নুপা আলম,
বাংলাদেশের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মিয়ানমারে স্থাপিত হয়েছে সাতটি ইয়াবা কারখানা। এসব কারখানায় ইয়াবা উপকরণ সরবরাহ করছে বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমার বিদ্রোহী আরএসও (রোহিঙ্গা জঙ্গি) এর নেতারা। মিয়ানমার সীমান্ত থেকে চোরাইপথে আনা ইয়াবা টেকনাফ থেকে কক্সবাজার হয়ে সারা দেশে পৌঁছে যাচ্ছে। আর শুধুমাত্র ওই কারখানায় ইয়াবা তৈরীর উপকরণ যাচ্ছে
বাংলাদেশ থেকে। মিয়ানমারের ওয়া আর্মি নামের সংগঠনের তত্ত্বাবধানে তৈরী হচ্ছে এসব ইয়াবা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আশি দশকের শুরুতে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউনাইটেড ওয়া স্টে-ইট আর্মি’ নামের একটি সংগঠন কারাখানা স্থাপন করে ইয়াবা তৈরী শুরু করে। ওই সময় বাংলাদেশে ইয়াবার তেমন পরিচিতি ছিলো না। কিন্তু ৯০ দশকে মাদক দ্রব্যটি বাংলাদেশের এক শ্রেণীর উচ্চ বিলাসী সেবনকারীদের প্রিয় হয়ে উঠে। যার সূত্র ধরে টেকনাফের হাজী বশর এর পুত্র বহুল আলোচিত একটেল রমজান ও বার্মাইয়া শুক্কুর নামের দু’জন হুন্ডি ব্যবসায়ী ২০০০ সালের শুরুতেই বাংলাদেশে ইয়াবা আনতে শুরু করে। তাদের হাত ধরে সম্প্রসারিত হয় বাংলাদেশের ইয়াবা পাচার। বর্তমানে বাংলাদেশে ইয়াবার ব্যাপক চাহিদা তৈরী হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের মংডু শহর ও তার আশে পাশে সাতটি ইয়াবার কারখানা রয়েছে। ইয়াবা সেবনকারী ও ব্যবসায় জড়িতদের দেয়া তথ্য মতে, পাঁচ প্রকার ইয়াবা বর্তমানে তৈরী হচ্ছে। এগুলো এস ওয়াই, জিপি, এন ওয়াই, ডব্লিউ ওয়াই ও গোল্ডেন নামে পরিচিত।
মাদকসেবী পুর্নবাসন কেন্দ্র মধুমিতা নোঙর এর পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ জানান, ইয়াবায় আসক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে উঠে। এ সময় সে চোখের পর্দায় ইদুর, বিড়ালসহ নানা প্রাণী ভাসতে দেখে। এভাবে ক্রমাগত পাগল হয়ে উঠতে পারে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মিয়ানমারের সাতটি কারখানায় ইয়াবা তৈরির উপকরণ হিসেবে মেথ্যাম ফিটামিন, ক্যাফিন ও হিরোইন যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জঙ্গী আরএসও নেতারা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করে ইউনাইটেড ওয়া স্টেইট আর্মি সংগঠনের নেতাদের হাতে এ উপকরণ পৌঁছে দিচ্ছে।
জানা যায়, কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে অবস্থানরত আরএসও’র সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সালামত উল্লাহ এর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা তৈরি উপকরণ সরবরাহ করছে। ২০১০ সালে বিজিবি সদস্য (তৎকালীন বিডিআর) অভিযান চালিয়ে টেকনাফ যাওয়ার কালে পৃথক অভিযানে ১০ কেজির বেশি হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই সময় বিজিবি দাবি করেছিল ইয়াবা তৈরির উপকরণ হিসেবে এ হেরোইন মিয়ানমার যাচ্ছিল। বিজিবির অভিযানে দফায় দফায় হেরোইনের চালান আটক হওয়ার পর মাওলানা সালামত কক্সবাজার শহরের কলাতলীস্থ কটেজ অন্যকে ভাড়া দিয়ে আস্তানা পরিবর্তন করে। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নিকটে অবস্থান করেছেন।
পিটিবি নিউজ ডটকম,
বাংলাদেশের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মিয়ানমারে স্থাপিত হয়েছে সাতটি ইয়াবা কারখানা। এসব কারখানায় ইয়াবা উপকরণ সরবরাহ করছে বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমার বিদ্রোহী আরএসও (রোহিঙ্গা জঙ্গি) এর নেতারা। মিয়ানমার সীমান্ত থেকে চোরাইপথে আনা ইয়াবা টেকনাফ থেকে কক্সবাজার হয়ে সারা দেশে পৌঁছে যাচ্ছে। আর শুধুমাত্র ওই কারখানায় ইয়াবা তৈরীর উপকরণ যাচ্ছে
বাংলাদেশ থেকে। মিয়ানমারের ওয়া আর্মি নামের সংগঠনের তত্ত্বাবধানে তৈরী হচ্ছে এসব ইয়াবা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আশি দশকের শুরুতে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউনাইটেড ওয়া স্টে-ইট আর্মি’ নামের একটি সংগঠন কারাখানা স্থাপন করে ইয়াবা তৈরী শুরু করে। ওই সময় বাংলাদেশে ইয়াবার তেমন পরিচিতি ছিলো না। কিন্তু ৯০ দশকে মাদক দ্রব্যটি বাংলাদেশের এক শ্রেণীর উচ্চ বিলাসী সেবনকারীদের প্রিয় হয়ে উঠে। যার সূত্র ধরে টেকনাফের হাজী বশর এর পুত্র বহুল আলোচিত একটেল রমজান ও বার্মাইয়া শুক্কুর নামের দু’জন হুন্ডি ব্যবসায়ী ২০০০ সালের শুরুতেই বাংলাদেশে ইয়াবা আনতে শুরু করে। তাদের হাত ধরে সম্প্রসারিত হয় বাংলাদেশের ইয়াবা পাচার। বর্তমানে বাংলাদেশে ইয়াবার ব্যাপক চাহিদা তৈরী হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের মংডু শহর ও তার আশে পাশে সাতটি ইয়াবার কারখানা রয়েছে। ইয়াবা সেবনকারী ও ব্যবসায় জড়িতদের দেয়া তথ্য মতে, পাঁচ প্রকার ইয়াবা বর্তমানে তৈরী হচ্ছে। এগুলো এস ওয়াই, জিপি, এন ওয়াই, ডব্লিউ ওয়াই ও গোল্ডেন নামে পরিচিত।
মাদকসেবী পুর্নবাসন কেন্দ্র মধুমিতা নোঙর এর পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ জানান, ইয়াবায় আসক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে উঠে। এ সময় সে চোখের পর্দায় ইদুর, বিড়ালসহ নানা প্রাণী ভাসতে দেখে। এভাবে ক্রমাগত পাগল হয়ে উঠতে পারে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মিয়ানমারের সাতটি কারখানায় ইয়াবা তৈরির উপকরণ হিসেবে মেথ্যাম ফিটামিন, ক্যাফিন ও হিরোইন যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জঙ্গী আরএসও নেতারা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করে ইউনাইটেড ওয়া স্টেইট আর্মি সংগঠনের নেতাদের হাতে এ উপকরণ পৌঁছে দিচ্ছে।
জানা যায়, কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে অবস্থানরত আরএসও’র সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সালামত উল্লাহ এর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা তৈরি উপকরণ সরবরাহ করছে। ২০১০ সালে বিজিবি সদস্য (তৎকালীন বিডিআর) অভিযান চালিয়ে টেকনাফ যাওয়ার কালে পৃথক অভিযানে ১০ কেজির বেশি হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই সময় বিজিবি দাবি করেছিল ইয়াবা তৈরির উপকরণ হিসেবে এ হেরোইন মিয়ানমার যাচ্ছিল। বিজিবির অভিযানে দফায় দফায় হেরোইনের চালান আটক হওয়ার পর মাওলানা সালামত কক্সবাজার শহরের কলাতলীস্থ কটেজ অন্যকে ভাড়া দিয়ে আস্তানা পরিবর্তন করে। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নিকটে অবস্থান করেছেন।
পিটিবি নিউজ ডটকম,
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন