বব্রত পালনে ইচ্ছুক অসংখ্য ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে ভুঁইফোড় মোস্তফা হজ্ব কাফেলা নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সি। কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় অবস্থিত কথিত
অফিসটিও গুটিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রতারক হজ্জ্ব কাফেলার কর্মকর্তাদের খুজে বেড়াচ্ছে প্রতারণার শিকার লোকজন।
অভিযোগে জানাগেছে, কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় গত ৩ বছর পূর্বে গড়ে তোলা হয় মোস্তফা হজ্জ্ব কাফেলা নামে এক রিক্রুটিং এজেন্সি । এই কথিত এজেন্সি সরকারী কোন লাইসেন্স ও নেয়নি। ভুঁইফোড় প্রতিষ্টান গড়ে তুলে সরকার অনুমোদিত বলে সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে বিদেশে হজ্ব,ওমরাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সহজে কম খরচে পাঠানোর প্রলোভনে ফেলে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
খোঁজনিয়ে জানা গেছে, এই ভুঁইফোড় প্রতিষ্টানের কর্ণধার হচ্ছে মাওলানা জাফর নামের এক ব্যক্তি। তার বাড়ী চট্টগ্রাম হলেও কক্সবাজার শহর সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে দালাল চক্র নিয়ে সিন্ডিকেট করে বিদেশ গমন ইচ্ছুক লোকজনকে প্রলোভনে ফেলেন। এদের কাছ থেকে টাকা জমা নিয়ে বিদেশে কোন রকম না পাঠিয়ে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে এমন অসংখ্য ব্যক্তি রয়েছে। প্রতারণার শিকার অনেক অসহায় ব্যক্তি মোস্তফা হজ্ব কাফেলার কর্মকর্তাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করলেও সঠিক সময় ও স্থান না দিয়ে অযথা ভুয়া ঠিকানা দিয়ে হয়রানী ও চরম ভাবে প্রতারণা করে যাচ্ছে। প্রতারণার শিকার এমন বেশ কয়েক জনের অভিযোগ,মোহাং এরশাদুর রহমান নামক ব্যক্তি এই মোস্তফা হজ্ব কাফেলা খপ্পরে পড়ে সৌদি আরবে হজ্ব পালন করতে পারেনি। তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ সত্তর হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। হয়রানীর শিকার হাফেজ মোহাং কলিম উল্লাহ ও মোহাং ছালামত উল্লাহসহ আরো অনেকে অভিযোগ করে বলেন, মোস্তফা হজ্ব কাফেলা অফিসে গত বছরের জুন মাসে হজ্বে নেয়ার ব্যবস্থা করবে বলে ৭ লাখ টাকা আদায় করে। আদায় করার পরও হজ্ব ভিসার কোন ব্যবস্থাও এ পর্যন্তও করেননি।
সুত্রে আরো জানাযায়, গত বছর হজ্বের সময় জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৬১ জন ব্যক্তিকে হজ্বব্রত পালনের প্যাকেজ নিয়ে মোস্তফা হজ্ব কাফেলা সৌদিআরবে নিয়ে যায়। কিন্তু হাজি্বদের নিয়ে গেলে তাদেরকে সেখানে যথাযথ খাবার,ঘুমাবার,গাইড পরিচালনা কিছুই না করায় হাজি্বরা বিড়ম্বনায় পড়ে যায়। সৌদিআরবের একটি খাবার হোটেলে ৬১ জন হাজির খাবারের ব্যবস্থা করলেও হ্জ্ব পালন শেষে হোটেল কতর্ৃপক্ষকে টাকা আদায় না করেই সেখানে উধাও হয়ে যায়। ওই সময় সৌদি আরবে হাজিরা কঠিন সময় পার করে দেশে ফিরে এসে চট্রগ্রাম ডবল মুরিং থানায় হাজিরা অভিযোগ দায়ের করেন । এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডবল মুরিং থানা পুলিশ এই প্রতারক মাওলানা জাফরকে হন্য হয়ে খুজেন। পুলিশের তাড়া খেয়ে চলতি মাসের শুরুতেই কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় অবস্থিত কথিত অফিসটিও গুটিয়ে ফেলে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জাফরের সাথে (০১৯৩৯-৩৯৭৭৯২,০১৮২০-৫৫২০৬২ ও ০১৭১৫-২৯৫৫২৫নং যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মোবাই বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিদিন দলে দলে লোকজন কথিত মোস্তফা হজ্ব কাফেলা অফিসে আসলেও কোন কর্মকর্তাকে সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না।
এম,শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,কক্সবাজার:
কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানের হজ্বব্রত পালনে ইচ্ছুক অসংখ্য ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে ভুঁইফোড় মোস্তফা হজ্ব কাফেলা নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সি। কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় অবস্থিত কথিত
অফিসটিও গুটিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রতারক হজ্জ্ব কাফেলার কর্মকর্তাদের খুজে বেড়াচ্ছে প্রতারণার শিকার লোকজন।
অভিযোগে জানাগেছে, কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় গত ৩ বছর পূর্বে গড়ে তোলা হয় মোস্তফা হজ্জ্ব কাফেলা নামে এক রিক্রুটিং এজেন্সি । এই কথিত এজেন্সি সরকারী কোন লাইসেন্স ও নেয়নি। ভুঁইফোড় প্রতিষ্টান গড়ে তুলে সরকার অনুমোদিত বলে সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে বিদেশে হজ্ব,ওমরাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সহজে কম খরচে পাঠানোর প্রলোভনে ফেলে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
খোঁজনিয়ে জানা গেছে, এই ভুঁইফোড় প্রতিষ্টানের কর্ণধার হচ্ছে মাওলানা জাফর নামের এক ব্যক্তি। তার বাড়ী চট্টগ্রাম হলেও কক্সবাজার শহর সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে দালাল চক্র নিয়ে সিন্ডিকেট করে বিদেশ গমন ইচ্ছুক লোকজনকে প্রলোভনে ফেলেন। এদের কাছ থেকে টাকা জমা নিয়ে বিদেশে কোন রকম না পাঠিয়ে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে এমন অসংখ্য ব্যক্তি রয়েছে। প্রতারণার শিকার অনেক অসহায় ব্যক্তি মোস্তফা হজ্ব কাফেলার কর্মকর্তাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করলেও সঠিক সময় ও স্থান না দিয়ে অযথা ভুয়া ঠিকানা দিয়ে হয়রানী ও চরম ভাবে প্রতারণা করে যাচ্ছে। প্রতারণার শিকার এমন বেশ কয়েক জনের অভিযোগ,মোহাং এরশাদুর রহমান নামক ব্যক্তি এই মোস্তফা হজ্ব কাফেলা খপ্পরে পড়ে সৌদি আরবে হজ্ব পালন করতে পারেনি। তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ সত্তর হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। হয়রানীর শিকার হাফেজ মোহাং কলিম উল্লাহ ও মোহাং ছালামত উল্লাহসহ আরো অনেকে অভিযোগ করে বলেন, মোস্তফা হজ্ব কাফেলা অফিসে গত বছরের জুন মাসে হজ্বে নেয়ার ব্যবস্থা করবে বলে ৭ লাখ টাকা আদায় করে। আদায় করার পরও হজ্ব ভিসার কোন ব্যবস্থাও এ পর্যন্তও করেননি।
সুত্রে আরো জানাযায়, গত বছর হজ্বের সময় জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৬১ জন ব্যক্তিকে হজ্বব্রত পালনের প্যাকেজ নিয়ে মোস্তফা হজ্ব কাফেলা সৌদিআরবে নিয়ে যায়। কিন্তু হাজি্বদের নিয়ে গেলে তাদেরকে সেখানে যথাযথ খাবার,ঘুমাবার,গাইড পরিচালনা কিছুই না করায় হাজি্বরা বিড়ম্বনায় পড়ে যায়। সৌদিআরবের একটি খাবার হোটেলে ৬১ জন হাজির খাবারের ব্যবস্থা করলেও হ্জ্ব পালন শেষে হোটেল কতর্ৃপক্ষকে টাকা আদায় না করেই সেখানে উধাও হয়ে যায়। ওই সময় সৌদি আরবে হাজিরা কঠিন সময় পার করে দেশে ফিরে এসে চট্রগ্রাম ডবল মুরিং থানায় হাজিরা অভিযোগ দায়ের করেন । এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডবল মুরিং থানা পুলিশ এই প্রতারক মাওলানা জাফরকে হন্য হয়ে খুজেন। পুলিশের তাড়া খেয়ে চলতি মাসের শুরুতেই কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কস্থ হোটেল আল আমিন এর ৩য় তলায় অবস্থিত কথিত অফিসটিও গুটিয়ে ফেলে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জাফরের সাথে (০১৯৩৯-৩৯৭৭৯২,০১৮২০-৫৫২০৬২ ও ০১৭১৫-২৯৫৫২৫নং যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মোবাই বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিদিন দলে দলে লোকজন কথিত মোস্তফা হজ্ব কাফেলা অফিসে আসলেও কোন কর্মকর্তাকে সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন