বার্তা পরিবেশক
উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড দীর্ঘ ৮বছর থেকে থেমে গেছে। বতর্মান মেম্বার বখতিয়ার আহমদ নিজের পকেট ভারি করতে গিয়ে এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ধরনের উন্নয়ন করতে পারেনি। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় এলাকার সাধারণ জনগণের সাথে স্বেচ্চাচারি আচরন সহ নানা ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি স্বজনপ্রীতির কারণে বিচার ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ায় আইন শৃংখলার পরিস্তিতির মারাত্নক
অবনতি ঘটেছে। এলাকায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে পতিতা ব্যবসা ও মদ, গাজা সহ এলাকায় নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।তিনি নিজ ও রোহিঙ্গা মেয়েদের ধষর্ণ করে।ধষর্ণে ধরা পড়ে এক রোহিঙ্গা বিয়ে করতে বাধ্য হতে হয়। পরবর্তী আর একটি ধষর্নের কথা প্রকাশ হলে ইউএনএইচসিআর বাদি হয়ে মামলা করে ।সেই গেপ্রতার হয়ে প্রায় ৫/৭মাস জেল থাকে ,জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে পূনরায় তার অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ রোহিঙ্গাদের প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়ে তাদের দিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কাযর্কর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। এসব পতিতা ও সন্ত্রাসী পরিচালিত হয় রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাড়ী গুলোতে। সচেতন মহলের মতে দীর্ঘদিন বখতিয়ার আহমদ মেম্বার হিসেবে ক্ষমতায় থাকায় সাধারণ জনগণের সাথে স্বোচ্চাচারি আচরণ করছে। এলাকার মানুষ তাকে সাহায্য সহযোগীতা করে মেম্বার নিবার্চন করেছে। কিন্তু নিবার্চিত হওয়ার পর থেকে সে রোহিঙ্গাদের দিয়ে পতিতা ও বিরাট সন্তাসী নেটওর্য়াক পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি অনেক রোহিঙ্গাকে টাকা বিনিময়ে ভোটার করেছে। এই নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়েছে
উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড দীর্ঘ ৮বছর থেকে থেমে গেছে। বতর্মান মেম্বার বখতিয়ার আহমদ নিজের পকেট ভারি করতে গিয়ে এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ধরনের উন্নয়ন করতে পারেনি। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় এলাকার সাধারণ জনগণের সাথে স্বেচ্চাচারি আচরন সহ নানা ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি স্বজনপ্রীতির কারণে বিচার ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ায় আইন শৃংখলার পরিস্তিতির মারাত্নক
অবনতি ঘটেছে। এলাকায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে পতিতা ব্যবসা ও মদ, গাজা সহ এলাকায় নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।তিনি নিজ ও রোহিঙ্গা মেয়েদের ধষর্ণ করে।ধষর্ণে ধরা পড়ে এক রোহিঙ্গা বিয়ে করতে বাধ্য হতে হয়। পরবর্তী আর একটি ধষর্নের কথা প্রকাশ হলে ইউএনএইচসিআর বাদি হয়ে মামলা করে ।সেই গেপ্রতার হয়ে প্রায় ৫/৭মাস জেল থাকে ,জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে পূনরায় তার অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ রোহিঙ্গাদের প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়ে তাদের দিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কাযর্কর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। এসব পতিতা ও সন্ত্রাসী পরিচালিত হয় রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাড়ী গুলোতে। সচেতন মহলের মতে দীর্ঘদিন বখতিয়ার আহমদ মেম্বার হিসেবে ক্ষমতায় থাকায় সাধারণ জনগণের সাথে স্বোচ্চাচারি আচরণ করছে। এলাকার মানুষ তাকে সাহায্য সহযোগীতা করে মেম্বার নিবার্চন করেছে। কিন্তু নিবার্চিত হওয়ার পর থেকে সে রোহিঙ্গাদের দিয়ে পতিতা ও বিরাট সন্তাসী নেটওর্য়াক পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি অনেক রোহিঙ্গাকে টাকা বিনিময়ে ভোটার করেছে। এই নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়েছে
এলাকাবাসী এইবার তার অপরাধ কর্মকান্ডের প্রতিদান ব্যালেটের ম্যাধ্যমে পরিশোধ করবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন