এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিলের প্রতিবাদে উত্তপ্ত এলাকা
সোয়েব সাঈদ, রামু:
রামু উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফতেখাঁরকুল (সদর) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী সিরাজুল হকের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে। ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ শওকত হোসেন তাঁর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেন।
এর প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল রোববার রাত আটটায় তাঁরা (সমর্থকেরা) বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা "সিরাজ ছাড়া নির্বাচন মানিনা মানবনা" শ্লোগান দেয়। এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকেরা আজ রামুতে অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে।
জানা গেছে,গতকাল রবিবার (৫ জুন)ছিল ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের দিন। বাছাইকালে মনোনয়ন পত্রে নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও ব্যয়ের সম্ভাব্য খাত সমুহের বিবরনী (ফরম-ঢ) না থাকায় তাঁর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।
প্রার্থী সিরাজুল হকের অভিযোগ,অন্য প্রার্থীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পরিকল্পিত ভাবে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সরিয়ে তাঁর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। এটা আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
এদিকে সিরাজুল হকের মনোনয়ন পত্র বাতিলের প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর থেকে রামু চৌমুহনীসহ আশে পাশের এলাকা মিছিল মিটিংএ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর সমর্থকেরা বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং আজ সোমবার তাঁর সমর্থকেরা রামুতে অর্ধ দিবস হরতাল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ডেকেছে।
তবে ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ শওকত হোসেন জানান, তাঁর মনোনয়নপত্রে অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও ব্যয়ের সম্ভাব্য খাত সমুহের বিবরনী (ফরম-ঢ) এর মূলকপি ও ফটোকপি না থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। অন্যপ্রার্থীর দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, বাতিলের পর ওই কাগজটি (ফরম-ঢ) জমা দেওয়ার জন্য একঘন্টা সময় দেওয়া হলেও তিনি তা দেননি। এখন তিনি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে আপিল করতে পারেন।
উল্লেখ্য রামু উপজেলায় আগামী ২৫ ও ২৮ জুন দুই দফায় ১১ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের নির্বাচন ২৮ জুন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন