ইউএনটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
উখিয়া ডাকাতের গুলিতে নিহত হওয়া আলী চানের পরিবার খুব দুঃখে কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তার পরিবারে নেই কোন সরকারি -বেসরকারি সহায়তা। এলাকার রাজনীতিবিদ ও দানশীল ধনীরা এগিয়ে আসেনা তার পরিবারকে সহায়তা করতে।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে ৪ ফেব্রেুয়ারী কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত ইউনুস (প্রকাশ ডাকাত ইউনুচ্যাকে) ধরতে উখিয়া থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায় । থানা পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সহজ সরল আলী চান এগিয়ে যায়। পুলিশ,ও ডাকাতদের মধ্যে শুরু হয় বন্দু যুদ্ধ। বন্দুক যুদ্ধের এক
পর্য়ায়ে কুখ্যাত ডাকাত ইউনুচ্যার গুলিতে কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের আলী চাঁন গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। আলী চান নিজের প্রাণে দিয়েও হাজারো জনতাকে বাচিয়ে দেয়। আলী চানের জীবনের বিনিময়ে পুলিশ ডাকাত ইউনুচকে ধরতে পারে নাই । এক বছর পর আবার পুলিশ ও জনতার সহযোগীতায় ইউনুচকে ধরে গনধোলাই দিয়ে মেরে ফেলে। নিহত হওয়র পরে আলী চাঁনের পরিবারের খোজ খবর নেয়নি প্রশাসন সহ সরকারী বেসরকারী কোন সংস'া এবং এলাকার জন প্রতিনিধিরা। বর্তমানে খেয়ে না খেয়ে দিন গুনছে আলী চাঁনের পরিবার।
আলী চাঁনের বিধবা স্ত্রী দিলোওয়ারা বলেন, তার স্বামী এলাকার সন্ত্রাস ও ডাকাত মুক্ত করতে গিয়ে বীরের মত জীবন দিয়েছে। এর প্রতিদান স্বরূপ আমাদের খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। তবে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃক পক্ষের কাছে আর্থিক সাহায্য এবং আমার স্বামীর সামাজিক মর্যাদা দেওয়ার আহব্বান করছি।
রিপোট করেছেন :
শরিফ আজাদ /ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী
উখিয়া ডাকাতের গুলিতে নিহত হওয়া আলী চানের পরিবার খুব দুঃখে কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তার পরিবারে নেই কোন সরকারি -বেসরকারি সহায়তা। এলাকার রাজনীতিবিদ ও দানশীল ধনীরা এগিয়ে আসেনা তার পরিবারকে সহায়তা করতে।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে ৪ ফেব্রেুয়ারী কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত ইউনুস (প্রকাশ ডাকাত ইউনুচ্যাকে) ধরতে উখিয়া থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায় । থানা পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সহজ সরল আলী চান এগিয়ে যায়। পুলিশ,ও ডাকাতদের মধ্যে শুরু হয় বন্দু যুদ্ধ। বন্দুক যুদ্ধের এক
পর্য়ায়ে কুখ্যাত ডাকাত ইউনুচ্যার গুলিতে কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের আলী চাঁন গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। আলী চান নিজের প্রাণে দিয়েও হাজারো জনতাকে বাচিয়ে দেয়। আলী চানের জীবনের বিনিময়ে পুলিশ ডাকাত ইউনুচকে ধরতে পারে নাই । এক বছর পর আবার পুলিশ ও জনতার সহযোগীতায় ইউনুচকে ধরে গনধোলাই দিয়ে মেরে ফেলে। নিহত হওয়র পরে আলী চাঁনের পরিবারের খোজ খবর নেয়নি প্রশাসন সহ সরকারী বেসরকারী কোন সংস'া এবং এলাকার জন প্রতিনিধিরা। বর্তমানে খেয়ে না খেয়ে দিন গুনছে আলী চাঁনের পরিবার।
আলী চাঁনের বিধবা স্ত্রী দিলোওয়ারা বলেন, তার স্বামী এলাকার সন্ত্রাস ও ডাকাত মুক্ত করতে গিয়ে বীরের মত জীবন দিয়েছে। এর প্রতিদান স্বরূপ আমাদের খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। তবে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃক পক্ষের কাছে আর্থিক সাহায্য এবং আমার স্বামীর সামাজিক মর্যাদা দেওয়ার আহব্বান করছি।
রিপোট করেছেন :
শরিফ আজাদ /ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন